রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে স্ত্রী শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে মোজাম্মেল হোসেন রাজু (২৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০১৮ সালে ৩ নভেম্বর সকালে খালেদার বাবার বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার পূর্ব দৈয়ারা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বেলা ১২টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শাটিষক গ্রামের নুরুন্নবী প্রকাশ নুর আলমের ছেলে। নিহত গৃহবধূর নাম খালেদা আক্তার।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালে ৩ নভেম্বর সকালে খালেদা-রাজু দম্পতি কাপড় ধোয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে রাজু ওড়ানা দিয়ে খালেদার গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর মরদেহ পুকুর ঘাটে ফেলে পালিয়ে যান রাজু। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির পর খালেদার মরদেহ উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় নিহত খালেদার বাবা মো. মোবারক হোসেন ওই দিনই নাঙ্গলকোট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং আসামি খালেদার স্বামী রাজুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

অভিযোগপত্র দাখিলের আগেই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও পরে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ রাজুকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন আদালত। রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নুরুল ইসলাম বলেন, আসামি রাজু গ্রেপ্তারের পর জামিন নিয়ে আবার পলাতক হন। আশা করছি উচ্চ আদালত এই রায় বহাল রেখে দ্রুত আদেশ বাস্তবায়ন করবেন।

জনপ্রিয়

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চী‌না রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৯:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে স্ত্রী শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে মোজাম্মেল হোসেন রাজু (২৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০১৮ সালে ৩ নভেম্বর সকালে খালেদার বাবার বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার পূর্ব দৈয়ারা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বেলা ১২টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শাটিষক গ্রামের নুরুন্নবী প্রকাশ নুর আলমের ছেলে। নিহত গৃহবধূর নাম খালেদা আক্তার।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালে ৩ নভেম্বর সকালে খালেদা-রাজু দম্পতি কাপড় ধোয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডায় জড়ায়। একপর্যায়ে রাজু ওড়ানা দিয়ে খালেদার গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর মরদেহ পুকুর ঘাটে ফেলে পালিয়ে যান রাজু। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির পর খালেদার মরদেহ উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় নিহত খালেদার বাবা মো. মোবারক হোসেন ওই দিনই নাঙ্গলকোট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং আসামি খালেদার স্বামী রাজুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০১৯ সালের ৩০ জুন এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

অভিযোগপত্র দাখিলের আগেই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও পরে ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ রাজুকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন আদালত। রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নুরুল ইসলাম বলেন, আসামি রাজু গ্রেপ্তারের পর জামিন নিয়ে আবার পলাতক হন। আশা করছি উচ্চ আদালত এই রায় বহাল রেখে দ্রুত আদেশ বাস্তবায়ন করবেন।