বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে র‌্যাবের অভিযান, ৩০টি ককটেল,এয়ারগান উদ্ধার

  • যশোর অফিস ।।
  • প্রকাশের সময় : ১০:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩
  • ২২৬
যশোর শহর ও বেনাপোল এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩০ টি ককটেল বোমা ও একটি পিস্তল সাদৃশ্য এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‌্যাব। গতকাল সোমবার রাতে এ অভিযান চালানো হয়। তবে এর সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি তারা।
র‍্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিসাধন ও বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ড সৃষ্টির লক্ষ্যে যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বোমা বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এরপর সোমবার গভীর রাতে যশোর শহরের বেজপাড়া, চোকদারপাড়া, আনসার ক্যাম্প শংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইটি বাজারের ব্যাগ থেকে বিশেষভাবে রক্ষিত ৯টি ককটেল বোমা ও ১টি পিস্তল সাদৃশ্য এয়ারগান উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে একই রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৬ যশোরের অপর একটি টিম বেনাপোল পোর্ট থানার ভবেরবেড় গ্রামের একটি পুকুরের পাশের ঝোপের মধ্য থেকে একটি বালতি ভর্তি ২১ টি ককটেল বোমা উদ্ধার করে।ধারণা করা হচ্ছে, বড় ধরনের নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে উদ্ধারকৃত ককটেল বোমা একত্রিত করা হয়েছিল। ককটেল বোমা মজুদকারীদের সনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরো জানান, ককটেল ও এয়ারগান বেনাপোল পোর্ট থানা ও কোতয়ালী মডেল থানায় জিডি মূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।#
যশোর জেনারেল হাসপাতালে মাদকাসক্ত নির্ণয়ে জন্য ডোপ টেস্টে চালু 
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে’র প্যাথলজি ল্যাবে চালু হয়েছে মাদকাসক্ত নির্ণয়ে জন্য ডোপ টেস্টে। এর ফলে যশোরে চাকরি প্রত্যাশী ও পেশাদার চালকদের লাইসেন্স প্রাপ্তিতে জন্য আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্ছ মূল্য দিয়ে ডোপ টেস্টে করতে হবে না। মাত্র ৯৫০ টাকায় সরকারি খরচে এ প্রতিষ্ঠান থেকেই ডোপ টেস্টে করতে পারবেন চাকরি প্রত্যাশী ও পেশাদার লাইসেন্স প্রাপ্তি চালকরা।
মঙ্গলবার বর্নাঢ্য আনুষ্ঠানিকাতার মধ্য দিয়ে হাসপাতারের প্যাথলজি ল্যাবে ডোপ টেস্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সিভিল সার্জন ডাক্তার বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সিভিল সার্জন ডাক্তার আতিকুর রহমান খাঁন, সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মতর্কা ডাক্তার মীর আবু মাউদ। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সদস্য সচিব ডাক্তার মোহাম্মাদ গোলাম মোর্তুজা, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আনোয়ার হোসেন, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞা ডাক্তার আব্দুস সামাদ প্রমুখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধান অতিথি ডাক্তার বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, স্বল্প সময়ে হাসপাতালে ডোপ টেস্ট চালু হওয়াই সেবা প্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে। একই সাথে দালাল ছাড়াই সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বল্প মূল্যে সেবা গ্রহীতারা নিজেদের প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট করতে পারবে।
এদিকে হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নির্দেশনা অনুয়ায়ী সরকাররি ও বেসরকারিসহ বিভিন্ন চাকুরিতে চুড়ান্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে এবং গাড়ীর চালকদের লাইসেন্স প্রাপ্তি ক্ষেত্রে সরকার মাদকাসক্ত নির্ণয়ে জন্য ডোপ টেস্টে বাধ্যতামূলক করেছেন। কিন্তু সরকারি নির্দেশনা থাকলেও যশোরে প্রথম দিকে যশোর মেডিকেল কলেজে অস্থায়ী ভাবে ডোপ টেস্টে চালু হয়। কিছু দিন চলার পরে সরকারি ভাবে ডোপ টেস্টের কিট সরবরাহ না থাকায় ঐ প্রতিষ্ঠানে ডোপ টেস্টে বন্ধ হয়ে যায়। তখন চাকরি প্রত্যাশী ও পেশাদার ও অপেশাদার চালকরা পড়েন বিপাকে। পরে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ চাকুরী প্রত্যাশীদের ও চালকদের র্দুভোগ লাঘবের জন্য বেসরকারি ক্লিনিক ইবনে সিনা ও সানরাইজে ডোপ টেস্টের জন্য অনুমোদন প্রদান করেন। পরে বেসরকারি ক্লিনিক উচ্ছ মূল্যে ডোপ টেস্টে পরীক্ষা চালু করেন। এতে করে অনেকে এক হাজার ৫শ থেকে ২ হাজার টাকা দিয়ে ডোপ টেস্টে করতে সমস্য দেখা দেয়। কিন্তু সরকারি ভাবে এই পরীক্ষা জেলা হাসপাতালে চালু না থাকায় কষ্ঠ হলেও তার বেসরকারি ক্লিনিক থেকে ডোপ টেস্টে করতে বাধ্য হতেন। কিন্তু মঙ্গলবার থেকে সরকারি ভাবে জেনারেল হাসপাতালে ডোপ টেস্টে শুরু হওয়াই চাকুরী প্রত্যাশীদের ও চালকরা স্বল্প মূল্যে পরীক্ষা করতে পারবে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক রাকিবুল হাসান বলেন, সরকার ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার পর থেকে যশোরে বেসরকারি ভাবে পরীক্ষা করাতে গিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। অতিরিক্ত টাকা ব্যয়ের পাশাপাশি অনেক হয়রানির মধ্যে পড়তে হয়েছে চালকসহ সেবা প্রার্থীদের। কিন্তু আজ মঙ্গলবার থেকে জেনারেল হাসপাতালে হাতের কাছে সরকারি খরচে ডোপ টেস্টের সুযোগ পাচ্ছে সাধারণ চালকসহ সেবা প্রার্থীরা। এতে করে হয়রানি থেকে রক্ষা পায়েছে তাঁরা।
এব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি নিদের্শনা এবং কিট ক্রয়ের জন্য ৫লাখ পাকা বরাদ্দ পাওয়া পর হাসপাতালে ডোপ টেস্টের কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয় পর্যায়ে কটেশনের মাধ্যমে ডোপ টেস্টোর কিট ক্রয় করা হয়েছে। হাসপাতালের স্টোরে রোববার টিক চলে আসায় আজ মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ডোপ টেস্ট চালু করা সম্ভব হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হারুন অর রশিদ বলেন, সরকারি হাসপাতালে ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করায় এখন থেকে আর বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করে পরীক্ষা করাতে হবে না সেবা গ্রহিতাদের। মাত্র ৯৫০ টাকায় হাসপাতালের ল্যাব থেকে সেবা গ্রহীতারা ডোপ টেস্ট করতে পারবে।
যশোরে আইনজীবীকে মারপিট ও চাঁদা দাবি             
যশোরের আদালত পাড়ার চিহ্নিত প্রতারক কখনো আইনজীবী আবার কখনো আইনজীবী সহকারী পরিচয়দানকারী মেহেদী হাসান জিল্লু এবার একজন আইনজীবীর কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেছেন। শুধু তাই নয়, টাকা না দেয়ায় ওই আইনজীবীর চেম্বারেই তাকে মারপিটও করেছেন জিল্লুসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা।
পরে সাধারণ আইনজীবীরা এসে জিল্লুকে ধরে জেলা আইনজীবী সমিতির কাছে হস্তান্তর করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জিল্লুকে আটকও করে। পরবর্তীতে আইনজীবী সমিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে সমাঝোতার পর মুচলেকা নিয়ে জিল্লুকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। যা নিয়ে আদালত পাড়ায় চলছে আলোচনা ও সমালোচনা। জিল্লুর বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ থাকার পরও কেনো তাকে ছেড়ে দেয়া হলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এ বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দকেও দোষারোপ করছেন তারা। যদিও সমিতির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে সকলের সামনে ওই আইনজীবীর পায়ে ধরে ক্ষমা চাওয়া ও আদালত পাড়ায় না আসার শর্তে প্রথমবারের মত ক্ষমা করা হয়েছে জিল্লুকে। পরবর্তীতে এ ধরনের অপরাধ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভুক্তভোগী অ্যাডভোকেট বনি আমিন জানান,সকালে তিনি তার শেখ মুজিবুর রহমান সড়কের ঈদগাহের সামনে অবস্থিত চেম্বারে বসে কাজ করছিলেন। এ সময় জিল্লু এক মক্কেলের পক্ষ নিয়ে কয়েকজনসহ তার চেম্বারে আসেন। এক পর্যায়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন তার কাছে। গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করা হয় তাকে। পরে আকস্মিকভাকে তাকে মারপিট শুরু করে জিল্লু। পরে আইনজীবীরা পুলিশকে খবর দেন এবং জিল্লুকে ধরে সমিতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিছু সময় পর জিল্লু ও তার পরিবার এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু মোর্তজা ছোট তার চেম্বারে আসেন। জিল্লু ক্ষমা চান। পরে সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জিল্লুকে মুক্তি দেয়া হয়।
যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু মোর্তজা ছোট বলেন, জিল্লু সকলের সামনে বনি আমিনের পায়ে ধরে ক্ষমা চান। এছাড়া আদালত অঙ্গনে তিনি আর আসবেন না বলেও অঙ্গীকার করেন। আমিন এক পর্যায় তার অভিযোগ উঠিয়ে নেন। পরে জিল্লুকে মুক্তি দেয়া হয়।
এ বিষয়ে সাধারণ আইনজীবীদের ভাষ্য জিল্লু আদালত পাড়ায় নানা অপকর্মের সাথে জড়িত। বিশেষ করে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আইনি সেবার নামে বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছেন।
এদিকে, খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, খড়কির পীরবাড়ি এলাকার জিল্লু অবৈধভাবে লিগ্যাল সলিউশন ল ফার্ম নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছেন। প্রথমে তিনি মুজিব সড়কের মতি সপিং মলে অফিস নেন। সেখানে প্রতারণার বিষয়টি জানাজানি হলে পরবর্তীতে পিটিআইতে অফিস খুলে বসেন। সেখানে সাধারণ মানুষকে আইনি সেবার নামে নানা প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। তাদের মধ্যে একজন শহরের রেলগেট চোরমারা দিঘীর পাড় এলাকার ওয়াসিম আনছারী। তিনি অভিযোগ করেন, জিল্লু তাকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে আইনি সেবার কথা বলে অফিসে নিয়ে যান। পরে তার জমিজমা সংক্রান্ত একটি মামলার দায়িত্ব নেন জিল্লু। পরে কাজ না করে দলিলপত্র আটকে রেখে টাকা দাবি করেন। আইনি সেবা নিতে বিভিন্ন সময় সাত লাখ টাকা নেন জিল্লু। পরে জানতে পারেন সে আইনজীবীই না। ওই টাকা ফেরত চাইলে নানা ধরণের হুমকিসহ প্রাণ নাশের হুমকি দেন জিল্লু। বাধ্য হয়ে তিনি যশোর ছেড়ে ঢাকাতে অবস্থান নেন। বর্তমানে তিনি ঢাকাতেই রয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, জিল্লু নিজেকে আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারী পরিচয় দিয়ে ওয়াসিমের মতো অসংখ্য মানুষকে বোকা বানিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবীর সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কিছু হলেই ওই আইনজীবীরা তার ঢাল হিসেবে কাজ করেন।এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে একাধিকবার জিল্লুকে কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।#
সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের কোষাধ্যক্ষ মশিউর রহমানের মা অসুস্থ, দোয়া কামনা 
সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের কোষাধ্যক্ষ এমএআর মশিউরের মাতা মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে খুলনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এক বিবৃতিতে তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি আকরামুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ। নেতৃবৃন্দ জেইউজে কোষাধ্যক্ষ এমএআর মশিউরের মাতার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।#
 যশোরে ফেনসিডিল ইয়াবা গাঁজাসহ গ্রেফতার-৪
যশোর পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে ফেনসিডিল,ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার ও চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ।গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে,শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়ার মুনছুর আলীর ছেলে টিপু,শহরের উমেশ চন্দ্রলেনের তরিকুল ইসলামের ছেলে তানভীর ইসলাম,সদর উপজেলার কামালপুর গ্রামের মৃত গোলাম আলী রাজের ছেলে আবু রাজ্জাক ও উপশহর এফ বাসা নং ১২৬ নং বাসার আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজ আলীর ছেলে হাবিব। এ ঘটনায় কোতয়ালি থানায় আলাদা চারটি মামলা হয়েছে।
কোতয়ালি থানা ও,জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের এসআই নুর ইসলামসহ একটি চৌকস টিম ২০ নভেম্বর সোমবার বিকেলে পালবাড়ী পাওয়ার হাউজপাড়া এলাকার জনৈক নিজাম উদ্দীনের চারতলা বিশিষ্ট এর সামনে থেকে টিপুকে ৪০পিস ইয়াবা,সদর পুলিশ ফাঁড়ীর সদস্যরা সোমবার বিকেলে নড়াইল বাসস্ট্যান্ড আনারস পট্টি গলি পাকা রাস্তার উপর মনিহার মোড় থেকে তানভীর ইসলামকে ১৫০ গ্রাম গাঁজা,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর জেলা কার্যালয় সার্কেলের সদস্যরা সদর উপজেলার রামনগর ইউপির ৬নং ওয়ার্ডের কামালপুর সতীঘাটা বাজার এলাকার জামাল হোসেনের দোকানের ভখাড়াটিয়া আব্দুর রাজ্জাকের খাবার হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১৫ বোতল ফেনসিডিল ও তালবাড়ীয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার হাইকোর্ট মোড়স্থ কৃষি ভবনের সামনে জনৈক টুটুলের চায়ের দোকানের সামনে থেকে হাবিবকে ৩০পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করে।#
জনপ্রিয়

ইতালি উপকূলে ভেসে আসছে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃতদেহ

যশোরে র‌্যাবের অভিযান, ৩০টি ককটেল,এয়ারগান উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ১০:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩
যশোর শহর ও বেনাপোল এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩০ টি ককটেল বোমা ও একটি পিস্তল সাদৃশ্য এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‌্যাব। গতকাল সোমবার রাতে এ অভিযান চালানো হয়। তবে এর সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি তারা।
র‍্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন জানান, গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিসাধন ও বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকান্ড সৃষ্টির লক্ষ্যে যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বোমা বিশেষভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এরপর সোমবার গভীর রাতে যশোর শহরের বেজপাড়া, চোকদারপাড়া, আনসার ক্যাম্প শংকরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইটি বাজারের ব্যাগ থেকে বিশেষভাবে রক্ষিত ৯টি ককটেল বোমা ও ১টি পিস্তল সাদৃশ্য এয়ারগান উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে একই রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৬ যশোরের অপর একটি টিম বেনাপোল পোর্ট থানার ভবেরবেড় গ্রামের একটি পুকুরের পাশের ঝোপের মধ্য থেকে একটি বালতি ভর্তি ২১ টি ককটেল বোমা উদ্ধার করে।ধারণা করা হচ্ছে, বড় ধরনের নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে উদ্ধারকৃত ককটেল বোমা একত্রিত করা হয়েছিল। ককটেল বোমা মজুদকারীদের সনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরো জানান, ককটেল ও এয়ারগান বেনাপোল পোর্ট থানা ও কোতয়ালী মডেল থানায় জিডি মূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।#
যশোর জেনারেল হাসপাতালে মাদকাসক্ত নির্ণয়ে জন্য ডোপ টেস্টে চালু 
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে’র প্যাথলজি ল্যাবে চালু হয়েছে মাদকাসক্ত নির্ণয়ে জন্য ডোপ টেস্টে। এর ফলে যশোরে চাকরি প্রত্যাশী ও পেশাদার চালকদের লাইসেন্স প্রাপ্তিতে জন্য আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উচ্ছ মূল্য দিয়ে ডোপ টেস্টে করতে হবে না। মাত্র ৯৫০ টাকায় সরকারি খরচে এ প্রতিষ্ঠান থেকেই ডোপ টেস্টে করতে পারবেন চাকরি প্রত্যাশী ও পেশাদার লাইসেন্স প্রাপ্তি চালকরা।
মঙ্গলবার বর্নাঢ্য আনুষ্ঠানিকাতার মধ্য দিয়ে হাসপাতারের প্যাথলজি ল্যাবে ডোপ টেস্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সিভিল সার্জন ডাক্তার বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সিভিল সার্জন ডাক্তার আতিকুর রহমান খাঁন, সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মতর্কা ডাক্তার মীর আবু মাউদ। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সদস্য সচিব ডাক্তার মোহাম্মাদ গোলাম মোর্তুজা, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আনোয়ার হোসেন, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞা ডাক্তার আব্দুস সামাদ প্রমুখ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধান অতিথি ডাক্তার বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, স্বল্প সময়ে হাসপাতালে ডোপ টেস্ট চালু হওয়াই সেবা প্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে। একই সাথে দালাল ছাড়াই সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বল্প মূল্যে সেবা গ্রহীতারা নিজেদের প্রয়োজনে ডোপ টেস্ট করতে পারবে।
এদিকে হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নির্দেশনা অনুয়ায়ী সরকাররি ও বেসরকারিসহ বিভিন্ন চাকুরিতে চুড়ান্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে এবং গাড়ীর চালকদের লাইসেন্স প্রাপ্তি ক্ষেত্রে সরকার মাদকাসক্ত নির্ণয়ে জন্য ডোপ টেস্টে বাধ্যতামূলক করেছেন। কিন্তু সরকারি নির্দেশনা থাকলেও যশোরে প্রথম দিকে যশোর মেডিকেল কলেজে অস্থায়ী ভাবে ডোপ টেস্টে চালু হয়। কিছু দিন চলার পরে সরকারি ভাবে ডোপ টেস্টের কিট সরবরাহ না থাকায় ঐ প্রতিষ্ঠানে ডোপ টেস্টে বন্ধ হয়ে যায়। তখন চাকরি প্রত্যাশী ও পেশাদার ও অপেশাদার চালকরা পড়েন বিপাকে। পরে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ চাকুরী প্রত্যাশীদের ও চালকদের র্দুভোগ লাঘবের জন্য বেসরকারি ক্লিনিক ইবনে সিনা ও সানরাইজে ডোপ টেস্টের জন্য অনুমোদন প্রদান করেন। পরে বেসরকারি ক্লিনিক উচ্ছ মূল্যে ডোপ টেস্টে পরীক্ষা চালু করেন। এতে করে অনেকে এক হাজার ৫শ থেকে ২ হাজার টাকা দিয়ে ডোপ টেস্টে করতে সমস্য দেখা দেয়। কিন্তু সরকারি ভাবে এই পরীক্ষা জেলা হাসপাতালে চালু না থাকায় কষ্ঠ হলেও তার বেসরকারি ক্লিনিক থেকে ডোপ টেস্টে করতে বাধ্য হতেন। কিন্তু মঙ্গলবার থেকে সরকারি ভাবে জেনারেল হাসপাতালে ডোপ টেস্টে শুরু হওয়াই চাকুরী প্রত্যাশীদের ও চালকরা স্বল্প মূল্যে পরীক্ষা করতে পারবে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক রাকিবুল হাসান বলেন, সরকার ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার পর থেকে যশোরে বেসরকারি ভাবে পরীক্ষা করাতে গিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয়। অতিরিক্ত টাকা ব্যয়ের পাশাপাশি অনেক হয়রানির মধ্যে পড়তে হয়েছে চালকসহ সেবা প্রার্থীদের। কিন্তু আজ মঙ্গলবার থেকে জেনারেল হাসপাতালে হাতের কাছে সরকারি খরচে ডোপ টেস্টের সুযোগ পাচ্ছে সাধারণ চালকসহ সেবা প্রার্থীরা। এতে করে হয়রানি থেকে রক্ষা পায়েছে তাঁরা।
এব্যাপারে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার পার্থ প্রতিম চক্রবর্তী জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি নিদের্শনা এবং কিট ক্রয়ের জন্য ৫লাখ পাকা বরাদ্দ পাওয়া পর হাসপাতালে ডোপ টেস্টের কার্যক্রম শুরু হয়। স্থানীয় পর্যায়ে কটেশনের মাধ্যমে ডোপ টেস্টোর কিট ক্রয় করা হয়েছে। হাসপাতালের স্টোরে রোববার টিক চলে আসায় আজ মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ডোপ টেস্ট চালু করা সম্ভব হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হারুন অর রশিদ বলেন, সরকারি হাসপাতালে ডোপ টেস্টের ব্যবস্থা করায় এখন থেকে আর বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করে পরীক্ষা করাতে হবে না সেবা গ্রহিতাদের। মাত্র ৯৫০ টাকায় হাসপাতালের ল্যাব থেকে সেবা গ্রহীতারা ডোপ টেস্ট করতে পারবে।
যশোরে আইনজীবীকে মারপিট ও চাঁদা দাবি             
যশোরের আদালত পাড়ার চিহ্নিত প্রতারক কখনো আইনজীবী আবার কখনো আইনজীবী সহকারী পরিচয়দানকারী মেহেদী হাসান জিল্লু এবার একজন আইনজীবীর কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেছেন। শুধু তাই নয়, টাকা না দেয়ায় ওই আইনজীবীর চেম্বারেই তাকে মারপিটও করেছেন জিল্লুসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা।
পরে সাধারণ আইনজীবীরা এসে জিল্লুকে ধরে জেলা আইনজীবী সমিতির কাছে হস্তান্তর করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে জিল্লুকে আটকও করে। পরবর্তীতে আইনজীবী সমিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে সমাঝোতার পর মুচলেকা নিয়ে জিল্লুকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। যা নিয়ে আদালত পাড়ায় চলছে আলোচনা ও সমালোচনা। জিল্লুর বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ থাকার পরও কেনো তাকে ছেড়ে দেয়া হলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এ বিষয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দকেও দোষারোপ করছেন তারা। যদিও সমিতির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে সকলের সামনে ওই আইনজীবীর পায়ে ধরে ক্ষমা চাওয়া ও আদালত পাড়ায় না আসার শর্তে প্রথমবারের মত ক্ষমা করা হয়েছে জিল্লুকে। পরবর্তীতে এ ধরনের অপরাধ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভুক্তভোগী অ্যাডভোকেট বনি আমিন জানান,সকালে তিনি তার শেখ মুজিবুর রহমান সড়কের ঈদগাহের সামনে অবস্থিত চেম্বারে বসে কাজ করছিলেন। এ সময় জিল্লু এক মক্কেলের পক্ষ নিয়ে কয়েকজনসহ তার চেম্বারে আসেন। এক পর্যায়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন তার কাছে। গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করা হয় তাকে। পরে আকস্মিকভাকে তাকে মারপিট শুরু করে জিল্লু। পরে আইনজীবীরা পুলিশকে খবর দেন এবং জিল্লুকে ধরে সমিতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিছু সময় পর জিল্লু ও তার পরিবার এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু মোর্তজা ছোট তার চেম্বারে আসেন। জিল্লু ক্ষমা চান। পরে সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জিল্লুকে মুক্তি দেয়া হয়।
যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু মোর্তজা ছোট বলেন, জিল্লু সকলের সামনে বনি আমিনের পায়ে ধরে ক্ষমা চান। এছাড়া আদালত অঙ্গনে তিনি আর আসবেন না বলেও অঙ্গীকার করেন। আমিন এক পর্যায় তার অভিযোগ উঠিয়ে নেন। পরে জিল্লুকে মুক্তি দেয়া হয়।
এ বিষয়ে সাধারণ আইনজীবীদের ভাষ্য জিল্লু আদালত পাড়ায় নানা অপকর্মের সাথে জড়িত। বিশেষ করে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আইনি সেবার নামে বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছেন।
এদিকে, খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, খড়কির পীরবাড়ি এলাকার জিল্লু অবৈধভাবে লিগ্যাল সলিউশন ল ফার্ম নামে একটি প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছেন। প্রথমে তিনি মুজিব সড়কের মতি সপিং মলে অফিস নেন। সেখানে প্রতারণার বিষয়টি জানাজানি হলে পরবর্তীতে পিটিআইতে অফিস খুলে বসেন। সেখানে সাধারণ মানুষকে আইনি সেবার নামে নানা প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। তাদের মধ্যে একজন শহরের রেলগেট চোরমারা দিঘীর পাড় এলাকার ওয়াসিম আনছারী। তিনি অভিযোগ করেন, জিল্লু তাকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে আইনি সেবার কথা বলে অফিসে নিয়ে যান। পরে তার জমিজমা সংক্রান্ত একটি মামলার দায়িত্ব নেন জিল্লু। পরে কাজ না করে দলিলপত্র আটকে রেখে টাকা দাবি করেন। আইনি সেবা নিতে বিভিন্ন সময় সাত লাখ টাকা নেন জিল্লু। পরে জানতে পারেন সে আইনজীবীই না। ওই টাকা ফেরত চাইলে নানা ধরণের হুমকিসহ প্রাণ নাশের হুমকি দেন জিল্লু। বাধ্য হয়ে তিনি যশোর ছেড়ে ঢাকাতে অবস্থান নেন। বর্তমানে তিনি ঢাকাতেই রয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, জিল্লু নিজেকে আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারী পরিচয় দিয়ে ওয়াসিমের মতো অসংখ্য মানুষকে বোকা বানিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবীর সাথে ভালো সম্পর্ক থাকায় তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কিছু হলেই ওই আইনজীবীরা তার ঢাল হিসেবে কাজ করেন।এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে একাধিকবার জিল্লুকে কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।#
সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের কোষাধ্যক্ষ মশিউর রহমানের মা অসুস্থ, দোয়া কামনা 
সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের কোষাধ্যক্ষ এমএআর মশিউরের মাতা মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে খুলনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এক বিবৃতিতে তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোরের সভাপতি আকরামুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ। নেতৃবৃন্দ জেইউজে কোষাধ্যক্ষ এমএআর মশিউরের মাতার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।#
 যশোরে ফেনসিডিল ইয়াবা গাঁজাসহ গ্রেফতার-৪
যশোর পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে ফেনসিডিল,ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার ও চার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ।গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে,শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়ার মুনছুর আলীর ছেলে টিপু,শহরের উমেশ চন্দ্রলেনের তরিকুল ইসলামের ছেলে তানভীর ইসলাম,সদর উপজেলার কামালপুর গ্রামের মৃত গোলাম আলী রাজের ছেলে আবু রাজ্জাক ও উপশহর এফ বাসা নং ১২৬ নং বাসার আব্দুর রাজ্জাক ওরফে রাজ আলীর ছেলে হাবিব। এ ঘটনায় কোতয়ালি থানায় আলাদা চারটি মামলা হয়েছে।
কোতয়ালি থানা ও,জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের এসআই নুর ইসলামসহ একটি চৌকস টিম ২০ নভেম্বর সোমবার বিকেলে পালবাড়ী পাওয়ার হাউজপাড়া এলাকার জনৈক নিজাম উদ্দীনের চারতলা বিশিষ্ট এর সামনে থেকে টিপুকে ৪০পিস ইয়াবা,সদর পুলিশ ফাঁড়ীর সদস্যরা সোমবার বিকেলে নড়াইল বাসস্ট্যান্ড আনারস পট্টি গলি পাকা রাস্তার উপর মনিহার মোড় থেকে তানভীর ইসলামকে ১৫০ গ্রাম গাঁজা,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর জেলা কার্যালয় সার্কেলের সদস্যরা সদর উপজেলার রামনগর ইউপির ৬নং ওয়ার্ডের কামালপুর সতীঘাটা বাজার এলাকার জামাল হোসেনের দোকানের ভখাড়াটিয়া আব্দুর রাজ্জাকের খাবার হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১৫ বোতল ফেনসিডিল ও তালবাড়ীয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার হাইকোর্ট মোড়স্থ কৃষি ভবনের সামনে জনৈক টুটুলের চায়ের দোকানের সামনে থেকে হাবিবকে ৩০পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করে।#