
নেত্রকোণায় সরকারি তালিকাভুক্ত হাট-বাজারের ইজারাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার বিকেলের দিকে জেলার কলমাকান্দা উপজেলা শহরের ভূমি অফিস এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে ফজলে হাসান রাব্বি, মুজিবুর রহমান, শিপন মিয়া ও লিটন মিয়াকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
জানা যায়, প্রতিবছর ফাল্গুন মাসের মধ্যে সরকারি হাটবাজার ইজারা প্রদানের বিধান রয়েছে। যথাসময়ে ইজারা প্রদান সম্ভব না হওয়ায় কলমাকান্দা সদরের দুটি মহাল মাস-ভিত্তিক খাস-কালেকশানের উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। তারই অংশ হিসেবে শনিবার শহরের ভূমি অফিসে ইজারা ডাকের আয়োজন করা হয়। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান মো. আব্দুল কুদ্দুছ বাবুল ও তার সাথে নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চয়নের লোকজন অংশগ্রহণ করেন। চয়ন এলাকার সংসদ সদস্য মোশতাক আহমেদ রুহীর আপন চাচাতো ভাই। ডাক অনুষ্ঠানে তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডাককে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে চেয়াম্যান মো. আব্দুল কুদ্দুছ বাবুলের ছোট ভাই আব্দুল ওয়াদুদ রতন ও মোস্তাফিজুর রহমান চয়নের ছোট ভাই ফজলে হাসান রাব্বির মাঝে তর্ক বাঁধে, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র হাতে পরস্পরের উপর আক্রমণ চালায়। আহতদের মধ্যে চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কদ্দুছ বাবুলের ছোট ভাই আব্দুল ওয়াদুদ রতন ও মোস্তাফিজুর রহমান চয়নও রয়েছেন।অনেকের অভিযোগ, প্রভাবশালীদের সমম্বয়ে গঠিত একটি সিন্ডিকেটের কারণে স্থানীয় হাটবাজার উপযুক্ত মূল্যে ইজারাদান সম্ভব হয় না। পরে প্রশাসনের যোগসাজশে স্বল্পমূল্যে খাস-কালেকশানের ইজারা পান তারা।
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ লুৎফুল হক বলেন, খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিস্থিতি শান্ত আছে। এখন পর্যন্ত থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
নেত্রকোণা প্রতিনিধি 






































