সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশ ৩ নভেম্বর

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ১১:২০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩
  • ৯৮

আগামী ২৭ অক্টোবর সারাদেশে জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল এবং ৩ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শুক্রবার বিকালে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে ছাত্র ও যুব সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এ ঘোষণা দেন।

রেজাউল করীম বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন দিল্লি আছে তো আমরা আছি বলে দেওয়া বক্তব্যে প্রশ্ন আসে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বীকার করেন কিনা। সরকার দেশে উন্নয়নের কথা বলে সঠিক, কিন্তু নির্বাচন আয়োজনে ভয় পায় কেন? বাংলাদেশের মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে উন্নয়ন হয়েছে, সরকারের বাবার টাকায় নয়। এ অবস্থায় আমরা বসে থাকলে চলবে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ভোটের ও ন্যায্য অধিকার আদায় করে মান-সম্মান-ইজ্জত রক্ষায় সমাবেশে উপস্থিত হয়েছি। ১৪ সালের নির্বাচন প্রহসনের নির্বাচন ছিল। ১৮ সালের নির্বাচন ডাকাতের নির্বাচন ছিল। উন্নয়নের নামে তারা মেগা, চুরি, ডাকাতি খুন করেছে। আবরারকে খুন করেছে। দেশকে লুটপাট করার ষড়যন্ত্র করেছে। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করব। ফিলিস্তিনিরা অধিকার আদায় করার জন্য বুলেটের সামনে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারলে, অধিকার আদায় করার জন্য আমরাও ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত আছি। যখন আন্দোলনের আহ্বান আসবে তখনই আমাদেরকে আন্দোলনের ময়দানে নামতে হবে। বিশ্রামের কোনো সময় নেই।

তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন এই সরকারের অধীনে হবে না। আগামী নির্বাচন প্রহসনের নির্বাচন হতে দেব না। দিল্লির গোলামি আমরা মানব না।

জনপ্রিয়

বাগেরহাট -৩ আসন থেকে,শেখ ফরিদুল ইসলাম কে মন্ত্রী চান উপজেলাবাসী

ঢাকায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশ ৩ নভেম্বর

প্রকাশের সময় : ১১:২০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩

আগামী ২৭ অক্টোবর সারাদেশে জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ মিছিল এবং ৩ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শুক্রবার বিকালে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে ছাত্র ও যুব সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এ ঘোষণা দেন।

রেজাউল করীম বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেছেন দিল্লি আছে তো আমরা আছি বলে দেওয়া বক্তব্যে প্রশ্ন আসে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বীকার করেন কিনা। সরকার দেশে উন্নয়নের কথা বলে সঠিক, কিন্তু নির্বাচন আয়োজনে ভয় পায় কেন? বাংলাদেশের মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে উন্নয়ন হয়েছে, সরকারের বাবার টাকায় নয়। এ অবস্থায় আমরা বসে থাকলে চলবে না।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ভোটের ও ন্যায্য অধিকার আদায় করে মান-সম্মান-ইজ্জত রক্ষায় সমাবেশে উপস্থিত হয়েছি। ১৪ সালের নির্বাচন প্রহসনের নির্বাচন ছিল। ১৮ সালের নির্বাচন ডাকাতের নির্বাচন ছিল। উন্নয়নের নামে তারা মেগা, চুরি, ডাকাতি খুন করেছে। আবরারকে খুন করেছে। দেশকে লুটপাট করার ষড়যন্ত্র করেছে। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করব। ফিলিস্তিনিরা অধিকার আদায় করার জন্য বুলেটের সামনে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারলে, অধিকার আদায় করার জন্য আমরাও ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত আছি। যখন আন্দোলনের আহ্বান আসবে তখনই আমাদেরকে আন্দোলনের ময়দানে নামতে হবে। বিশ্রামের কোনো সময় নেই।

তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন এই সরকারের অধীনে হবে না। আগামী নির্বাচন প্রহসনের নির্বাচন হতে দেব না। দিল্লির গোলামি আমরা মানব না।