শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেনাপোলে ইছামতী নদী থেকে ৫ কেজি স্বর্ণসহ পাচারকারীর মরদেহ উদ্ধার

যশোরের শার্শার সীমান্তের ইছামতী নদী থেকে নিখোঁজের তিনদিন পর (৫ কেজি ২৭০ গ্রাম ওজন) ৪০ টি স্বর্ণেরবারসহ মশিয়ার রহমান(৫২) নামে এক পাচারকারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।
আজ বুধবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে সীমান্তের অগ্রভুলোট এলাকার হরিশচন্দ্রপুর গ্রামের সীমান্ত ঘেষা ইছামতী নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মশিয়ার সীমান্তের হরিশচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত গোলাম রহমানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, গত রবিবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় কিছু লোক মশিয়ারকে বাড়ি থেকে ফোনে ডেকে নিয়ে যায়। রাত বাড়ার পর সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজা খুঁজি করে কোথাও না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন। পরে জানতে পারে স্বর্ণ ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বক্সের ছেলে হাবিব ও জেহের আলীর ছেলে জামাল হোসেন তাকে স্বর্ণের একটি চালান দিয়ে ভারতে পাঠিয়েছে। পথিমধ্যে ইছামতী নদী পার হওয়ার সময় নদীতে পড়ে যায় মশিয়ার। সেই থেকে নিখোঁজ ছিলো মশিয়ার। তিনদিন খোঁজা খুঁজির এক পর্যায়ে আজ সকালে ১৭/৭ এস আর ৬০ পিলারের ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইছামতী নদীতে মরদেহটি ভেসে ওঠে। এ সময় বিজিবি সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করে। এসময় তার মরদেহে কস্টটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় চারটি প্যাকেটে ৪০ স্বর্ণেরবার পাওয়া যায়।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, স্বর্ণসহ ইছামতী নদী থেকে মশিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্ণেল খুরশিদ আনোয়ার জানান, জব্দ স্বর্ণ যশোর ট্রেজারি শাখায় জমা দেওয়া হবে। পাচারকারীর মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য শার্শা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয়

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন

বেনাপোলে ইছামতী নদী থেকে ৫ কেজি স্বর্ণসহ পাচারকারীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

যশোরের শার্শার সীমান্তের ইছামতী নদী থেকে নিখোঁজের তিনদিন পর (৫ কেজি ২৭০ গ্রাম ওজন) ৪০ টি স্বর্ণেরবারসহ মশিয়ার রহমান(৫২) নামে এক পাচারকারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।
আজ বুধবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে সীমান্তের অগ্রভুলোট এলাকার হরিশচন্দ্রপুর গ্রামের সীমান্ত ঘেষা ইছামতী নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মশিয়ার সীমান্তের হরিশচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত গোলাম রহমানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, গত রবিবার সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় কিছু লোক মশিয়ারকে বাড়ি থেকে ফোনে ডেকে নিয়ে যায়। রাত বাড়ার পর সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজা খুঁজি করে কোথাও না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন। পরে জানতে পারে স্বর্ণ ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বক্সের ছেলে হাবিব ও জেহের আলীর ছেলে জামাল হোসেন তাকে স্বর্ণের একটি চালান দিয়ে ভারতে পাঠিয়েছে। পথিমধ্যে ইছামতী নদী পার হওয়ার সময় নদীতে পড়ে যায় মশিয়ার। সেই থেকে নিখোঁজ ছিলো মশিয়ার। তিনদিন খোঁজা খুঁজির এক পর্যায়ে আজ সকালে ১৭/৭ এস আর ৬০ পিলারের ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ইছামতী নদীতে মরদেহটি ভেসে ওঠে। এ সময় বিজিবি সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করে। এসময় তার মরদেহে কস্টটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় চারটি প্যাকেটে ৪০ স্বর্ণেরবার পাওয়া যায়।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, স্বর্ণসহ ইছামতী নদী থেকে মশিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্ণেল খুরশিদ আনোয়ার জানান, জব্দ স্বর্ণ যশোর ট্রেজারি শাখায় জমা দেওয়া হবে। পাচারকারীর মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য শার্শা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।