
যশোরে নিখোঁজের দুইদিন পর ইজিবাইক চালক ইমন হোসেনের (১৮) বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১১ টার দিকে সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের সদুল্লাপুর ভৈরবের শাখা নদী থেকে তার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত ইমন যশোরের অভয়নগর উপজেলার প্রেমবাগ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।
নিহত ইমনের বাবা আবুল কালাম গনমাধ্যমকে বলেন, গত ২৮ এপ্রিল ভোর ৬টায় ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয় ইমন। এরপর আর সে বাড়ি ফেরেনি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার সহকর্মী ইজিবাইক চালকরা দেখেছে ভাড়া নিয়ে বসুন্দিয়ার দিকে যেতে। এরপর থেকে তাকে আর কেউ দেখিনি। এঘটনায় তিনি অভয়নগর থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করেন।
স্থানীয়রা বলেন, আজ মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে নদীর পাড় থেকে প্রচন্ড দূর্গন্ধ পান এলাকার লোকজন। পরে তারা দেখতে পান একটি বস্তায় ভরা এক যুবকের মরদেহ ভাসতে এবং তা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশকে খবর দিলে পিবিআই, ডিবিসহ পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে ফিঙ্গার প্রিন্ট ও কাছে থাকা মোবাইলের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গত ২৮ এপ্রিল নিখোঁজ হন ইমন। এঘটনায় অভয়নগর থানায় একটি জিডি করেন তার পরিবার। আজ সকালে নদী থেকে তার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ইমনের পরিবারের সদস্যরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেন। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশের ধারণা ইজিবাইক ছিনতাই করতে এই হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে।
যশোর প্রতিনিধি 







































