মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ২২ ট্রাক কাঁচা মরিচ আমদানি

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ২২ ট্রাকে দেশে এল ২ লাখ ১২ হাজার ২০০ কেজি ভারতের কাঁচা মরিচ। গত ২৩ মে বৃহস্পতিবার থেকে গতকাল ২৮ মে মঙ্গলবার পর্যন্ত এ কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়। এখন পর্যন্ত বন্দরের ৮ জন আমদানিকারককে ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে হিলি স্থলবন্দর ও বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচা মরিচ আমদানি করায় স্থানীয় বাজারে প্রভাব পরতে শুরু করেছে। এক সাপ্তাহ আগে বুধবার স্থানীয় বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আজ বুধবার (২৯ মে) কাঁচা মরিচ মান ভেদে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে বন্দরের আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ পাইকারি ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি বাজারের কাঁচা মরিচ বিক্রেতা শেখ বিপ্লব বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে প্রচন্ড রোদের কারণে কাঁচা মরিচ উৎপাদন কমে যায়। তাই বাজারে সরবরাহ কম ছিল। কাঁচা মরিচ বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়েছে। এখন ভারতীয় কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। তাই দাম কমে এসেছে।

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী বলেন, গত বছরের ২৩ নভেম্বর এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ কাঁচা মরিচ আমদানি হয়। এরপর ৫ মাস ৬ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত বন্দরের ৮ জন আমদানিকারককে ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে।

পানামা হিলি পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাব জানান, অনুমতি পাওয়ার পর গেলো বৃহস্পতিবার বিকেলে বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এখন প্রতিদিনই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে। কাস্টমসের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত ছাড়করণ করা হচ্ছে এসব কাঁচা মরিচ। এতে বন্দর থেকে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের দৈনন্দিন আয়ও বেড়েছে।

জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় যশোরে দোয়া মাহফিল

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ২২ ট্রাক কাঁচা মরিচ আমদানি

প্রকাশের সময় : ১০:১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ২২ ট্রাকে দেশে এল ২ লাখ ১২ হাজার ২০০ কেজি ভারতের কাঁচা মরিচ। গত ২৩ মে বৃহস্পতিবার থেকে গতকাল ২৮ মে মঙ্গলবার পর্যন্ত এ কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়। এখন পর্যন্ত বন্দরের ৮ জন আমদানিকারককে ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে হিলি স্থলবন্দর ও বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচা মরিচ আমদানি করায় স্থানীয় বাজারে প্রভাব পরতে শুরু করেছে। এক সাপ্তাহ আগে বুধবার স্থানীয় বাজারে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আজ বুধবার (২৯ মে) কাঁচা মরিচ মান ভেদে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে বন্দরের আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ পাইকারি ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি বাজারের কাঁচা মরিচ বিক্রেতা শেখ বিপ্লব বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে প্রচন্ড রোদের কারণে কাঁচা মরিচ উৎপাদন কমে যায়। তাই বাজারে সরবরাহ কম ছিল। কাঁচা মরিচ বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হয়েছে। এখন ভারতীয় কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। তাই দাম কমে এসেছে।

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী সংগনিরোধ কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী বলেন, গত বছরের ২৩ নভেম্বর এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ কাঁচা মরিচ আমদানি হয়। এরপর ৫ মাস ৬ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত বন্দরের ৮ জন আমদানিকারককে ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিয়েছে।

পানামা হিলি পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাব জানান, অনুমতি পাওয়ার পর গেলো বৃহস্পতিবার বিকেলে বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। এখন প্রতিদিনই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে। কাস্টমসের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত ছাড়করণ করা হচ্ছে এসব কাঁচা মরিচ। এতে বন্দর থেকে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের দৈনন্দিন আয়ও বেড়েছে।