রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চা বাগানের টিলায় শতাধিক গলাকাটা মুনিয়া পাখি 

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে একটি চা বাগানের টিলায় শতাধিক মুনিয়া পাখি হত্যা করেছেন শিকারিরা। উপজেলার কুরমা চা বাগানের কালি টিলা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে পাখি শিকারির ফাঁদে পড়া মৃত শতাধিক এবং জীবিত ১০টি মুনিয়া পাখি ও শিকারের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।
বন্যপ্রাণী বিভাগের ভাষ্যমতে, উপজেলার কুরমা চা বাগানের কালি টিলা এলাকা থেকে শিকার করার সরঞ্জাম, একটি ছুরি, একটি মোবাইল ও পাখি শিকারের দুটি জাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উদ্ধার করা হয়েছে, তবে শিকারিরা পলাতক। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী সুরক্ষা সংস্থা স্ট্যান্ড ফর আওয়ার এনডেঞ্জারড ওয়াইল্ডলাইফ (এসইডব্লিউ) টিমের সোহেল শ্যাম বলেন, ‘শিকারিরা পাখি শিকার করলে তা যায় প্রভাবশালীদের ঘরে, যার কারণে অবাধে চলছে শিকার। এভাবে শিকার হতে থাকলে ধ্বংস হয়ে যাবে বন্যপ্রাণী।’
তিনি আরও বলেন, ‘গোপন তথ্যের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি শিকারি পাখি শিকার করছে। তখন সঙ্গে সঙ্গে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের লাউয়াছড়া বন রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামকে অবহিত করা হয়। তিনি বন্যপ্রাণী টিমের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গলা কাটা শতাধিক মুনিয়া পাখি ও জীবিত ১০টি মুনিয়া পাখি উদ্ধার করেন।’
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের লাউয়াছড়া বন রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গলা কাটা শতাধিক মুনিয়া পাখি ও জীবিত ১০টি মুনিয়া পাখি এবং পাখি শিকারের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
জনপ্রিয়

যবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় অমর একুশে পালন

চা বাগানের টিলায় শতাধিক গলাকাটা মুনিয়া পাখি 

প্রকাশের সময় : ০৪:১৬:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে একটি চা বাগানের টিলায় শতাধিক মুনিয়া পাখি হত্যা করেছেন শিকারিরা। উপজেলার কুরমা চা বাগানের কালি টিলা এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে পাখি শিকারির ফাঁদে পড়া মৃত শতাধিক এবং জীবিত ১০টি মুনিয়া পাখি ও শিকারের সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।
বন্যপ্রাণী বিভাগের ভাষ্যমতে, উপজেলার কুরমা চা বাগানের কালি টিলা এলাকা থেকে শিকার করার সরঞ্জাম, একটি ছুরি, একটি মোবাইল ও পাখি শিকারের দুটি জাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উদ্ধার করা হয়েছে, তবে শিকারিরা পলাতক। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী সুরক্ষা সংস্থা স্ট্যান্ড ফর আওয়ার এনডেঞ্জারড ওয়াইল্ডলাইফ (এসইডব্লিউ) টিমের সোহেল শ্যাম বলেন, ‘শিকারিরা পাখি শিকার করলে তা যায় প্রভাবশালীদের ঘরে, যার কারণে অবাধে চলছে শিকার। এভাবে শিকার হতে থাকলে ধ্বংস হয়ে যাবে বন্যপ্রাণী।’
তিনি আরও বলেন, ‘গোপন তথ্যের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি শিকারি পাখি শিকার করছে। তখন সঙ্গে সঙ্গে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের লাউয়াছড়া বন রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলামকে অবহিত করা হয়। তিনি বন্যপ্রাণী টিমের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গলা কাটা শতাধিক মুনিয়া পাখি ও জীবিত ১০টি মুনিয়া পাখি উদ্ধার করেন।’
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের লাউয়াছড়া বন রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গলা কাটা শতাধিক মুনিয়া পাখি ও জীবিত ১০টি মুনিয়া পাখি এবং পাখি শিকারের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’