বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাটে গরুর ছবি তোলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ১২

হাটে গরুর ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে জেলার ভাঙ্গায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শুক্রবার (১৪ জুন) বিকেলে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আল রশিদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেলে বাবনাতলা হাটে পীরেরচর গ্রামের একটা গরুর ছবি মোবাইলে ধারণ করেন গঙ্গাদরদী গ্রামের আরিফ মুন্সী। ওই সময় চৌকিঘাটা গ্রামের নিরব বিশ্বাস ছবি তুলতে নিষেধ করেন। এই নিয়ে চৌকিঘাটা ও গঙ্গাদরদী গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় চৌকিঘাটা গ্রামের নিরব ও আরিফ বিশ্বাসসহ অন্তত সাতজন আহত হন।

এ ঘটনার সূত্র ধরে শুক্রবার (১৪ জুন) সকালে চৌকিঘাটা গ্রামের পলাশ বিশ্বাসের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন তরুণ ঘারুয়া বাজারে লালন মোড়ল নামের দন্তচিকিৎসকের দোকানে ঢুকে তাদেরকে মারধর করে। এতে চিকিৎসক লালন মোড়ল ও সম্রাট মোড়লসহ ৫-৬ জন আহত হন।

এ ঘটনার খবর গঙ্গাদরদী ছড়িয়ে পড়লে ওই গ্রামের লোকজন একত্র হয়ে দেশীয় অস্ত্র, ঢাল, সুরকি, টেঁটা, কাতরা নিয়ে চৌকিঘাটা গ্রামে হামলার জন্য রওনা হয়। তবে সংবাদ পেয়ে ভাঙ্গা থানার পুলিশ তাদের গতিরোধ করে। এতে বড় ধরনের সংঘাত থেকে রক্ষা পায় এলাকাবাসী।

জনপ্রিয়

যশোরে এক হাজার ইয়াবাসহ নারী আটক

হাটে গরুর ছবি তোলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ১২

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

হাটে গরুর ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে জেলার ভাঙ্গায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শুক্রবার (১৪ জুন) বিকেলে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আল রশিদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেলে বাবনাতলা হাটে পীরেরচর গ্রামের একটা গরুর ছবি মোবাইলে ধারণ করেন গঙ্গাদরদী গ্রামের আরিফ মুন্সী। ওই সময় চৌকিঘাটা গ্রামের নিরব বিশ্বাস ছবি তুলতে নিষেধ করেন। এই নিয়ে চৌকিঘাটা ও গঙ্গাদরদী গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় চৌকিঘাটা গ্রামের নিরব ও আরিফ বিশ্বাসসহ অন্তত সাতজন আহত হন।

এ ঘটনার সূত্র ধরে শুক্রবার (১৪ জুন) সকালে চৌকিঘাটা গ্রামের পলাশ বিশ্বাসের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন তরুণ ঘারুয়া বাজারে লালন মোড়ল নামের দন্তচিকিৎসকের দোকানে ঢুকে তাদেরকে মারধর করে। এতে চিকিৎসক লালন মোড়ল ও সম্রাট মোড়লসহ ৫-৬ জন আহত হন।

এ ঘটনার খবর গঙ্গাদরদী ছড়িয়ে পড়লে ওই গ্রামের লোকজন একত্র হয়ে দেশীয় অস্ত্র, ঢাল, সুরকি, টেঁটা, কাতরা নিয়ে চৌকিঘাটা গ্রামে হামলার জন্য রওনা হয়। তবে সংবাদ পেয়ে ভাঙ্গা থানার পুলিশ তাদের গতিরোধ করে। এতে বড় ধরনের সংঘাত থেকে রক্ষা পায় এলাকাবাসী।