মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘সোজা কথা, নয়াপল্টনেই আমরা সমাবেশ করব–গয়েশ্বর চন্দ্র

আগামী ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘সোজা কথা। আমরা সমাবেশ করব। যেখানে (নয়াপল্টনে) বসার কথা সেখানে আমরা না বসলে সারা ঢাকার অলি-গলিতে ছড়িয়ে পড়ব, যার যা আছে তা নিয়ে বসে পড়ব। দেখবেন প্রত্যেক মানুষ ঘরের দরজা খুলে রাস্তায় নেমে আসবে। এখন টের পাচ্ছেন না তখন টের পাবেন।’

বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদে জনতার অধিকার পার্টির (পিআরপি) উদ্যোগে ‘গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এক দফা দাবিতে’ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকটা কর্মসূচি গণতান্ত্রিকভাবে করছি, গণতান্ত্রিকভাবেই করব। আর পুলিশ-প্রশাসনের লোক কিছু বাড়তি বাড়তি কথা-বার্তা বলেন। তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলব, রাজনৈতিক বিতর্ক রাজনীতিবিদদের মধ্যে থাকতে দেন। রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে আপনারা জড়াবেন না। সুতরাং আমরা কোথায় সমাবেশ করব, করতে পারব না- আপনারা রাজনৈতিক বিবেচনায় যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেন, সেই সিদ্ধান্ত আমরা যে মানতে বাধ্য তা তো না। আমি কোথায় মিটিং করব এবং কোথায় করতে পারব না, সেটা পুলিশের অনুমতি নিয়ে করতে হবে- সংবিধানের কোথায় আছে?’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য আরও বলেন, সব রাজনৈতিক দল সমাবেশ করার সময় স্থানীয় থানাকে অবিহিত করে। তাদের দায়িত্ব আছে গণনিরাপত্তা এবং যারা মিটিং করে তাদের নিরাপত্তা দেওয়া।

আনসার বাহিনীকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, ‘এটা একটা ভালো কাজ করেছেন। বর্তমানে পুলিশের যে চরিত্র তাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতই অপরাধ করুক, তিনি যদি ক্ষমতায় নাও থাকেন তাকে গ্রেপ্তার করতে নাও যেতে পারে। তখন আমরা আনসারকে কাজে লাগাতে পারব।’

পিআরপির চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার একাংশের সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

জনপ্রিয়

অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে শ্রীলঙ্কা সুপার এইটে

‘সোজা কথা, নয়াপল্টনেই আমরা সমাবেশ করব–গয়েশ্বর চন্দ্র

প্রকাশের সময় : ০৪:৫১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩

আগামী ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘সোজা কথা। আমরা সমাবেশ করব। যেখানে (নয়াপল্টনে) বসার কথা সেখানে আমরা না বসলে সারা ঢাকার অলি-গলিতে ছড়িয়ে পড়ব, যার যা আছে তা নিয়ে বসে পড়ব। দেখবেন প্রত্যেক মানুষ ঘরের দরজা খুলে রাস্তায় নেমে আসবে। এখন টের পাচ্ছেন না তখন টের পাবেন।’

বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদে জনতার অধিকার পার্টির (পিআরপি) উদ্যোগে ‘গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এক দফা দাবিতে’ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকটা কর্মসূচি গণতান্ত্রিকভাবে করছি, গণতান্ত্রিকভাবেই করব। আর পুলিশ-প্রশাসনের লোক কিছু বাড়তি বাড়তি কথা-বার্তা বলেন। তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলব, রাজনৈতিক বিতর্ক রাজনীতিবিদদের মধ্যে থাকতে দেন। রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে আপনারা জড়াবেন না। সুতরাং আমরা কোথায় সমাবেশ করব, করতে পারব না- আপনারা রাজনৈতিক বিবেচনায় যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেন, সেই সিদ্ধান্ত আমরা যে মানতে বাধ্য তা তো না। আমি কোথায় মিটিং করব এবং কোথায় করতে পারব না, সেটা পুলিশের অনুমতি নিয়ে করতে হবে- সংবিধানের কোথায় আছে?’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য আরও বলেন, সব রাজনৈতিক দল সমাবেশ করার সময় স্থানীয় থানাকে অবিহিত করে। তাদের দায়িত্ব আছে গণনিরাপত্তা এবং যারা মিটিং করে তাদের নিরাপত্তা দেওয়া।

আনসার বাহিনীকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে গয়েশ্বর বলেন, ‘এটা একটা ভালো কাজ করেছেন। বর্তমানে পুলিশের যে চরিত্র তাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতই অপরাধ করুক, তিনি যদি ক্ষমতায় নাও থাকেন তাকে গ্রেপ্তার করতে নাও যেতে পারে। তখন আমরা আনসারকে কাজে লাগাতে পারব।’

পিআরপির চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাগপার একাংশের সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।