শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা পুলিশের হেলমেট বিতরণ ও সচেতনতা মূলক প্রচারণা 

জীবন বাঁচাতে ট্রাফিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে হেলমেট বিতরণ ও সচেতনতা মূলক প্রচারণা করা হয়েছে। জেলা ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে বার বার সচেতন করা হলেও নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে অধিকাংশ যানবাহন হেলমেট ছাড়া উচ্চ গতিতে মহাসড়কে চলাচল করছেন। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।অসচেতনতায় জীবন যাচ্ছে অনেকের। বরাবরের মতো সড়ক দূর্ঘটনা রোধে এবারো উদ্যোগ নিয়েছে ঠাকুরগাঁও ট্রাফিক বিভাগ।
মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে জেলা ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগে শহরের বাসষ্টান্ড এলাকায় সচেতনা নিশ্চিতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মোটরসাইকেল আরোহীদের মাঝে বিনামুল্যে হেলমেট তুলে দেন পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক। ট্রাফিক বিভাগের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়রা বলছেন, ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ভালো। তারপরও যানবাহন চালকরা ট্রাফিক আইন মানেন না। ফলে বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। সবাই সচেতন হলে জীবন ভাল থাকবে। আমরা শুধু পুলিশের দোষ ধরি যা আসলেই ঠিক না।
এসময় পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক বলেন, দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক আইন মেনে চলা একান্ত প্রয়োজন।নিজের জীবন বাঁচাতে এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে ট্রাফিক আইন মেনে চলা অত্যান্ত জরুরি। একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না। তাই গাড়ি অধিক গতিতে না চালিয়ে ট্রাফিক আইন মেনে ও হেলমেট পড়ে গাড়ি চালালে সুরক্ষিত থাকা যায়। এজন্য মোটরসাইকেল চালকসহ আরোহীকেও হেলমেট পরিধান করতে হবে।
এসময় তিনি, মোটরসাইকেল চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ যাবতীয় গাড়ির কাগজপত্র সাথে রাখার ও হেলমেট পরিধান করে গাড়ি চালানোর আহ্বান জানান।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোছাঃ লিজা বেগম, সদর সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন সরকার, জেলা ট্রাফিক বিভাগের ইনচার্জ প্রদীপ কুমার সাহা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম ফিরোজ ওয়াহিদ সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
হেলমেট বিতরণ ও ট্রাফিক সচেতনতামূলক প্রচারণা চলমান থাকবে বলে জানান জেলা ট্রাফিক বিভাগ।
জনপ্রিয়

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান পাহলভির

ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা পুলিশের হেলমেট বিতরণ ও সচেতনতা মূলক প্রচারণা 

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪
জীবন বাঁচাতে ট্রাফিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে হেলমেট বিতরণ ও সচেতনতা মূলক প্রচারণা করা হয়েছে। জেলা ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে বার বার সচেতন করা হলেও নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে অধিকাংশ যানবাহন হেলমেট ছাড়া উচ্চ গতিতে মহাসড়কে চলাচল করছেন। ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।অসচেতনতায় জীবন যাচ্ছে অনেকের। বরাবরের মতো সড়ক দূর্ঘটনা রোধে এবারো উদ্যোগ নিয়েছে ঠাকুরগাঁও ট্রাফিক বিভাগ।
মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে জেলা ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগে শহরের বাসষ্টান্ড এলাকায় সচেতনা নিশ্চিতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মোটরসাইকেল আরোহীদের মাঝে বিনামুল্যে হেলমেট তুলে দেন পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক। ট্রাফিক বিভাগের এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানান সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়রা বলছেন, ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ভালো। তারপরও যানবাহন চালকরা ট্রাফিক আইন মানেন না। ফলে বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। সবাই সচেতন হলে জীবন ভাল থাকবে। আমরা শুধু পুলিশের দোষ ধরি যা আসলেই ঠিক না।
এসময় পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক বলেন, দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক আইন মেনে চলা একান্ত প্রয়োজন।নিজের জীবন বাঁচাতে এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে ট্রাফিক আইন মেনে চলা অত্যান্ত জরুরি। একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না। তাই গাড়ি অধিক গতিতে না চালিয়ে ট্রাফিক আইন মেনে ও হেলমেট পড়ে গাড়ি চালালে সুরক্ষিত থাকা যায়। এজন্য মোটরসাইকেল চালকসহ আরোহীকেও হেলমেট পরিধান করতে হবে।
এসময় তিনি, মোটরসাইকেল চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ যাবতীয় গাড়ির কাগজপত্র সাথে রাখার ও হেলমেট পরিধান করে গাড়ি চালানোর আহ্বান জানান।
এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোছাঃ লিজা বেগম, সদর সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিথুন সরকার, জেলা ট্রাফিক বিভাগের ইনচার্জ প্রদীপ কুমার সাহা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম ফিরোজ ওয়াহিদ সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
হেলমেট বিতরণ ও ট্রাফিক সচেতনতামূলক প্রচারণা চলমান থাকবে বলে জানান জেলা ট্রাফিক বিভাগ।