রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিতর্কে পরাজয় বাইডেনের, ট্রাম্পের সাথে টিকতে পারবেন?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) প্রথম টিভি বিতর্কে অংশ নেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিএনএন-এর আটলান্টা স্টুডিওতে ওই বিতর্কে তারা তীর্যক ভাষায় একে অপরকে ঘায়েল করার চেষ্টা করেন।

এ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ভালো করতে পারেননি বাইডেন। কথা বলতে গিয়ে বারবার হোঁচট খেয়েছেন। এই সুযোগে ট্রাম্প অনবরত একের পর এক যুক্তি দিয়ে বাইডেনকে নাস্তানাবুদ করেছেন।
 
বিতর্কের প্রথম আধা ঘণ্টায় বাইডেন কথা বলতে গিয়ে একাধিকবার হোঁচট খেয়েছেন। পরের ভাগে গিয়ে তিনি ট্রাম্পকে পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসের প্রসঙ্গ টেনে খোঁচা দেন। কিন্তু শেষ বিচারে বিতর্কে বাইডেনের পরাজয় হয়েছে। 
 
সিএনএনের তাৎক্ষণিক জরিপ অনুযায়ী, বিতর্ক দেখেছেন এমন নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে ৬৭ শতাংশ বলেছেন, বিতর্কে ট্রাম্প ভালো করেছেন। মাত্র ৩৩ শতাংশ উত্তরদাতা বাইডেনের পক্ষে মত দিয়েছেন।
 
বিতর্ক শুরুর আগে একই ভোটারদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ বলেছিলেন, বাইডেনের চেয়ে ট্রাম্প ভালো করবেন। আর বাইডেনের পক্ষে মত দিয়েছিলেন ৪৫ শতাংশ ভোটার।
 
সিএনএন যদিও বলেছে, জরিপে অংশ নেয়া ব্যক্তিরা দেশের সব ভোটারের মতামতের প্রতিনিধিত্ব করেন না। যারা বিতর্ক দেখেছেন ও এ জরিপে অংশ নিয়েছেন, শুধু তাদের মতামতই এ ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।
 
বিতর্কে বাইডেনের এমন কাণ্ডে তার নিজ দল ডেমোক্রেটিক পার্টির মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। নির্বাচনের আগে বাইডেনের এমন বাজে পারফরম্যান্সে দল ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলেও উদ্বিগ্ন তারা। এ ক্ষতি কীভাবে পোষানো যাবে তা নিয়ে কথাবার্তা শুরু হয়েছে।
 এরই মধ্যে কেউ কেউ বাইডেনকে সরিয়ে নির্বাচনে অন্য কাউকে প্রার্থী করার কথা বলছেন। কিছু ডেমোক্র্যাট বাইডেনের পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন। আবার বাইডেন নিজে থেকে সরে দাঁড়াবেন কিনা সেটি নিয়েও দলের মধ্যে কথা হচ্ছে।
 
 জো বাইডেনের বয়স এখন ৮১ বছর। অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান দলের প্রার্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স ৭৮ বছর। দুজনের বয়সই এবারের নির্বাচনে ভোটারদের কাছে উদ্বেগের একটি বড় বিষয়।
 
বাইডেন শিবির আশা করেছিল, বিতর্কে তাদের নেতা প্রাণবন্ত ও জোরাল বক্তব্য রাখলে তার বয়স ও স্বাস্থ্য নিয়ে ভোটারদের মধ্যে যে শঙ্কা তা দূর হবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয়নি। উল্টো বিতর্কের মাঝে বাইডেন তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। 
 
বাইডেনের বিতর্কের বিষয়ে হোয়াইট হাউস বলছে, বিতর্কে নামার আগে থেকে প্রেসিডেন্ট সর্দিতে ভুগছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তেমনটা দেখা যায়নি। 
 অতীতে বিভিন্ন সভা-সেমিনারে কথা বলতে গিয়ে বাইডেনকে প্রায়ই খেই হারিয়ে ফেলতে দেখা গেছে। ৯০ মিনিটের বিতর্কেও একইভাবে প্রতিপক্ষ ট্রাম্পকে মোকাবিলা করতে তিনি হিমশিম খেয়েছেন।
 
বাইডেনের এক শীর্ষ তহবিল যোগানদাতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, বিতর্কে প্রেসিডেন্ট বাইডেন ‘অযোগ্য’ প্রমাণিত হয়েছেন। আগামী আগস্টে মাসে দলের জাতীয় সম্মেলনের আগে বাইডেনকে ভোটের লড়াই থেকে সরে যেতে নতুন করে আহ্বান জানানো হবে বলে আশা করছেন তিনি।
 
 প্রেসিডেন্ট পদের জন্য সম্ভাব্য তিন ডেমোক্রেটিক প্রার্থীর ঘনিষ্ঠ তিন উপদেষ্টা বলেছেন, বিতর্ক চলার পুরো সময়টাতেই তাদের কাছে অসংখ্য ক্ষুদেবার্তা এসেছে। একজন উপদেষ্টা বলেন, বাইডেনের বিকল্প হিসেবে তাদের প্রার্থীকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়ে ক্ষুদেবার্তা এসেছে তাদের কাছে।
 মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র চার মাস আগে প্রার্থী বদলানোর সুযোগ কম। বাইডেন যদি নিজে থেকে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে না দাঁড়ান, তাহলে ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশনের প্রতিনিধিদেরকে প্রতিবাদ করতে হবে। এই প্রতিনিধিদের অধিকাংশই বাইডেনকে মনোনীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
 
বিতর্ক শেষে অবশ্য পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস। তিনি বাইডেনের পারফরম্যান্সকে ‘ধীরে শুরু’ বলে উল্লেখ করার পাশাপাশি ভোটারদের দুই প্রার্থীকে তাদের কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
 
সিএনএনকে হ্যারিস বলেন, যেখানে আমি (বাইডেনের) সাড়ে তিন বছরের কর্মকাণ্ড দেখেছি, সেখানে সবশেষ ৯০ মিনিট নিয়ে আমি পুরো রাত কাটিয়ে দিতে চাই না।
 
সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা ও সিএনএননের সিনিয়র রাজনৈতিক ভাষ্যকার ডেভিড এক্সলর্ড বলেন,বাইডেন বিতর্কের শুরুটা একটু ধাক্কা খাওয়ার মতোই। তার কথা শুনেও খানিকটা ধাক্কা খেতে হয়েছে। তাকে খানিকটা দিশেহারা মনে হয়েছে। তার (প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়াই) চালিয়ে যাওয়া উচিত হবে কি না, তা নিয়ে তর্কবিতর্ক হবে। চালিয়ে যাবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত একমাত্র তিনিই নিতে পারেন।

বাইডেনকে সরাতে হলে ডেমোক্রেটিক দলের সামনে এখন দুটো পথ খোলা আছে। প্রথমত, বাইডেনের সম্মতি। আর দ্বিতীয়ত, বাইডেনের ওপর থেকে প্রতিনিধিদের সমর্থন তুলে নেয়া।

 তবে বাইডেনের শীর্ষ মিত্ররা তাকে সরিয়ে দেয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। গ্যাভিন নিউসামকে ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে দেখেন অনেক ডেমোক্র্যাট। বাইডেনকে প্রচারণা বন্ধ করতে আহ্বান করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি ‘না’ জবাব দিয়েছেন।
 এমএসএনবিসি টিভি চ্যানেলে এক সাক্ষাৎকারে নিউসামকে বাইডেনের সরে যাওয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, একটি মাত্র পারফরম্যান্সের কারণে আপনি মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন না। তাই যদি হয় তাহলে সেটি কী ধরনের দল?
জনপ্রিয়

যশোরে সকালের বার্তা পত্রিকার প্রকাশনা উদ্বোধন

বিতর্কে পরাজয় বাইডেনের, ট্রাম্পের সাথে টিকতে পারবেন?

প্রকাশের সময় : ১১:২০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) প্রথম টিভি বিতর্কে অংশ নেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিএনএন-এর আটলান্টা স্টুডিওতে ওই বিতর্কে তারা তীর্যক ভাষায় একে অপরকে ঘায়েল করার চেষ্টা করেন।

এ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ভালো করতে পারেননি বাইডেন। কথা বলতে গিয়ে বারবার হোঁচট খেয়েছেন। এই সুযোগে ট্রাম্প অনবরত একের পর এক যুক্তি দিয়ে বাইডেনকে নাস্তানাবুদ করেছেন।
 
বিতর্কের প্রথম আধা ঘণ্টায় বাইডেন কথা বলতে গিয়ে একাধিকবার হোঁচট খেয়েছেন। পরের ভাগে গিয়ে তিনি ট্রাম্পকে পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসের প্রসঙ্গ টেনে খোঁচা দেন। কিন্তু শেষ বিচারে বিতর্কে বাইডেনের পরাজয় হয়েছে। 
 
সিএনএনের তাৎক্ষণিক জরিপ অনুযায়ী, বিতর্ক দেখেছেন এমন নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে ৬৭ শতাংশ বলেছেন, বিতর্কে ট্রাম্প ভালো করেছেন। মাত্র ৩৩ শতাংশ উত্তরদাতা বাইডেনের পক্ষে মত দিয়েছেন।
 
বিতর্ক শুরুর আগে একই ভোটারদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ বলেছিলেন, বাইডেনের চেয়ে ট্রাম্প ভালো করবেন। আর বাইডেনের পক্ষে মত দিয়েছিলেন ৪৫ শতাংশ ভোটার।
 
সিএনএন যদিও বলেছে, জরিপে অংশ নেয়া ব্যক্তিরা দেশের সব ভোটারের মতামতের প্রতিনিধিত্ব করেন না। যারা বিতর্ক দেখেছেন ও এ জরিপে অংশ নিয়েছেন, শুধু তাদের মতামতই এ ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে।
 
বিতর্কে বাইডেনের এমন কাণ্ডে তার নিজ দল ডেমোক্রেটিক পার্টির মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। নির্বাচনের আগে বাইডেনের এমন বাজে পারফরম্যান্সে দল ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলেও উদ্বিগ্ন তারা। এ ক্ষতি কীভাবে পোষানো যাবে তা নিয়ে কথাবার্তা শুরু হয়েছে।
 এরই মধ্যে কেউ কেউ বাইডেনকে সরিয়ে নির্বাচনে অন্য কাউকে প্রার্থী করার কথা বলছেন। কিছু ডেমোক্র্যাট বাইডেনের পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন। আবার বাইডেন নিজে থেকে সরে দাঁড়াবেন কিনা সেটি নিয়েও দলের মধ্যে কথা হচ্ছে।
 
 জো বাইডেনের বয়স এখন ৮১ বছর। অন্যদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান দলের প্রার্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স ৭৮ বছর। দুজনের বয়সই এবারের নির্বাচনে ভোটারদের কাছে উদ্বেগের একটি বড় বিষয়।
 
বাইডেন শিবির আশা করেছিল, বিতর্কে তাদের নেতা প্রাণবন্ত ও জোরাল বক্তব্য রাখলে তার বয়স ও স্বাস্থ্য নিয়ে ভোটারদের মধ্যে যে শঙ্কা তা দূর হবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয়নি। উল্টো বিতর্কের মাঝে বাইডেন তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। 
 
বাইডেনের বিতর্কের বিষয়ে হোয়াইট হাউস বলছে, বিতর্কে নামার আগে থেকে প্রেসিডেন্ট সর্দিতে ভুগছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তেমনটা দেখা যায়নি। 
 অতীতে বিভিন্ন সভা-সেমিনারে কথা বলতে গিয়ে বাইডেনকে প্রায়ই খেই হারিয়ে ফেলতে দেখা গেছে। ৯০ মিনিটের বিতর্কেও একইভাবে প্রতিপক্ষ ট্রাম্পকে মোকাবিলা করতে তিনি হিমশিম খেয়েছেন।
 
বাইডেনের এক শীর্ষ তহবিল যোগানদাতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, বিতর্কে প্রেসিডেন্ট বাইডেন ‘অযোগ্য’ প্রমাণিত হয়েছেন। আগামী আগস্টে মাসে দলের জাতীয় সম্মেলনের আগে বাইডেনকে ভোটের লড়াই থেকে সরে যেতে নতুন করে আহ্বান জানানো হবে বলে আশা করছেন তিনি।
 
 প্রেসিডেন্ট পদের জন্য সম্ভাব্য তিন ডেমোক্রেটিক প্রার্থীর ঘনিষ্ঠ তিন উপদেষ্টা বলেছেন, বিতর্ক চলার পুরো সময়টাতেই তাদের কাছে অসংখ্য ক্ষুদেবার্তা এসেছে। একজন উপদেষ্টা বলেন, বাইডেনের বিকল্প হিসেবে তাদের প্রার্থীকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়ে ক্ষুদেবার্তা এসেছে তাদের কাছে।
 মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র চার মাস আগে প্রার্থী বদলানোর সুযোগ কম। বাইডেন যদি নিজে থেকে নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে না দাঁড়ান, তাহলে ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশনের প্রতিনিধিদেরকে প্রতিবাদ করতে হবে। এই প্রতিনিধিদের অধিকাংশই বাইডেনকে মনোনীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
 
বিতর্ক শেষে অবশ্য পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস। তিনি বাইডেনের পারফরম্যান্সকে ‘ধীরে শুরু’ বলে উল্লেখ করার পাশাপাশি ভোটারদের দুই প্রার্থীকে তাদের কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
 
সিএনএনকে হ্যারিস বলেন, যেখানে আমি (বাইডেনের) সাড়ে তিন বছরের কর্মকাণ্ড দেখেছি, সেখানে সবশেষ ৯০ মিনিট নিয়ে আমি পুরো রাত কাটিয়ে দিতে চাই না।
 
সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা ও সিএনএননের সিনিয়র রাজনৈতিক ভাষ্যকার ডেভিড এক্সলর্ড বলেন,বাইডেন বিতর্কের শুরুটা একটু ধাক্কা খাওয়ার মতোই। তার কথা শুনেও খানিকটা ধাক্কা খেতে হয়েছে। তাকে খানিকটা দিশেহারা মনে হয়েছে। তার (প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়াই) চালিয়ে যাওয়া উচিত হবে কি না, তা নিয়ে তর্কবিতর্ক হবে। চালিয়ে যাবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত একমাত্র তিনিই নিতে পারেন।

বাইডেনকে সরাতে হলে ডেমোক্রেটিক দলের সামনে এখন দুটো পথ খোলা আছে। প্রথমত, বাইডেনের সম্মতি। আর দ্বিতীয়ত, বাইডেনের ওপর থেকে প্রতিনিধিদের সমর্থন তুলে নেয়া।

 তবে বাইডেনের শীর্ষ মিত্ররা তাকে সরিয়ে দেয়ার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। গ্যাভিন নিউসামকে ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে দেখেন অনেক ডেমোক্র্যাট। বাইডেনকে প্রচারণা বন্ধ করতে আহ্বান করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি ‘না’ জবাব দিয়েছেন।
 এমএসএনবিসি টিভি চ্যানেলে এক সাক্ষাৎকারে নিউসামকে বাইডেনের সরে যাওয়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, একটি মাত্র পারফরম্যান্সের কারণে আপনি মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন না। তাই যদি হয় তাহলে সেটি কী ধরনের দল?