রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-৮

পূর্ব শত্রুতার জেরে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুটি উপগ্রুপ। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ৭ টায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঘটনায় ৭-৮ জন কর্মী আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষে লিপ্ত গ্রুপ দুটি হলো চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ারের (সিএফসি) একাংশ এবং যুগ্ম সম্পাদক মো. ইলিয়াসের অনুসারী বিজয়।  সিএফসি ও বিজয় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

জানা যায়, উপমন্ত্রীর হাটহাজারির মেখল গ্রামের পুন্ডরীক ধামে আগামনকে কেন্দ্র করে শুভেচ্ছা জানাতে চবির ১ নম্বর গেইটে দাঁড়িয়েছিল দুই গ্রুপ। সেখানেই স্লেজিংয়ের সূত্র ধরে ধাক্কাধাক্কি ও মারামারি হয়।

এ ঘটনা অস্বীকার করে সভাপতি রেজাউল হক রুবেল বলেন, ‘আমি নওফেল ভাইয়ের সঙ্গে মেখলে চলে যাই। কোনো সংঘাতের ঘটনা আমি শুনিনি।’

সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিজয়ের একাংশের নেতা মো. ইলিয়াস বলেন, জুনিয়রদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি থেকে কথা কাটাকাটি হয়েছে।

অন্যদিকে, শাহ জালাল হলের সামনে পূর্বশত্রুতার জের ধরে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৮ টায় সংঘর্ষে জড়ায় সহ-সভাপতি মির্জা খবির সাদাফ অনুসারী সিএফসির একাংশ ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপুর অনুসারী সিক্সটি নাইন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষ নিজ নিজ হলে অবস্থান করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে।এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়ায় গ্রুপ দুটি।  এতে ছয় ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন।

চবির প্রক্টর ড. নুরুল আজিম সিকদার বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া আছে।  আমরা ও সজাগ রয়েছি।’

জনপ্রিয়

যশোর সালিশ শেষে ফেরার পথে হিজড়া যুবককে ব্লেড দিয়ে কুপিয়ে জখম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-৮

প্রকাশের সময় : ১০:৪৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পূর্ব শত্রুতার জেরে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুটি উপগ্রুপ। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ৭ টায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঘটনায় ৭-৮ জন কর্মী আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষে লিপ্ত গ্রুপ দুটি হলো চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ারের (সিএফসি) একাংশ এবং যুগ্ম সম্পাদক মো. ইলিয়াসের অনুসারী বিজয়।  সিএফসি ও বিজয় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

জানা যায়, উপমন্ত্রীর হাটহাজারির মেখল গ্রামের পুন্ডরীক ধামে আগামনকে কেন্দ্র করে শুভেচ্ছা জানাতে চবির ১ নম্বর গেইটে দাঁড়িয়েছিল দুই গ্রুপ। সেখানেই স্লেজিংয়ের সূত্র ধরে ধাক্কাধাক্কি ও মারামারি হয়।

এ ঘটনা অস্বীকার করে সভাপতি রেজাউল হক রুবেল বলেন, ‘আমি নওফেল ভাইয়ের সঙ্গে মেখলে চলে যাই। কোনো সংঘাতের ঘটনা আমি শুনিনি।’

সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিজয়ের একাংশের নেতা মো. ইলিয়াস বলেন, জুনিয়রদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি থেকে কথা কাটাকাটি হয়েছে।

অন্যদিকে, শাহ জালাল হলের সামনে পূর্বশত্রুতার জের ধরে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৮ টায় সংঘর্ষে জড়ায় সহ-সভাপতি মির্জা খবির সাদাফ অনুসারী সিএফসির একাংশ ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপুর অনুসারী সিক্সটি নাইন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষ নিজ নিজ হলে অবস্থান করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছে।এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়ায় গ্রুপ দুটি।  এতে ছয় ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন।

চবির প্রক্টর ড. নুরুল আজিম সিকদার বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া আছে।  আমরা ও সজাগ রয়েছি।’