
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার মনে করেছে ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর তারা সংকট থেকে উৎড়ে গেছে। কিন্তু সংকট থেকে উৎড়ে যায়নি, তদের সংকট আরও বেড়েছে।
আজ রবিবার (১২ মে) দুপুরে গুলশান বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনের পূর্বে বহু নেতাকর্মীকে একতরফা সাজা দিয়েছে আদালত। এর তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছে বিএনপি। বিনা শুনানিতেও সাজা দিয়েছে সরকার। এখনো গুরুত্বপূর্ণ নেতা কারাগারের রয়েছে। চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে সাজা দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিরাজনীতিকরণ করতে ২ হাজার বেশি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরোধী রাজনৈতিক দল যেন না থাকে। মানুষের সর্বশেষ আশা ভরসার স্থল হচ্ছে আদালত, কিন্তু সেখানেও কেউ কোন প্রতিকার পাচ্ছে না।
দেশে প্রবেশের সময় আমদানি পণ্যের মান যাচাই করা দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের ম্যান্ডেটহীন সরকার তা করবে কি না। তা যথেষ্ট সন্দিহান। এ সরকারের কোন জবাবদিহিতা নাই। কোন ম্যান্ডেট নেই। তাদের ভিতরে দাম্ভিকতা কাজ করছে। কারণ তাদের জনগণের কোন দরকার নেই।
এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশকে সরকার পরিকল্পিতভাবে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। এটি অনেক আগে থেকেই বলে আসছি। একটি রাষ্ট্র ব্যর্থ রাষ্ট্র ও পরিণত হয়, যখন অর্থনীতি মেরুদন্ড ভেঙে যায়, রাজনীতিক পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। গোটা রাষ্ট্র একটি নৈরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ঘুষ ছাড়া চাকরি হয় না। তাও আবার ক্ষমতাসীন দলের ছাড়া সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। সরকারের এমপি মন্ত্রীরা টাকা পাচার করে সেটি বিনিয়োগ করেছে বিদেশে অথচ বাংলাদশের মানুষের অবস্থা খারাপ।
মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু বাংলাদেশে আসছে এমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কে আসলো তাতে ইন্টারেস্ট নেই। জনগণই বিএনপির শক্তি। সরকার মনে করছে নির্বাচনের পর সংকট উৎড়ে গেছে। কিন্তু সংকট আরও বেড়েছে।
উল্লেখ্য, স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি। সংবাদ সম্মেলন শুরু আগে নিজের স্বাস্থ্যের অবস্থা তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






































