সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফ্ল্যাট থেকে ভোজপুরি অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪
  • ১১৮

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিহারে নিজ ফ্ল্যাট থেকে ভোজপুরি অভিনেত্রী অমৃতা পাণ্ডের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৭ এপ্রিল) ভাগলপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিজ ফ্ল্যাটে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে শাড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন অমৃতা পাণ্ডে। অবশ্য ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। পুলিশ এরই মধ্যে এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

সুইসাইড নোট না পাওয়া গেলেও মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে অমৃতা হোয়াটসঅ্যাপে একটি রহস্যজনক পোস্ট দেন। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অমৃতা তার সেই পোস্টে লিখেছেন, ‘ওর জীবন দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছিল। আমি আমার জীবনের নৌকা ডুবিয়ে ওর সফর সহজ করে দিয়ে গেলাম।’

পুলিশের জানিয়েছে, অমৃতা তার প্রযোজক ও পরিচালক স্বামী চন্দ্রমণির সঙ্গে মুম্বাইতে থাকতেন। সম্প্রতি ছোট বোনের বিয়েতে বিহারের ভাগলপুর আসেন। ভাগলপুরে যাওয়ার পর ঠিক করেন, সেখানেই থেকে যাবেন।

গত শনিবার (২৭ এপ্রিল) অনেক রাত পর্যন্ত তিনি জেগে ছিলেন এবং হোয়াটসঅ্যাপে একটি রহস্যজনক পোস্ট লেখেন। এর কয়েক ঘণ্টা পরই তাকে মৃত অবস্থায় ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় তার কক্ষের দরজা খোলাই ছিল।

অভিনেত্রীর আত্মীয়রা জানিয়েছেন, বেশ কিছু দিন ধরেই অবসাদে ভুগছিলেন অমৃতা। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। মানসিকভাবে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছিলেন। এর জন্য চিকিৎসাও চলছিল। সম্প্রতি তাঁর বাবা মারা গেছেন। মা–ই ছিলেন একমাত্র অভিভাবক।

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃপ্তি -হাসান ঐক্যবদ্ধ

ফ্ল্যাট থেকে ভোজপুরি অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ১১:৫১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

ভারতের বিহারে নিজ ফ্ল্যাট থেকে ভোজপুরি অভিনেত্রী অমৃতা পাণ্ডের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২৭ এপ্রিল) ভাগলপুরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিজ ফ্ল্যাটে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে শাড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন অমৃতা পাণ্ডে। অবশ্য ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। পুলিশ এরই মধ্যে এ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

সুইসাইড নোট না পাওয়া গেলেও মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে অমৃতা হোয়াটসঅ্যাপে একটি রহস্যজনক পোস্ট দেন। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অমৃতা তার সেই পোস্টে লিখেছেন, ‘ওর জীবন দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছিল। আমি আমার জীবনের নৌকা ডুবিয়ে ওর সফর সহজ করে দিয়ে গেলাম।’

পুলিশের জানিয়েছে, অমৃতা তার প্রযোজক ও পরিচালক স্বামী চন্দ্রমণির সঙ্গে মুম্বাইতে থাকতেন। সম্প্রতি ছোট বোনের বিয়েতে বিহারের ভাগলপুর আসেন। ভাগলপুরে যাওয়ার পর ঠিক করেন, সেখানেই থেকে যাবেন।

গত শনিবার (২৭ এপ্রিল) অনেক রাত পর্যন্ত তিনি জেগে ছিলেন এবং হোয়াটসঅ্যাপে একটি রহস্যজনক পোস্ট লেখেন। এর কয়েক ঘণ্টা পরই তাকে মৃত অবস্থায় ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় তার কক্ষের দরজা খোলাই ছিল।

অভিনেত্রীর আত্মীয়রা জানিয়েছেন, বেশ কিছু দিন ধরেই অবসাদে ভুগছিলেন অমৃতা। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। মানসিকভাবে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছিলেন। এর জন্য চিকিৎসাও চলছিল। সম্প্রতি তাঁর বাবা মারা গেছেন। মা–ই ছিলেন একমাত্র অভিভাবক।