বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মায়ের বিরুদ্ধে মেয়েকে হত্যার অভিযোগ

খাদিজা আক্তার। ফাইল ফটো

এক কিশোরীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মায়ের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৪ জুন) কুমিল্লার বরুড়ায় উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের নলুয়া চাঁদপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই কিশোরীর নাম খাদিজা আক্তার (১৩)।

নিহত কিশোরী নলুয়া চাঁদপুর পশ্চিমপাড়া হাওলাদার বাড়ির জুলহাস মিয়া ও অভিযুক্ত খুরশিদা বেগম দম্পতির মেয়ে। সে নলুয়া চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সৈয়দ আহমেদ বাবলু জানান, যতটুকু জেনেছি খুরশিদা মানসিক ভারসাম্যহীন। সকাল থেকে ঘরে মা-মেয়ে দুইজনই ছিল। হঠাৎ মেয়ের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা গিয়ে দেখেন, ঘরের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে খাদিজা। তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুড়ালের কোপের চিহ্ন রয়েছে। পাশে পড়ে আছে কুড়ালটি। জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে পড়ে আছেন খুরশিদা।

বরুড়া থানার ওসি রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত খুরশিদা বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তদন্ত করে ঘটনার মূল রহস্য বের করা হবে।

জনপ্রিয়

বেনাপোল হাইস্কুলের শীক্ষার্থীদের খেলার মাঠকে ঈদগাহ করার চক্রান্ত রুখে দিবে জনতা

মায়ের বিরুদ্ধে মেয়েকে হত্যার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৩:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

এক কিশোরীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মায়ের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৪ জুন) কুমিল্লার বরুড়ায় উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের নলুয়া চাঁদপুর পশ্চিম পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই কিশোরীর নাম খাদিজা আক্তার (১৩)।

নিহত কিশোরী নলুয়া চাঁদপুর পশ্চিমপাড়া হাওলাদার বাড়ির জুলহাস মিয়া ও অভিযুক্ত খুরশিদা বেগম দম্পতির মেয়ে। সে নলুয়া চাঁদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সৈয়দ আহমেদ বাবলু জানান, যতটুকু জেনেছি খুরশিদা মানসিক ভারসাম্যহীন। সকাল থেকে ঘরে মা-মেয়ে দুইজনই ছিল। হঠাৎ মেয়ের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা গিয়ে দেখেন, ঘরের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে খাদিজা। তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুড়ালের কোপের চিহ্ন রয়েছে। পাশে পড়ে আছে কুড়ালটি। জ্ঞান হারিয়ে মেঝেতে পড়ে আছেন খুরশিদা।

বরুড়া থানার ওসি রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত খুরশিদা বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তদন্ত করে ঘটনার মূল রহস্য বের করা হবে।