বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পায়ের গোড়ালি ব্যথা, কী করবেন?

ছবি-সংগৃহীত

নানা কারণেই পায়ের গোড়ালি ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা অস্বস্তির সৃষ্টি করে, বিশেষ করে যখন হাঁটা বা দীর্ঘ সময়ের জন্য দাঁড়িয়ে থাকার প্রয়োজন হয়। এই সমস্যার চিকিৎসা পাওয়া গেলেও অনেকে প্রথমে ঘরোয়া প্রতিকারের চেষ্টা করতে চান। প্রাকৃতিকভাবে গোড়ালির ব্যথা উপশমের জন্য এখানে কিছু কার্যকর ঘরোয়া উপায় চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. আইস প্যাক থেরাপি

আক্রান্ত গোড়ালিতে বরফের প্যাক লাগালে তা প্রদাহ এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। একটি পাতলা তোয়ালে দিয়ে কয়েকটি বরফের টুকরা মুড়িয়ে ১৫-২০ মিনিটের জন্য গোড়ালিতে ধরে রাখুন। উপশমের জন্য এটি দিনে কয়েকবার করে করুন।

২. অ্যালোভেরা

গবেষণায় দেখা গেছে যে অ্যালোভেরার সক্রিয় উপাদানগুলোতে প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিস থেকে প্রদাহ কমাতে পারে। ম্যাসাজের মাধ্যমে আপনার পায়ের তলায় অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন। এটি প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে এবং ফলস্বরূপ গোড়ালির ব্যথা কমে।

৩. ইপসম লবণ

গবেষণা বলছে, ইপসম লবণে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট রয়েছে। এর প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইপসম লবণ মিশ্রিত হালকা গরম পানিতে আপনার পা ভিজিয়ে রাখুন। এটি ব্যথা এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গরম পানিভর্তি বোলে আধা কাপ ইপসম লবণ যোগ করুন এবং তাতে আপনার পা ১৫-২০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন।

৪. ম্যাসাজ

আক্রান্ত গোড়ালিতে ম্যাসাজ করলে তা রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে এবং ব্যথা এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গোড়ালি এবং আশেপাশের স্থানে আঙুলের সাহায্যে মৃদু চাপ প্রয়োগ করুন। গোড়ালি ম্যাসাজ করার জন্য আপনি একটি টেনিস বল বা ঠান্ডা পানির বোতলও ব্যবহার করতে পারেন।

৫. হলুদের পেস্ট

গবেষণা অনুসারে হলুদে রয়েছে কারকিউমিন, যার শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি গোড়ালিতে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। পানির সঙ্গে হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং আক্রান্ত গোড়ালিতে লাগান। এভাবে আধা ঘণ্টা রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উপশমের জন্য এটি প্রতিদিন দুইবার করুন।

জনপ্রিয়

টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও আচরণবিধির লঙ্ঘন: মাহদী আমিন

পায়ের গোড়ালি ব্যথা, কী করবেন?

প্রকাশের সময় : ০২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

নানা কারণেই পায়ের গোড়ালি ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা অস্বস্তির সৃষ্টি করে, বিশেষ করে যখন হাঁটা বা দীর্ঘ সময়ের জন্য দাঁড়িয়ে থাকার প্রয়োজন হয়। এই সমস্যার চিকিৎসা পাওয়া গেলেও অনেকে প্রথমে ঘরোয়া প্রতিকারের চেষ্টা করতে চান। প্রাকৃতিকভাবে গোড়ালির ব্যথা উপশমের জন্য এখানে কিছু কার্যকর ঘরোয়া উপায় চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. আইস প্যাক থেরাপি

আক্রান্ত গোড়ালিতে বরফের প্যাক লাগালে তা প্রদাহ এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। একটি পাতলা তোয়ালে দিয়ে কয়েকটি বরফের টুকরা মুড়িয়ে ১৫-২০ মিনিটের জন্য গোড়ালিতে ধরে রাখুন। উপশমের জন্য এটি দিনে কয়েকবার করে করুন।

২. অ্যালোভেরা

গবেষণায় দেখা গেছে যে অ্যালোভেরার সক্রিয় উপাদানগুলোতে প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিস থেকে প্রদাহ কমাতে পারে। ম্যাসাজের মাধ্যমে আপনার পায়ের তলায় অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করুন। এটি প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে এবং ফলস্বরূপ গোড়ালির ব্যথা কমে।

৩. ইপসম লবণ

গবেষণা বলছে, ইপসম লবণে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট রয়েছে। এর প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইপসম লবণ মিশ্রিত হালকা গরম পানিতে আপনার পা ভিজিয়ে রাখুন। এটি ব্যথা এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গরম পানিভর্তি বোলে আধা কাপ ইপসম লবণ যোগ করুন এবং তাতে আপনার পা ১৫-২০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন।

৪. ম্যাসাজ

আক্রান্ত গোড়ালিতে ম্যাসাজ করলে তা রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে এবং ব্যথা এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গোড়ালি এবং আশেপাশের স্থানে আঙুলের সাহায্যে মৃদু চাপ প্রয়োগ করুন। গোড়ালি ম্যাসাজ করার জন্য আপনি একটি টেনিস বল বা ঠান্ডা পানির বোতলও ব্যবহার করতে পারেন।

৫. হলুদের পেস্ট

গবেষণা অনুসারে হলুদে রয়েছে কারকিউমিন, যার শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি গোড়ালিতে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। পানির সঙ্গে হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন এবং আক্রান্ত গোড়ালিতে লাগান। এভাবে আধা ঘণ্টা রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উপশমের জন্য এটি প্রতিদিন দুইবার করুন।