বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্রেণিকক্ষে ভূত আতঙ্কে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

ছবি- সংগৃহীত

ভূত-আতঙ্কে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আকরামুননেছা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষার্থীদেরকে  প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়।

রবিবার (১৯ মে) দুপুর ২টার দিকে ওই বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, এদিন ক্লাস চলাকালীন ষষ্ঠ ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে এ ভূত-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। লম্বা কালো কেউ ধাক্কা দিয়েছে, কেউ বলে লাল ভয়ানক কেউ এসেছে, কেউবা বলে হাত ধরে টান মেরেছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন।

নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাফী বিন কবির বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বিদ্যালয়ে ছুটে আসি এবং এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেই। এই ঘটনা তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমের কারণ এমন হতে পারে।তবে ঘাবড়ানোর মতো তেমন বিষয় না, সব ঠিক হয়ে গেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহাবুব হোসেন বলেন, হঠাৎ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চিৎকার চেঁচামেচি করলে শিক্ষকরা সবাই বিষয়টি জানতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। জানতে পারি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন ভয় পেয়ে চিৎকার দিলে পাশের সবাই চিৎকার দেয় ছোটাছুটি করে নিচে নেমে আসে। তবে বিদ্যালয়ে কোনো ভূতপ্রেত নেই। এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটেছে।

জনপ্রিয়

দুই সচিবের দফতর বদল

শ্রেণিকক্ষে ভূত আতঙ্কে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ

প্রকাশের সময় : ১১:০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

ভূত-আতঙ্কে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আকরামুননেছা বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষার্থীদেরকে  প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়।

রবিবার (১৯ মে) দুপুর ২টার দিকে ওই বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, এদিন ক্লাস চলাকালীন ষষ্ঠ ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে এ ভূত-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। লম্বা কালো কেউ ধাক্কা দিয়েছে, কেউ বলে লাল ভয়ানক কেউ এসেছে, কেউবা বলে হাত ধরে টান মেরেছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন।

নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাফী বিন কবির বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা বিদ্যালয়ে ছুটে আসি এবং এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেই। এই ঘটনা তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমের কারণ এমন হতে পারে।তবে ঘাবড়ানোর মতো তেমন বিষয় না, সব ঠিক হয়ে গেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মাহাবুব হোসেন বলেন, হঠাৎ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চিৎকার চেঁচামেচি করলে শিক্ষকরা সবাই বিষয়টি জানতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। জানতে পারি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন ভয় পেয়ে চিৎকার দিলে পাশের সবাই চিৎকার দেয় ছোটাছুটি করে নিচে নেমে আসে। তবে বিদ্যালয়ে কোনো ভূতপ্রেত নেই। এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটেছে।