
বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন,বেগম খালেদা জিয়ার শারিরীক অবস্থা অতি সঙ্গীন। তার মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা বলছেন, উনাকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এখন তাকে এদেশে চিকিৎসা দেয়ার মতো আর কিছু অবশিষ্ট নেই। বেগম জিয়ার জীবন রক্ষা করতে হলে অতি দ্রুত বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা দিতে হবে। তা না হলে তাকে বাঁচানো যাবে না। এটা শুধু দলের আবেদন নয়, এই আবেদন দেশের কোটি কোটি মানুষের। এই আবেদন দেশের শ্রেষ্ঠ চিকিৎসকদের। শেখ হাসিনা বেগম জিয়ার এমন সংকটাপন্ন অবস্থার কথা জানেন। কিন্তু তিনি ভয়েস অব আমেরিকাকে যে সাক্ষাতকার দিয়েছেন তাতে স্পস্ট যে, শেখ হাসিনা বন্দী অবস্থায় খালেদা জিয়াকে হত্যা করতে চান।একজন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে থাকা ৭৮ বছর বয়সী চারবারের প্রধানমন্ত্রী এবং সর্বোচ্চ সম্মানীত নারীকে নিয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতির চরম কদর্য অমানবিকতা প্রদর্শন করছেন শেখ হাসিনা।
রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে যখন মিথ্যা মামলায় গণভবনের রায়ে সাজা দিয়ে জেলে ভরা হয় তখন তিনি সুস্থ ছিলেন। তাকে পোকা মাকড়ের ভেতর স্যাতস্যাতে অন্ধকার প্রকোস্টে রেখে অর্ধমৃত করা হয়েছে। সন্দেহ হয় তাকে বিষ প্রয়োগও করা হয়েছে। তার লিভার নষ্ট হয়ে গেছে।চোখ অসুস্থ, তার কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত, তার উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিস, তার হৃদরোগ, তার রিং পরানো আছে। এত বেশি অসুস্থ সাবেক চারবারের প্রধানমন্ত্রী। অথচ চিকিৎসা করার সুযোগ নেই। আর আপনি (শেখ হাসিনা) গোটা আমেরিকা ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বেগম খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে মারার চক্রান্ত করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কারণেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা তাকে নিয়ে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও তিনি (শেখ হাসিনা) বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে দিচ্ছেন না। তার কিছু হলে শেখ হাসিনার অস্তিত্ব থাকবে না।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের উদ্দেশ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আপনি ৩৬ দিন আলটিমেটাম দিয়েছেন, বিএনপিকে সঠিক পথে আসতে বলেছেন, না হলে খবর আছে, হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে। আমি বলি, আপনি কার হাত-পা ভাঙবেন, জনগণ আমাদের সঙ্গে। পুলিশ দিয়ে বাধা দেন, র্যাব দিয়ে বাধা দেন। আপনারা যা বলবেন, তার ওল্টো হবে।
ঢাকা ব্যুরো।। 







































