
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, চারদিক দিক থেকে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। এ সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে গিয়ে এখন গোটা জাতিকে ফতুর করার জন্য একর পর এক আর্থিক খাত, সামাজিক খাত সব লুট করছে। প্রত্যেকটি খাতে এখন প্রচন্ড নৈরাজ্য বিরাজ করছে।
উপজেলা নির্বাচন বর্জনের দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকালে রাজধানীর শান্তিনগর বাজার এলাকায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, একের পর এক ব্যাংক লুট হয়ে ব্যাংকগুলো ধসে গেছে। মন্ত্রীদের নামে এমপিদের নামে ব্যাংক দিলেন। তারাইতো সব লুট করে ফেলছে। এখন সরকার ভালো ভালো ব্যাংকের সাথে সেগুলোকে মিশিয়ে দিতে চাচ্ছে। এবাবে তারা জনগণের টাকা, জনগণের সম্পদ তারা লুটপাট করেছেন, পাচার করেছেন। তাই সব বাংলাদেশের ব্যাংক যারা লুটাপাট করেছে সেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ভিতরে কি হচ্ছে সেটি দেশের মানুষকে জানতে দেওয়া হচ্ছে না। সেখানে বিধিনিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে, যাতে সাংবাদিকরা সেখানে প্রবেশ করতে না পারে।
তিনি আরো বলেন, গত পরশু দিন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি বিশাল অংকের টাকা কোড হ্যাক করে লুট করা হয়েছে বলে খবর বেরিয়েছে। এর কোনো উত্তর নেই। এর কোনো উত্তর দিতে পারে না সরকার। কারণ নিজেদের লোকদের, নিজেদের মানুষদেরকে অর্থ লুটের সুযোগ করে দিতে এ ব্যবস্থা করেছে সরকার। আজকে বাংলাদেশের টাকা নেই। আজকে যে রিজার্ভ আমদানি করা যায়, যেটি দিয়ে ব্যবসা করা যায়, যেটি দিয়ে উন্নয়ন হবে সে টাকা আজ শূণ্যের দিকে।
বিএনপির মুখপাত্র বলেন, বর্তমানে ডামি ভোটে নির্বাচিত সরকার হলো- দখলদার সরকার। তাদের জনগণের কোনো ম্যান্ডেট নেই। জনগণের ভোটের কোনো দরকার হয় না তাদের। এখানে নির্বাচনের নামে শুধু প্রহসন বা আনুষ্ঠানিকতা চলছে মাত্র। সুতরাং এ নির্বাচন বর্জন করুন। আপনারা যারা ঢাকায় আছেন আপনাদের আত্মীয়-স্বজনদের এ নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানান।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ডা. জাহিদুল কবির, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক সাদরেজ জামান প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক 







































