
ঘূর্ণিঝড় রেমাল উপকূলীয় এলাকায় সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কারণে বৃষ্টির সঙ্গে শত মাইল বেগে বাতাসে ঘর-বাড়ি, দোকান-পাট তছনছ হয়েছে, ভেঙে পড়েছে গাছ-পালা। প্রাণহানি ঘটেছে পাঁচজনের।
ঝড়ো হাওয়ার কারণে রোববার (২৬ মে) বিকেল ও সন্ধ্যা থেকে বাগেরহাট, ভোলা, পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। এতে মুঠোফোনের চার্জ হারিয়ে অনেকে হয়ে পড়েছেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট বরিশাল, বরগুনা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় এলাকা। এসব এলাকায় ব্যাপক সংখ্যক গাছপালা উপড়ে গেছে ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, চট্টগ্রাম ও সাতক্ষীরায় একজন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। অপরদিকে, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল ঝড়বৃষ্টির সময় বাড়ির বাইরে থাকা ছেলেকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে মারা যান তিনি। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু সংবাদ পাওয়া গেছে। এদিকে, প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের কেন্দ্র রোববার রাতে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে। এটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির পুরো প্রভাব শেষ হতে আরও পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা লাগতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টি রোববার (২৬ মে) রাত ৮টার দিকে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে। এরপর উপকূল থেকে শুরু করে সারাদেশে বৃষ্টি শুরু হয়।
ঢাকা ব্যুরো।। 







































