শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমেরিকার সরকার বললেই ব্যবসা বন্ধ হয় না -পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩
  • ৯৮

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে সস্তায় ও সময়মতো পণ্য পায় বলেই কেনেন উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আমেরিকার সরকার বললেই ব্যবসা বন্ধ হয় না, ব্যবসা হয় মূলত দুই দেশের প্রাইভেট উদ্যোগে। তৈরি পোশাকশিল্প ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং যারা কেনে, তারাও ব্যক্তিমালিকানাধীন। ক্রেতারা ভালো মানের পণ্য ঠিক সময়ে সস্তায় পায়। আমি শুনেছি এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়েছে।

তারা বিষয়টি দেখছে। আমি এ বিষয়টি দেখি না। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শ্রমনীতিতে বাংলাদেশের পোশাক খাতে প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, শ্রমনীতি নিয়ে আমাদের এখানে কোনো প্রভাব পড়বে না।

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যে ব্যবসা হচ্ছে না? এ নিয়ে দুশ্চিন্তারও কোনো কারণ নেই। তবে শ্রমিকদের কল্যাণে যেকোনো পদক্ষেপে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করি।এ সময় তিনি বলেন, চীনের ওপর কত ধরনের সীমাবদ্ধতা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হোম ডিপোতে গেলে সব জিনিস চীনের তৈরি।

কারণ ব্যবসায়ীরা ঠিকই চীনা পণ্য কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।স্বভাবগতভাবে সাংবাদিকদের প্রতি বিষোদগার করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের দেশপ্রেম কম। আমাদের সমস্যা হলো, দেশের প্রতি ভক্তির অভাব আছে। এ জন্য অনেক গোপন নথি প্রকাশ করে দেয় আমাদের সম্মানিত মিডিয়া। এটি দুঃখজনক। এটি অন্য দেশে হয় না।

পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। এই বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে ড.  মোমেন বলেন, এটি একটি রুটিন বৈঠক। এই বৈঠকের বিষয়ে আপনারা (সাংবাদিকরা) জানলেন কিভাবে। আপনারা সব কিছুই জেনে যান।

জনপ্রিয়

ভেনেজুয়েলার পার্লামেন্টে ক্ষমা আইন পাস

আমেরিকার সরকার বললেই ব্যবসা বন্ধ হয় না -পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১০:৩১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে সস্তায় ও সময়মতো পণ্য পায় বলেই কেনেন উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আমেরিকার সরকার বললেই ব্যবসা বন্ধ হয় না, ব্যবসা হয় মূলত দুই দেশের প্রাইভেট উদ্যোগে। তৈরি পোশাকশিল্প ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং যারা কেনে, তারাও ব্যক্তিমালিকানাধীন। ক্রেতারা ভালো মানের পণ্য ঠিক সময়ে সস্তায় পায়। আমি শুনেছি এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়েছে।

তারা বিষয়টি দেখছে। আমি এ বিষয়টি দেখি না। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শ্রমনীতিতে বাংলাদেশের পোশাক খাতে প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে ড. মোমেন বলেন, শ্রমনীতি নিয়ে আমাদের এখানে কোনো প্রভাব পড়বে না।

যুক্তরাষ্ট্র-চীনের মধ্যে ব্যবসা হচ্ছে না? এ নিয়ে দুশ্চিন্তারও কোনো কারণ নেই। তবে শ্রমিকদের কল্যাণে যেকোনো পদক্ষেপে আমরা সন্তোষ প্রকাশ করি।এ সময় তিনি বলেন, চীনের ওপর কত ধরনের সীমাবদ্ধতা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হোম ডিপোতে গেলে সব জিনিস চীনের তৈরি।

কারণ ব্যবসায়ীরা ঠিকই চীনা পণ্য কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।স্বভাবগতভাবে সাংবাদিকদের প্রতি বিষোদগার করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের দেশপ্রেম কম। আমাদের সমস্যা হলো, দেশের প্রতি ভক্তির অভাব আছে। এ জন্য অনেক গোপন নথি প্রকাশ করে দেয় আমাদের সম্মানিত মিডিয়া। এটি দুঃখজনক। এটি অন্য দেশে হয় না।

পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। এই বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে ড.  মোমেন বলেন, এটি একটি রুটিন বৈঠক। এই বৈঠকের বিষয়ে আপনারা (সাংবাদিকরা) জানলেন কিভাবে। আপনারা সব কিছুই জেনে যান।