রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের বিবৃতির প্রতিবাদ করেছে বাংলাদেশ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধানের বিবৃতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে মন্তব্য করেছে সরকার। একই সঙ্গে এ বিবৃতির কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়।

আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘জাতিসংঘহাইকমিশনারের বিবৃতি তাদের নজরে এসেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে হাইকমিশনারের যে ম্যান্ডেট রয়েছে, তার বাইরে গিয়ে তিনি কাজ করেছেন। বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে রাজনীতিকরণের মাধ্যমে তিনি বিবৃতিতে বাস্তবতার ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং তার মূল্যায়ন পক্ষপাতিত্বমূলক।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানায়, ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার জন্য ৭ জানুয়ারি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার জন্য সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ছিল এবং বিভিন্ন বিদেশি পর্যবেক্ষক এ বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘নির্বাচনে সহিংসতা হয়েছে এবং অনিয়ম হয়েছে’—এই দাবিটি সে কারণে সম্পূর্ণ পক্ষপাতমূলক এবং ভুল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘বাংলাদেশ যেকোনো ধরনের গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানায় এবং যেকোনো ধরনের ন্যায্য উদ্বেগ সংশোধনের জন্য তৈরি রয়েছে। জাতিসংঘ এবং এর মানবাধিকার মেকানিজমের সঙ্গে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে অব্যাহতভাবে কাজ করবে।’

জনপ্রিয়

যবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে পালন

জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের বিবৃতির প্রতিবাদ করেছে বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ১০:৩৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধানের বিবৃতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে মন্তব্য করেছে সরকার। একই সঙ্গে এ বিবৃতির কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়।

আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘জাতিসংঘহাইকমিশনারের বিবৃতি তাদের নজরে এসেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে হাইকমিশনারের যে ম্যান্ডেট রয়েছে, তার বাইরে গিয়ে তিনি কাজ করেছেন। বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিকে রাজনীতিকরণের মাধ্যমে তিনি বিবৃতিতে বাস্তবতার ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং তার মূল্যায়ন পক্ষপাতিত্বমূলক।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানায়, ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার জন্য ৭ জানুয়ারি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার জন্য সরকার দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ছিল এবং বিভিন্ন বিদেশি পর্যবেক্ষক এ বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘নির্বাচনে সহিংসতা হয়েছে এবং অনিয়ম হয়েছে’—এই দাবিটি সে কারণে সম্পূর্ণ পক্ষপাতমূলক এবং ভুল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘বাংলাদেশ যেকোনো ধরনের গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানায় এবং যেকোনো ধরনের ন্যায্য উদ্বেগ সংশোধনের জন্য তৈরি রয়েছে। জাতিসংঘ এবং এর মানবাধিকার মেকানিজমের সঙ্গে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে অব্যাহতভাবে কাজ করবে।’