বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশের শীর্ষ করদাতা কাউছ মিয়া মারা গেছেন

কাউছ মিয়া

দেশের শীর্ষ করদাতা, প্রবীণ ব্যবসায়ী তথা হাকিমপুরী জর্দার মালিক ও চাঁদপুরের কৃতি সন্তান হাজি মো. কাউছ মিয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার দিনগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

কাউছ মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুকালে হাজি মো. কাউছ মিয়ার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৮ ছেলে ও ৮ মেয়ে রেখে গেছেন কাউছ মিয়া।

আজ মঙ্গলবার বাদ জোহর আরমানিটোলা মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে কাউছ মিয়াকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

মরহুমের ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, বাবা বার্ধক্যের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সম্প্রতি সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসার পর দেশে আনা হয়। পুরান ঢাকার বাসভবনে শয্যাশায়ী ছিলেন। শনিবার বিকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আজগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে দুনিয়া থেকে চির বিদায় নেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে বাবার জন্য দোয়া চাচ্ছি। আল্লাহ যেন উনাকে জান্নাতবাসী করেন।

হাজি মোহাম্মদ কাউছ মিয়া চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন চাঁদপুর জেলা শহরের পুরান বাজারে ব্যবসা করেন। পরে হাজীগঞ্জে, সেখান থেকে নারায়ণগঞ্জ এবং পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় ব্যবসা করেন।

হাকিমপুরী জর্দার ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা ছিল কাউছ মিয়ার। ২২ বছর বয়স থেকে তিনি ব্যবসা শুরু করেন এবং টানা ৭১ বছর এককভাবে ব্যবসা পরিচালনা করেন।

চাঁদপুরের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, হাকিমপুরী জর্দার মালিক, দেশসেরা শীর্ষ করদাতা ও একজন দানশীল মানুষ হিসাবে হাজি মো. কাউছ মিয়ার সুনাম ছিল দেশ জুড়ে। তার মৃত্যুতে দেশের মানুষ একজন প্রবীণ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হারালো।

জনপ্রিয়

টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও আচরণবিধির লঙ্ঘন: মাহদী আমিন

দেশের শীর্ষ করদাতা কাউছ মিয়া মারা গেছেন

প্রকাশের সময় : ১২:২৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

দেশের শীর্ষ করদাতা, প্রবীণ ব্যবসায়ী তথা হাকিমপুরী জর্দার মালিক ও চাঁদপুরের কৃতি সন্তান হাজি মো. কাউছ মিয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার দিনগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

কাউছ মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুকালে হাজি মো. কাউছ মিয়ার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৮ ছেলে ও ৮ মেয়ে রেখে গেছেন কাউছ মিয়া।

আজ মঙ্গলবার বাদ জোহর আরমানিটোলা মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে কাউছ মিয়াকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

মরহুমের ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, বাবা বার্ধক্যের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সম্প্রতি সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসার পর দেশে আনা হয়। পুরান ঢাকার বাসভবনে শয্যাশায়ী ছিলেন। শনিবার বিকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আজগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে দুনিয়া থেকে চির বিদায় নেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে বাবার জন্য দোয়া চাচ্ছি। আল্লাহ যেন উনাকে জান্নাতবাসী করেন।

হাজি মোহাম্মদ কাউছ মিয়া চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন চাঁদপুর জেলা শহরের পুরান বাজারে ব্যবসা করেন। পরে হাজীগঞ্জে, সেখান থেকে নারায়ণগঞ্জ এবং পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় ব্যবসা করেন।

হাকিমপুরী জর্দার ব্যবসার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা ছিল কাউছ মিয়ার। ২২ বছর বয়স থেকে তিনি ব্যবসা শুরু করেন এবং টানা ৭১ বছর এককভাবে ব্যবসা পরিচালনা করেন।

চাঁদপুরের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, হাকিমপুরী জর্দার মালিক, দেশসেরা শীর্ষ করদাতা ও একজন দানশীল মানুষ হিসাবে হাজি মো. কাউছ মিয়ার সুনাম ছিল দেশ জুড়ে। তার মৃত্যুতে দেশের মানুষ একজন প্রবীণ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হারালো।