
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া সাবান ফ্যাক্টরি থেকে ভূমি অফিস পর্যন্ত যাওয়ার রাস্তাটি বেহাল অবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাটি অবহেলিত পরে থাকার পরও সংস্কারের মুখ দেখেনি। বৃষ্টি ছাড়াও এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে কষ্ট হয় সাধারণ পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহন। আর বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই। হাঁটু পানি জমে যায় রাস্তার বিভিন্ন জায়গায়।
এলাকাবাসী বারবার এই বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান ও জনপ্রতিনিধিদের বলার পরও রাস্তাটির সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি । অত্যন্ত জন গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দিয়ে এই এলাকার ছাত্রছাত্রীর শিশু বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরা যাতায়াত করে থাকেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী আব্দুর রহিম বলেন, চুনকুটিয়ার মেইন সড়ক থেকে সাবান ফ্যাক্টরি হয়ে উপজেলার দিকে যাওয়া রাস্তাটি প্রশস্ত করার নামে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের ছোঁয়া লাগেনি । এই রাস্তায় কোথাও হাঁটু পানি কোথাও কোমর পানি জমে রয়েছে । আর অঝোর বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই । টানা বর্ষণে এলাকার অনেক স্থানে কোমর পানি পর্যন্ত জমে যায় । রাস্তাটির দুই পাশে রয়েছে বিভিন্ন বাড়িঘর ও মার্কেট। সাবান ফ্যাক্টরির মোড় থেকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ভূমি অফিসের যাওয়া পর্যন্ত রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় প্রায় ঘুরছে দুর্ঘটনা। বৃষ্টির সময় অনেক স্থানে যানবাহন উল্টে গিয়ে সাধারণ মানুষ আহত হচ্ছেন। এছাড়া এই রাস্তার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় পানি জমে থাকছে দীর্ঘদিন যাবত । এ ব্যাপারে এলাকাবাসী দুর্ভোগ পোহানোর পরও সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বছরের প্রায় তিন মাস এই রাস্তাটিতে পানি জমে থাকে।
এলাকাবাসী আরো জানিয়েছেন, মাঝেমধ্যে স্থানীয় ব্যক্তিরা দুই এক বস্তা বালু ফেলে রাস্তা চলাচলের জন্য চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যক্তিগত উদ্যোগে বৃহত্তম এ রাস্তার উন্নয়ন করা এলাকাবাসীর পক্ষে সম্ভব নয়।
এলাকার আরেকজন বাসিন্দা আব্দুল জব্বার বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বাররা জানিয়েছেন রাস্তাটি বড় করে তৈরি করা হবে তাই এই রাস্তাটি এখন সংস্কার করা হচ্ছে না। কিন্তু এই এলাকায় হাজার হাজার এলাকাবাসী বসবাস করছেন। তাদের চলাচলের চরম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে এই এলাকার রোগীদের চলাচল করতে অনেক অসুবিধা হচ্ছে। এলাকাবাসীর অবিলম্বে রাস্তাটি সংস্কার করে জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
দেলোয়ার হোসেন ,ঢাকা ব্যুরো চীফ 







































