সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সুনেত্রা আর নেই

আশি-নব্বইয়ের দশকে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সুনেত্রা কুমার আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। ঢাকাই চলচ্চিত্রে প্রতিষ্ঠা পেলেও তিনি ছিলেন কলকাতার মেয়ে। সেখানেই অভিনয় করতেন মঞ্চে। পরে গুণী নির্মাতা মমতাজ আলী তাকে এ দেশের চলচ্চিত্রে নিয়ে আসেন। তার প্রথম সিনেমা ১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘উসিলা’।

তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান।

শুক্রবার (১৪ জুন) জায়েদ খান তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা, শৈশবের আমার পছন্দের একজন নায়িকা, চোখের প্রেমে পড়ত যে-কেউ তিনি সুনেত্রা। অনেক দিন বাংলাদেশ ছেড়ে কলকাতায়। আমি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে বেশ কয়েকবার ফোনে কথা বলেছিলাম। আজ হঠাৎ শুনলাম তিনি আর নেই, মৃত্যুবরণ করেছেন। নীরবে নিভৃত্বে চলে গেলেন। এভাবেই হারিয়ে যায় মানুষ, চলে যায়। আপনি ভালো থাকবেন ওপারে। অনেক চলচ্চিত্র দেখব আর আপনাকে মিস করব।

ভারতের কলকাতায় ১৯৭০ সালের ৭ জুলাইয়ে জন্ম সুনেত্রার। মূল নাম রীনা সুনেত্রা কুমার। মঞ্চ থেকে তার অভিনয়ের যাত্রা হয়।

পরিচালক মমতাজ আলী তাকে ঢালিউডে আনেন। প্রথম সিনেমা ছিল তখনকার হার্টথ্রব নায়ক জাফর ইকবালের বিপরীতে ১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘উসিলা।’ ১৯৯০ সালে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘পালকি’ সিনেমাটি সুনেত্রাকে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি দিয়েছিল।

বাংলাদেশে তার উল্লেখযোগ্য ছবি : পালকি, ভাইবন্ধু, বোনের মতো বোন, যোগাযোগ, ভুল বিচার, সাজানো বাগান, রাজা মিস্ত্রী, ঘর ভাঙা ঘর, কুচবরণ কন্যা মেঘবরণ কেশ, শুকতারা, সুখের স্বপ্ন, রাজা জনি, বাদশা ভাই, ছোবল, ভাই আমার ভাই, দুঃখিনী মা, বন্ধু আমার, বিধান, নাচে নাগিন, সর্পরাণী, বিক্রম, উসিলা, লায়লা আমার লায়লা, শিমুল পারুল, ভাবীর সংসার, আমার সংসার, ধনরত্ন, নির্দয়, উচিত শিক্ষা, ঘরের সুখ, সাধনা, আলাল দুলাল।

ঢালিউডের সে সময়ের ব্যস্ত সব নায়ক জসিম, সোহেল রানা, ফারুক, জাফর ইকবাল, ইলিয়াস কাঞ্চন, মান্না সবার সঙ্গেই সুনেত্রা ছবি করেছেন।

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃপ্তি -হাসান ঐক্যবদ্ধ

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সুনেত্রা আর নেই

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

আশি-নব্বইয়ের দশকে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সুনেত্রা কুমার আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। ঢাকাই চলচ্চিত্রে প্রতিষ্ঠা পেলেও তিনি ছিলেন কলকাতার মেয়ে। সেখানেই অভিনয় করতেন মঞ্চে। পরে গুণী নির্মাতা মমতাজ আলী তাকে এ দেশের চলচ্চিত্রে নিয়ে আসেন। তার প্রথম সিনেমা ১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘উসিলা’।

তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান।

শুক্রবার (১৪ জুন) জায়েদ খান তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা, শৈশবের আমার পছন্দের একজন নায়িকা, চোখের প্রেমে পড়ত যে-কেউ তিনি সুনেত্রা। অনেক দিন বাংলাদেশ ছেড়ে কলকাতায়। আমি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে বেশ কয়েকবার ফোনে কথা বলেছিলাম। আজ হঠাৎ শুনলাম তিনি আর নেই, মৃত্যুবরণ করেছেন। নীরবে নিভৃত্বে চলে গেলেন। এভাবেই হারিয়ে যায় মানুষ, চলে যায়। আপনি ভালো থাকবেন ওপারে। অনেক চলচ্চিত্র দেখব আর আপনাকে মিস করব।

ভারতের কলকাতায় ১৯৭০ সালের ৭ জুলাইয়ে জন্ম সুনেত্রার। মূল নাম রীনা সুনেত্রা কুমার। মঞ্চ থেকে তার অভিনয়ের যাত্রা হয়।

পরিচালক মমতাজ আলী তাকে ঢালিউডে আনেন। প্রথম সিনেমা ছিল তখনকার হার্টথ্রব নায়ক জাফর ইকবালের বিপরীতে ১৯৮৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘উসিলা।’ ১৯৯০ সালে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘পালকি’ সিনেমাটি সুনেত্রাকে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি দিয়েছিল।

বাংলাদেশে তার উল্লেখযোগ্য ছবি : পালকি, ভাইবন্ধু, বোনের মতো বোন, যোগাযোগ, ভুল বিচার, সাজানো বাগান, রাজা মিস্ত্রী, ঘর ভাঙা ঘর, কুচবরণ কন্যা মেঘবরণ কেশ, শুকতারা, সুখের স্বপ্ন, রাজা জনি, বাদশা ভাই, ছোবল, ভাই আমার ভাই, দুঃখিনী মা, বন্ধু আমার, বিধান, নাচে নাগিন, সর্পরাণী, বিক্রম, উসিলা, লায়লা আমার লায়লা, শিমুল পারুল, ভাবীর সংসার, আমার সংসার, ধনরত্ন, নির্দয়, উচিত শিক্ষা, ঘরের সুখ, সাধনা, আলাল দুলাল।

ঢালিউডের সে সময়ের ব্যস্ত সব নায়ক জসিম, সোহেল রানা, ফারুক, জাফর ইকবাল, ইলিয়াস কাঞ্চন, মান্না সবার সঙ্গেই সুনেত্রা ছবি করেছেন।