সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের অস্ত্র সহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্যকে আটক

কক্সবাজারের রামুতে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।আটক মনছুর আলম বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের থিমছড়ি এলাকার বাসিন্দা।

র‌্যাব জানিয়েছে, মনছুর আলম আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সক্রিয় সদস্য। তিনি ডাকাত দলটির সর্দার মো. নুরুল আবছার ওরফে আবছারের সহযোগী ও দেহরক্ষী। তার বিরুদ্ধে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র বেচাকেনা ও অপরাধী চক্রের কাছে ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। শনিবার ভোররাতে রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ঘোনারপাড়ায় নুরুল আবছারের বাড়িতে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্যসহ অবস্থান করছে খবরে র‌্যাবের একটি দল অভিযান চালায়। এতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে র‌্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে আবছারসহ ২/৩ জন দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে একজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়।

তিনি বলেন, ‘আটক ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করে দেশিয় তৈরী একটি বন্দুক পাওয়া যায়। পরে ডাকাত সর্দার নুরুল আবছারের বসতঘর তল্লাশি করে পাওয়া যায় দেশিয় তৈরী ৬টি লম্বা বন্দুক, দুটি গুলি, ২০০ গ্রাম গান পাউডার ( বিস্ফোরক দ্রব্য ) এবং অস্ত্র বেচাকেনা বাবদ নগদ ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।’

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আটক ব্যক্তি স্বীকারোক্তি দিয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে অস্ত্র সংগ্রহ নিজেদের হেফাজতে মজুদ রাখত। এসব অস্ত্র নিজেরা অপরাধ কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের পাশাপাশি কক্সবাজার শহর এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দুষ্কৃতিকারীদের সরবরাহ করে থাকে।’

আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এ সাজ্জাদ হোসেন।

জনপ্রিয়

যশোরে গোডাউন থেকে ৭৭ টি আমেরিকান মোটরসাইকেল উদ্ধার, সিলগালা

কক্সবাজারের অস্ত্র সহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্যকে আটক

প্রকাশের সময় : ১১:১২:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪

কক্সবাজারের রামুতে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।আটক মনছুর আলম বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের থিমছড়ি এলাকার বাসিন্দা।

র‌্যাব জানিয়েছে, মনছুর আলম আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সক্রিয় সদস্য। তিনি ডাকাত দলটির সর্দার মো. নুরুল আবছার ওরফে আবছারের সহযোগী ও দেহরক্ষী। তার বিরুদ্ধে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

সাজ্জাদ হোসেন বলেন, নুরুল আবছারের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র বেচাকেনা ও অপরাধী চক্রের কাছে ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। শনিবার ভোররাতে রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ঘোনারপাড়ায় নুরুল আবছারের বাড়িতে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্যসহ অবস্থান করছে খবরে র‌্যাবের একটি দল অভিযান চালায়। এতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে র‌্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে আবছারসহ ২/৩ জন দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়। এসময় ধাওয়া দিয়ে একজনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়।

তিনি বলেন, ‘আটক ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করে দেশিয় তৈরী একটি বন্দুক পাওয়া যায়। পরে ডাকাত সর্দার নুরুল আবছারের বসতঘর তল্লাশি করে পাওয়া যায় দেশিয় তৈরী ৬টি লম্বা বন্দুক, দুটি গুলি, ২০০ গ্রাম গান পাউডার ( বিস্ফোরক দ্রব্য ) এবং অস্ত্র বেচাকেনা বাবদ নগদ ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।’

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আটক ব্যক্তি স্বীকারোক্তি দিয়েছে, বিভিন্ন মাধ্যমে অস্ত্র সংগ্রহ নিজেদের হেফাজতে মজুদ রাখত। এসব অস্ত্র নিজেরা অপরাধ কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের পাশাপাশি কক্সবাজার শহর এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দুষ্কৃতিকারীদের সরবরাহ করে থাকে।’

আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে রামু থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এ সাজ্জাদ হোসেন।