
প্রবল ঘূর্ণিঝড় “রিমাল” উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ০৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা হাওয়াসহ ভারী (প্রতি ঘণ্টায় ৪৪-৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (প্রতি ঘণ্টায় ২৮৯ মিলিমিটার) বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের প্রভাবে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধস হতে পারে।
এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। তাই জেনে রাখা জরুরি ঘূর্ণিঝড়ের সময় কী করবেন, আর কী করবেন না-
- বাড়ির কাছাকাছি থাকা মরা গাছের ডাল ছেঁটে ফেলুন। গাছের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। যাতে বাড়ির উপর এসে না পড়ে।
- টিনের পাতলা শিট, লোহার কৌটা যেখানে সেখানে পড়ে থাকলে এক জায়গায় জড়ো করুন। না হলে ঝড়ের সময় এর থেকে বিপদ হতে পারে।
- কাঠের তক্তা কাছে রাখুন যাতে কাঁচের জানলায় সাপোর্ট দেওয়া যায়।
- ফোন, ল্যাপটপ ও অন্যান্য জরুরি বৈদ্যুতিক যন্ত্র আগে থেকেই চার্জ দিয়ে রাখুন।
- হালকা শুকনো খাবার রাখুন বড়সড় বিপদের জন্য।
- পর্যাপ্ত পানি মজুত রাখুন।
- যে ঘরটি সবচেয়ে নিরাপদ সেখানে আশ্রয় নিন।
- বাড়ির পোষ্য ও গবাদি পশুদেরও নিরাপদ স্থানে এনে রাখুন।
- বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ঠিক থাকলে টিভিতে খবরে নজর রাখুন। না হলে রেডিও চালিয়ে রাখতে পারেন।
- সব ইলেকট্রিক জিনিসের সুইচ অফ করে দিন। প্লাগও খুলে দিতে হবে।
- ঘূর্ণিঝড় থামতেই বাইরে বের হবেন না। অপেক্ষা করুন আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসের। কারণ ঘূর্ণিঝড় চক্রাকারে ঘোরে।
লাইফস্টাইল ডেস্ক 







































