সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রিজভী ২৭ হাজার ৪০০ বিএনপির নেতা কর্মীর মুক্তি চান

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৮৭

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ৬১ জন নেতাসহ মোট সাড়ে ২৭ হাজার নেতাকর্মী কারাবন্দি অবস্থায় আছে জানিয়ে তাদের সবার মুক্তি চেয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ শনিবার রাচধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই মুহূর্তে কারাবন্দি অবস্থায় আছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, আব্দুস সালাম পিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, আসলাম চৌধুরী, মিডিয়া সেলের প্রধান জহির উদ্দিন স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

তিনি জানান, কারাগারে আরও আছেন বিএনপির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সমবায়বিষয়ক সম্পাদক জি কে গউছ সম্পাদক, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম, সহপ্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, স্বাস্থ্যবিষয়ক সহসম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গ্রাম সরকারবিষয়ক সহসম্পাদক বেলাল আহমেদ, সমাজকল্যাণবিষয়ক সহসম্পাদক কাজী আবুল বাশার।

রিজভী বলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে কারাগারে আছেন আবু সাঈদ চাঁদ, সাইয়েদুল ইসলাম বাবুল, শেখ রবিউল আলম রবি, আবুল হোসেন খান, ফজলুর রহমান খোকন, মিয়া নুরুদ্দীন অপু, সাইফুল আলম নীরব, আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও এস এম জাহাঙ্গীর।

তিনি জানান, জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব আমিনুল হক, দক্ষিণের সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনু, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব তানভির আহমেদ রবিন, খুলনা জেলা সভাপতি আমির এজাজ খান, দিনাজপুর জেলা সভাপতি দুলাল হোসেন, জয়পুরহাট জেলার আহ্বায়ক গুলজার হোসেন, ফেনী জেলার আহ্বায়ক শেখ ফরিদ উদ্দিন বাহার, বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, নওগাঁর সদস্যসচিব বায়জিদ হোসেন পলাশ, গাইবান্ধা জেলার সদস্যসচিব মাহমুদুন নবী টিটুল, পিরোজপুর জেলার সদস্যসচিব লাভলু গাজী, টাঙ্গাইল জেলা সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন ফরহাদ, নরসিংদী জেলার সদস্যসচিব মঞ্জুর এলাহী, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্যসচিব আবু ইউসুফ টিপু, রংপুর মহানগরের সদস্যসচিব মাহফুজুন্নবী ডন।

রিজভী জানান, কারাগারে আরও আছেন, পাবনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদস্যসচিব সিরাজুল আসলাম, ফরিদপুর জেলার সদস্যসচিব এ কে কিবরিয়া স্বপন, শেরপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক হজরত আলী, নড়াইল জেলার সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, মেহেরপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন।

এ ছাড়া বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ইউনুস মৃধা, ইউসুফ বিন জলিল, গোলাম মাওলা শাহীন আজিজুর রহমান মুসাব্বির, খোরশেদ আলম সোহেল, পাভেল সিকদারসহ ২৭ হাজার ৪০০ নেতাকর্মী কারাবন্দী আছেন বলেন জানান তিনি। কারাবন্দী সব নেতাকর্মীর অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান রিজভী।

জনপ্রিয়

যশোরে গোডাউন থেকে ৭৭ টি আমেরিকান মোটরসাইকেল উদ্ধার, সিলগালা

রিজভী ২৭ হাজার ৪০০ বিএনপির নেতা কর্মীর মুক্তি চান

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৪

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ৬১ জন নেতাসহ মোট সাড়ে ২৭ হাজার নেতাকর্মী কারাবন্দি অবস্থায় আছে জানিয়ে তাদের সবার মুক্তি চেয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ শনিবার রাচধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই মুহূর্তে কারাবন্দি অবস্থায় আছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, আব্দুস সালাম পিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, আসলাম চৌধুরী, মিডিয়া সেলের প্রধান জহির উদ্দিন স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

তিনি জানান, কারাগারে আরও আছেন বিএনপির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সমবায়বিষয়ক সম্পাদক জি কে গউছ সম্পাদক, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম, সহপ্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, স্বাস্থ্যবিষয়ক সহসম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গ্রাম সরকারবিষয়ক সহসম্পাদক বেলাল আহমেদ, সমাজকল্যাণবিষয়ক সহসম্পাদক কাজী আবুল বাশার।

রিজভী বলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্যদের মধ্যে কারাগারে আছেন আবু সাঈদ চাঁদ, সাইয়েদুল ইসলাম বাবুল, শেখ রবিউল আলম রবি, আবুল হোসেন খান, ফজলুর রহমান খোকন, মিয়া নুরুদ্দীন অপু, সাইফুল আলম নীরব, আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও এস এম জাহাঙ্গীর।

তিনি জানান, জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব আমিনুল হক, দক্ষিণের সদস্যসচিব রফিকুল আলম মজনু, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব তানভির আহমেদ রবিন, খুলনা জেলা সভাপতি আমির এজাজ খান, দিনাজপুর জেলা সভাপতি দুলাল হোসেন, জয়পুরহাট জেলার আহ্বায়ক গুলজার হোসেন, ফেনী জেলার আহ্বায়ক শেখ ফরিদ উদ্দিন বাহার, বরিশাল মহানগরের আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, নওগাঁর সদস্যসচিব বায়জিদ হোসেন পলাশ, গাইবান্ধা জেলার সদস্যসচিব মাহমুদুন নবী টিটুল, পিরোজপুর জেলার সদস্যসচিব লাভলু গাজী, টাঙ্গাইল জেলা সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন ফরহাদ, নরসিংদী জেলার সদস্যসচিব মঞ্জুর এলাহী, নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদস্যসচিব আবু ইউসুফ টিপু, রংপুর মহানগরের সদস্যসচিব মাহফুজুন্নবী ডন।

রিজভী জানান, কারাগারে আরও আছেন, পাবনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদস্যসচিব সিরাজুল আসলাম, ফরিদপুর জেলার সদস্যসচিব এ কে কিবরিয়া স্বপন, শেরপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক হজরত আলী, নড়াইল জেলার সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, মেহেরপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন।

এ ছাড়া বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ইউনুস মৃধা, ইউসুফ বিন জলিল, গোলাম মাওলা শাহীন আজিজুর রহমান মুসাব্বির, খোরশেদ আলম সোহেল, পাভেল সিকদারসহ ২৭ হাজার ৪০০ নেতাকর্মী কারাবন্দী আছেন বলেন জানান তিনি। কারাবন্দী সব নেতাকর্মীর অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান রিজভী।