শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো একবারেই অযৌক্তিক

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ১১:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০২৩
  • ২৬০

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, যারা নতুন কারিকুলাম নিয়ে তথাকথিত আন্দোলন করছেন, তাদের বেশির ভাগই কোচিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কেউ কেউ নোট-গাইড নিয়ে স্কুলপর্যায়ে কমিশনের মাধ্যমে বিক্রি করেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি এর সঙ্গে কিছুসংখ্যক শিক্ষক জড়িত।

শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নতুন বছরে পাঠ্যবই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এখনো আশাবাদী নতুন বছরে সময়মতো শিক্ষার্থীদের কাছে বই পৌঁছে দিতে পারব।

মন্ত্রী বলেন, এখন পৃথিবীতে মূল জিনিস হচ্ছে দক্ষতা। সেই কারণে আমাদের নতুন শিক্ষাক্রম রূপান্তর। এখন বিশ্বের অনেক দেশে এটি করেছে। বাকি দেশগুলো করার চেষ্টা করছে। আমরা একটি খুব ভালো জায়গায় নিজেদের নিয়ে আসতে পেরেছি এবং এটি হুট করে হয়নি। ২০১৭-১৮ সালে অনেকগুলো গবেষণার পর ২০১৯ সালে সিদ্ধান্ত হয়ে আজকে আমরা এ অবস্থায় এসেছি এবং এটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে ২০২৭ সাল পর্যন্ত।

দীপু মনি বলেন, তারা যে দাবিগুলো করছেন এটি কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। তারা বলছেন নতুন শিক্ষাক্রম বাতিল, সংস্কার কিংবা একটি ৫০ নম্বরের পরীক্ষা। তাহলে আমরা যদি বলি ৫০ নম্বরের পরীক্ষা দেব, তাহলে সংস্কার আর বাতিলের প্রয়োজন হবে না। ৫০ নম্বরের পরীক্ষা কেন? তাহলে আবার বাচ্চাদের কোচিংয়ে যেতে হবে পরীক্ষার প্রস্তুতির নামে। কাজেই তাদের মূল উদ্দেশ্যে হচ্ছে কোচিং ব্যবসাকে বাঁচিয়ে রাখা।

মন্ত্রী বলেন, তারা অনেক অভিভাবককেও বিভ্রান্ত করছেন। এত বড় রূপান্তরের ক্ষেত্রে আমরা একটি বছর পার করে এসেছি। এটি কোনো কম সময় নয়। আমাদের অভিভাবকরা অভ্যস্ত হবেন, শিক্ষকরা ক্রমাগত প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন এবং প্রশিক্ষণ চলবে। কাজেই আমাদের নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে এবং বাস্তবায়ন হবে।

বছরের শুরুতে বই পাওয়ার শঙ্কা রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমি গণমাধ্যমে দুইরকম হেডলাইন দেখেছি। একটি বলছে ১ তারিখে বই দেওয়া যাবে কোনো শঙ্কা নেই, অপরটি বলেছে ১ তারিখে বই দেওয়া নিয়ে শঙ্কা। কাজেই কিসের ওপর ভিত্তি করে এ সংবাদ প্রকাশ করছেন এবং কেন করছেন আমি জানি না। আমরা এখনো আশাবাদী এবং বিশ্বাস করি সময়মতো বই দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এএসএম মোসা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) সুদীপ্ত রায়, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী বেপারী, সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির সুমনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

যশোরে খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো একবারেই অযৌক্তিক

প্রকাশের সময় : ১১:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ নভেম্বর ২০২৩

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, যারা নতুন কারিকুলাম নিয়ে তথাকথিত আন্দোলন করছেন, তাদের বেশির ভাগই কোচিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কেউ কেউ নোট-গাইড নিয়ে স্কুলপর্যায়ে কমিশনের মাধ্যমে বিক্রি করেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি এর সঙ্গে কিছুসংখ্যক শিক্ষক জড়িত।

শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নতুন বছরে পাঠ্যবই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এখনো আশাবাদী নতুন বছরে সময়মতো শিক্ষার্থীদের কাছে বই পৌঁছে দিতে পারব।

মন্ত্রী বলেন, এখন পৃথিবীতে মূল জিনিস হচ্ছে দক্ষতা। সেই কারণে আমাদের নতুন শিক্ষাক্রম রূপান্তর। এখন বিশ্বের অনেক দেশে এটি করেছে। বাকি দেশগুলো করার চেষ্টা করছে। আমরা একটি খুব ভালো জায়গায় নিজেদের নিয়ে আসতে পেরেছি এবং এটি হুট করে হয়নি। ২০১৭-১৮ সালে অনেকগুলো গবেষণার পর ২০১৯ সালে সিদ্ধান্ত হয়ে আজকে আমরা এ অবস্থায় এসেছি এবং এটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে ২০২৭ সাল পর্যন্ত।

দীপু মনি বলেন, তারা যে দাবিগুলো করছেন এটি কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। তারা বলছেন নতুন শিক্ষাক্রম বাতিল, সংস্কার কিংবা একটি ৫০ নম্বরের পরীক্ষা। তাহলে আমরা যদি বলি ৫০ নম্বরের পরীক্ষা দেব, তাহলে সংস্কার আর বাতিলের প্রয়োজন হবে না। ৫০ নম্বরের পরীক্ষা কেন? তাহলে আবার বাচ্চাদের কোচিংয়ে যেতে হবে পরীক্ষার প্রস্তুতির নামে। কাজেই তাদের মূল উদ্দেশ্যে হচ্ছে কোচিং ব্যবসাকে বাঁচিয়ে রাখা।

মন্ত্রী বলেন, তারা অনেক অভিভাবককেও বিভ্রান্ত করছেন। এত বড় রূপান্তরের ক্ষেত্রে আমরা একটি বছর পার করে এসেছি। এটি কোনো কম সময় নয়। আমাদের অভিভাবকরা অভ্যস্ত হবেন, শিক্ষকরা ক্রমাগত প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন এবং প্রশিক্ষণ চলবে। কাজেই আমাদের নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন হচ্ছে এবং বাস্তবায়ন হবে।

বছরের শুরুতে বই পাওয়ার শঙ্কা রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমি গণমাধ্যমে দুইরকম হেডলাইন দেখেছি। একটি বলছে ১ তারিখে বই দেওয়া যাবে কোনো শঙ্কা নেই, অপরটি বলেছে ১ তারিখে বই দেওয়া নিয়ে শঙ্কা। কাজেই কিসের ওপর ভিত্তি করে এ সংবাদ প্রকাশ করছেন এবং কেন করছেন আমি জানি না। আমরা এখনো আশাবাদী এবং বিশ্বাস করি সময়মতো বই দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এএসএম মোসা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) সুদীপ্ত রায়, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী বেপারী, সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির সুমনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।