মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাড়ে তিনবছরে জিয়া দেশকে জাগিয়ে তুলেছিলেন-মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে জিয়া দেশকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। তলাবিহীন ঝুড়িকে স্বাবলম্বী করেছিলেন। এই আওয়ামী লীগ সরকার আবার দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে। মানুষ এমনিতেই কষ্টে আছে। এর মধ্যে সরকার আবারও তেলের দাম বাড়িয়েছে। এই বৃদ্ধির কারণে আবারও সবকিছুর মূল্যবৃদ্ধি পাবে। কেন দেশের এই করুণ দশা? এরা লুট করে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পুরো দেশকে অকার্যকর করে তুলছে।’

শুক্রবার (৩১ মে) বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত গণদোয়া-মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দোয়া-মাহফিল শেষে কয়েক হাজার মানুষের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে ক্ষান্ত হননি, সম্মুখযুদ্ধও করেছেন। যে কাজটি তাদের (আওয়ামী লীগ নেতাদের) করার কথা ছিল সেটি জিয়াউর রহমান করেছেন। কিন্তু সে সময় তারা দেশকে বিপদে ফেলে চলে গিয়েছিলেন। এর জন্যই জিয়াউর রহমানের প্রতি তাদের এত ক্ষোভ।’

তিনি বলেন, ‘যারা বলেন বিএনপি নাই, বিএনপি থাকবে না, তাদের মুখে ছাই দিয়ে বিএনপি টিকে আছে এবং থাকবে। বিএনপির হাতেই দেশ ও স্বাধীনতা নিরাপদ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাই দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। বিএনপিই এ দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। যারা দেশকে বিপদে ফেলে চলে যায় তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।’

বিএনপির অপর স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করব। এর জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। বিএনপি গণমানুষের দল। মানুষের দাবি আদায়ে বিএনপিকেই ভূমিকা রাখতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, মোহাম্মদ মোহন, মোশাররফ হোসেন খোকন, আব্দুস সাত্তার, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, হারুন অর রশিদ হারুন, লিটন মাহমুদ, এসকে সেকান্দর কাদির, মনির হোসেন চেয়ারম্যান প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজা।

জনপ্রিয়

কক্সবাজার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে রাষ্ট্রীয় শোক উপেক্ষার অভিযোগ, অধ্যক্ষের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক

সাড়ে তিনবছরে জিয়া দেশকে জাগিয়ে তুলেছিলেন-মির্জা আব্বাস

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ মে ২০২৪

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে জিয়া দেশকে জাগিয়ে তুলেছিলেন। তলাবিহীন ঝুড়িকে স্বাবলম্বী করেছিলেন। এই আওয়ামী লীগ সরকার আবার দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে। মানুষ এমনিতেই কষ্টে আছে। এর মধ্যে সরকার আবারও তেলের দাম বাড়িয়েছে। এই বৃদ্ধির কারণে আবারও সবকিছুর মূল্যবৃদ্ধি পাবে। কেন দেশের এই করুণ দশা? এরা লুট করে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করছে। দুর্নীতির মাধ্যমে পুরো দেশকে অকার্যকর করে তুলছে।’

শুক্রবার (৩১ মে) বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত গণদোয়া-মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দোয়া-মাহফিল শেষে কয়েক হাজার মানুষের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে ক্ষান্ত হননি, সম্মুখযুদ্ধও করেছেন। যে কাজটি তাদের (আওয়ামী লীগ নেতাদের) করার কথা ছিল সেটি জিয়াউর রহমান করেছেন। কিন্তু সে সময় তারা দেশকে বিপদে ফেলে চলে গিয়েছিলেন। এর জন্যই জিয়াউর রহমানের প্রতি তাদের এত ক্ষোভ।’

তিনি বলেন, ‘যারা বলেন বিএনপি নাই, বিএনপি থাকবে না, তাদের মুখে ছাই দিয়ে বিএনপি টিকে আছে এবং থাকবে। বিএনপির হাতেই দেশ ও স্বাধীনতা নিরাপদ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাই দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। বিএনপিই এ দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। যারা দেশকে বিপদে ফেলে চলে যায় তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।’

বিএনপির অপর স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করব। এর জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। বিএনপি গণমানুষের দল। মানুষের দাবি আদায়ে বিএনপিকেই ভূমিকা রাখতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনুর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নবী উল্লাহ নবী, যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস মৃধা, মোহাম্মদ মোহন, মোশাররফ হোসেন খোকন, আব্দুস সাত্তার, আ ন ম সাইফুল ইসলাম, হারুন অর রশিদ হারুন, লিটন মাহমুদ, এসকে সেকান্দর কাদির, মনির হোসেন চেয়ারম্যান প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজা।