
রাজধানী ঢাকা ও তার আশপাশের জেলা মহানগর থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশ জনসমুদ্রে রূপ নিয়েছে। সরকারের পদত্যাগসহ এক দফা দাবিতে আজ বুধবার দুপুর ২টায় ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এ সমাবেশ শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, সূর্যোদয়ের আগে এই সমাবেশের মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়। এই অবস্থার মাঝে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেতাকর্মীদের পদচারণে নয়াপল্টন সরগরম হয়ে উঠে।
বিএনপির নেতারা জানান, গত ১৬ অক্টোবর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুবসমাবেশে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ঢাকা ত্যাগ না করে থেকে গিয়েছিলেন। তারাও এই সমাবেশে অংশ নেন। এ ছাড়া স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা এই সমাবেশে যোগ দেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর মালিবাগ, কাকরাইল, নাইটিংগেল মোড়, মৎস্য ভবন, পল্টন, ফকিরাপুল, মতিঝিল, আরামবাগ এবং পীর জঙ্গি মোড়ে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকা বিএনপি নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠে। রাজধানীর বিভিন্ন ইউনিটির নেতাকর্মীরা ছোট ছোট মিছিলে আসছেন।
ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানা থেকে নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন, দলীয় ও জাতীয় পতাকা এবং মাথায় বিভিন্ন রঙের ক্যাপ পরে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে জড়ো হন। এ সময় তারা খালেদার জিয়ার মুক্তিসহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এদিকে বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তার বলয় গড়ে তুলেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সাদা পোশাকে রয়েছেন বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন তারা।
জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ ছাড়াও দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখছেন।
সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহ্বায়ক আবদুস সালাম এবং সঞ্চালনা করছেন উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব লিটন মাহমুদ।
এদিকে এই সমাবেশে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে নয়াপল্টনের আশপাশের সব সড়কে যানজট দেখা দিয়েছে।
ঢাকা ব্যুরো।। 







































