
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র বলে মনে হয় না। পুরোপুরিভাবে একটি আধিপত্যবাদ সরকার আমাদের ওপর চেপে বসেছে।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন একাংশ এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, ‘আমরা যাদের বিশ্বাস করি, যাদের ওপর আস্থা রাখি-গণমাধ্যম; সেই গণমাধ্যমের ওপর প্রথম আঘাত করেছে সরকার। অনেক টেলিভিশন-পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছে। যারা লিখতে চান, মত প্রকাশ করতে চান, তাদের জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন করেছে সরকার। তাদের তুলে নিয়ে নির্যাতন করেও মারা হয়। এই সরকারের হাত থেকে গণমাধ্যমও রেহায় পায়নি, পায় না। ফ্যাসিবাদী শক্তি যখন আক্রমণ করে তখন কেউ রেহাই পায় না।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অনেকে ভাবছেন বিএনপির আন্দোলন নস্যাৎ হয়ে গেছে, বিরোধী দলের আন্দোলন নস্যাৎ হয়ে গেছে, কিন্তু কখনই না। প্রতিটি আন্দোলনের পর আরও শক্তিশালী হয়েছে এই শক্তিগুলো।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আন্দোলনের মাধ্যমেই ফ্যাসিবাদী সরকারের পরাজয় হবে। আমাদের ব্যাংকসহ সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে। বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী ব্যবস্থা সবকিছু তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এখন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা। আমি বারবার বলি, আমাদের একটি জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ়ভাবে গড়ে তুলতে হবে। জাতীয় ঐকের মাধ্যমেই জনগণের শক্তি দিয়ে এই ভয়াবহ দানবকে পরাজিত করতে হবে।’
ইফতার মাহফিলে বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েস্বর চন্দ্র রায়, আমীর খুসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, কবি আব্দুল হাই শিকদার, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সিনিয়র সহকারী মহাসচিব বাছির জামাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, রাশেদুল হক প্রমুখ।
ঢাকা ব্যুরো।। 







































