বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুগাঁওয়ে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

ছবি-বার্তাকণ্ঠ

ঠাকুরগাঁওয়ে গত কয়েক দিনের তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড গরমে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কাঠফাটা রোদে ও তীব্র গরমে নিতান্তই প্রয়োজন ব্যতিরেকে কেউই বাসার বাইরে বের হচ্ছেন না। অফিস—আদালত, বাসাবাড়ি কোথাও একটু খানিও স্বস্তি মিলছে না।  আজ (বৃহস্পতিবার ) ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
গতকাল প্রচন্ড গরম ও তীব্র রোদের কারণে দুরামারি বাণিজ্যিক ও শিল্প প্রধান এ শহরের রাস্তায় মানুষজনের চলাচল ছিল একেবারের কম। আর দিনমজুর,রিক্সা, রিক্সাভ্যান চালক, ব্যাটারিচালিত অটো রিক্সা চালকদের অবস্থা আরো কাহিল। রিক্সা চালকেরা দুই একটি ভাড়া ফেলেই ছায়ার খোজে গাছতলায় কিংবা হোটেল রেস্তোরাঁয় গিয়ে বসে বিশ্রাম নেন।
 কাঠফাটা রোদে ও প্রচন্ড গরমে শহরের মানুষের উপস্থিতি কম থাকায় রিক্সা, রিক্সা ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা কিংবা পাগলুতে যাত্রী সংখ্যা তেমন একটা নেই বললেই চলে।
শহরের প্রবীণ রিক্সাচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, গত কয়েক দিন থেকে প্রচন্ড গরমের কারণে দিনের বেলা রিক্সা চালাতে পারি না। তাছাড়াও তীব্র তাপদাহে ও গরমের কারণে দিনের বেলা শহরে লোকজনের চলাচলও তেমন নেই। তাই গত কয়েক দিনে আয়-রোজগার অনেক কম হচ্ছে। এখন প্রতিদিন যে আয় হচ্ছে, তা দিয়ে সংসারের খরচ বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
এছাড়া বর্তমানে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও আকাশচুম্বী। প্রতিদিনের যৎসামান্য উপার্জন দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।  তিনি বলেন, এমন তীব্র তাপপ্রবাহ আমার ৬৫ বছরের জীবনে কোনদিনও দেখিনি। সামনে আরও নাকি তাপমাত্রা বাড়বে বলে শুনছি। তখন আমাদের মতো দিনে আনে দিন খাওয়া মানুষদের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে বুঝতে পারছি না। একমাত্র সৃষ্টিকর্তায় পারেন এমন অবস্থা থেকে আমাদের রক্ষা করতে।
এদিকে,তীব্র গরম ও প্রচন্ড তাপদাহে মানুষজন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ ও শিশুদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি কাহিল। এতে করে প্রতিদিন স্থানীয় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের বর্হিবিভাগে ও আন্তঃবিভাগে অসুস্থ মানুষের ভীড় বাড়ছে। অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিতে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসরা হিমশিম খাচ্ছেন। এছাড়া নানা রোগে আক্রান্ত রোগীরা শহরের বিভিন্ন চিকিৎসকদের চেম্বারে গিয়েও চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন।
 আজ (বৃহস্পতিবার ) ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গত এক সপ্তাহে এটিই এখানকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এর আগে এখানে সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রী সেলিসিয়াস থেকে ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠানামা করেছে
জনপ্রিয়

টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও আচরণবিধির লঙ্ঘন: মাহদী আমিন

ঠাকুগাঁওয়ে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন

প্রকাশের সময় : ০২:০১:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪
ঠাকুরগাঁওয়ে গত কয়েক দিনের তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড গরমে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কাঠফাটা রোদে ও তীব্র গরমে নিতান্তই প্রয়োজন ব্যতিরেকে কেউই বাসার বাইরে বের হচ্ছেন না। অফিস—আদালত, বাসাবাড়ি কোথাও একটু খানিও স্বস্তি মিলছে না।  আজ (বৃহস্পতিবার ) ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
গতকাল প্রচন্ড গরম ও তীব্র রোদের কারণে দুরামারি বাণিজ্যিক ও শিল্প প্রধান এ শহরের রাস্তায় মানুষজনের চলাচল ছিল একেবারের কম। আর দিনমজুর,রিক্সা, রিক্সাভ্যান চালক, ব্যাটারিচালিত অটো রিক্সা চালকদের অবস্থা আরো কাহিল। রিক্সা চালকেরা দুই একটি ভাড়া ফেলেই ছায়ার খোজে গাছতলায় কিংবা হোটেল রেস্তোরাঁয় গিয়ে বসে বিশ্রাম নেন।
 কাঠফাটা রোদে ও প্রচন্ড গরমে শহরের মানুষের উপস্থিতি কম থাকায় রিক্সা, রিক্সা ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা কিংবা পাগলুতে যাত্রী সংখ্যা তেমন একটা নেই বললেই চলে।
শহরের প্রবীণ রিক্সাচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, গত কয়েক দিন থেকে প্রচন্ড গরমের কারণে দিনের বেলা রিক্সা চালাতে পারি না। তাছাড়াও তীব্র তাপদাহে ও গরমের কারণে দিনের বেলা শহরে লোকজনের চলাচলও তেমন নেই। তাই গত কয়েক দিনে আয়-রোজগার অনেক কম হচ্ছে। এখন প্রতিদিন যে আয় হচ্ছে, তা দিয়ে সংসারের খরচ বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
এছাড়া বর্তমানে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও আকাশচুম্বী। প্রতিদিনের যৎসামান্য উপার্জন দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।  তিনি বলেন, এমন তীব্র তাপপ্রবাহ আমার ৬৫ বছরের জীবনে কোনদিনও দেখিনি। সামনে আরও নাকি তাপমাত্রা বাড়বে বলে শুনছি। তখন আমাদের মতো দিনে আনে দিন খাওয়া মানুষদের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে বুঝতে পারছি না। একমাত্র সৃষ্টিকর্তায় পারেন এমন অবস্থা থেকে আমাদের রক্ষা করতে।
এদিকে,তীব্র গরম ও প্রচন্ড তাপদাহে মানুষজন অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ ও শিশুদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি কাহিল। এতে করে প্রতিদিন স্থানীয় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের বর্হিবিভাগে ও আন্তঃবিভাগে অসুস্থ মানুষের ভীড় বাড়ছে। অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিতে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসরা হিমশিম খাচ্ছেন। এছাড়া নানা রোগে আক্রান্ত রোগীরা শহরের বিভিন্ন চিকিৎসকদের চেম্বারে গিয়েও চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন।
 আজ (বৃহস্পতিবার ) ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। গত এক সপ্তাহে এটিই এখানকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এর আগে এখানে সর্বোচ্চ ৩৬ ডিগ্রী সেলিসিয়াস থেকে ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠানামা করেছে