সুজানগরে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ব্যাপক ভাঙচুর লুটপাটের অভিযোগ। ছবি: আজকের পত্রিকাবালিয়াঙ্গী গ্রামের ফরিদ মোল্লা, শহীদ শেখ, গোয়ালকান্দি গ্রামের ধীরেন্দ্রনাথ কুন্ডু, গীতা রানী কুন্ডু, বাজার সিন্দুরিয়ার আলম শেখের বাড়িসহ ৫০টির বেশি বাড়িতে এ হামলা করা হয়েছে। ঘটনার পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
পরাজিত প্রার্থী শাহীনুজ্জামান শাহিন বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরই একের পর হামলা ও ভাঙচুর চালানো হচ্ছে তাঁর কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘরে। বিজয়ী চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবের নির্দেশেই এ হামলা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তাঁরা দুজন একই দলের নেতা। সুতরাং এমন হামলা কাম্য নয়। তবে নির্বাচন নিয়ে তাঁর কোনো অভিযোগ নেই। এই হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সঠিক তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে বিজয়ী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তবে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। ইতিমধ্যে এসব ঘটনায় পাঁচটি মামলা করা হয়েছে এবং ১৬ জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। যেহেতু নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে, সে জন্য এখন কেউ বিশৃঙ্খলা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
পাবনা প্রতিনিধি।। 








































