সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংগীতশিল্পী জুয়েল লাইফ সাপোর্টে

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪
  • ১৩৩

ছবি-সংগৃহীত

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাতা হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে, জানিয়েছেন জুয়েলের স্ত্রী সঙ্গীতা। তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাতে বাসায় হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হয় জুয়েলের। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জুয়েলের স্ত্রী সঙ্গীতা বলেন, দোয়া করবেন সে যেন লাইফ সাপোর্ট থেকে ফিরে আসতে পারে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার প্লাটিলেট কমে গেছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে গেছে।

জানা গেছে, ২০১১ সালে তার লিভার ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর ফুসফুস এবং হাড়েও ক্যান্সার সংক্রমিত হয়। তখন থেকেই দেশে ও দেশের বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসাসেবা চলছিল।

১৯৯৩ সালে জুয়েলের প্রথম অ্যালবাম ‘কুয়াশা প্রহর’ প্রকাশিত হয়। এরপর একে একে প্রকাশিত হয় ‘এক বিকেলে (১৯৯৪)’, ‘আমার আছে অন্ধকার’ (১৯৯৫), ‘একটা মানুষ’ (১৯৯৬), ‘দেখা হবে না’ (১৯৯৭), ‘বেশি কিছু নয়’ (১৯৯৮), ‘বেদনা শুধুই বেদনা’ (১৯৯৯), ‘ফিরতি পথে’ (২০০৩), ‘দরজা খোলা বাড়ি’ (২০০৯) এবং ‘এমন কেন হলো’ (২০১৭)।

একটি করে গান নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে আরও দুটি অ্যালবাম ‘তাতে কি বা আসে যায়’ (২০১৬) এবং ‘এই সবুজের ধানক্ষেত’ (২০১৬)। ১০টি একক অ্যালবামের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘এক বিকেলে’ অ্যালবামটি। এটি প্রকাশের পর তার নাম হয়ে যায় ‘এক বিকেলের জুয়েল’।

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃপ্তি -হাসান ঐক্যবদ্ধ

সংগীতশিল্পী জুয়েল লাইফ সাপোর্টে

প্রকাশের সময় : ১১:৪৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুলাই ২০২৪

জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান নির্মাতা হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে, জানিয়েছেন জুয়েলের স্ত্রী সঙ্গীতা। তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) রাতে বাসায় হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হয় জুয়েলের। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জুয়েলের স্ত্রী সঙ্গীতা বলেন, দোয়া করবেন সে যেন লাইফ সাপোর্ট থেকে ফিরে আসতে পারে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার প্লাটিলেট কমে গেছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে গেছে।

জানা গেছে, ২০১১ সালে তার লিভার ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর ফুসফুস এবং হাড়েও ক্যান্সার সংক্রমিত হয়। তখন থেকেই দেশে ও দেশের বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসাসেবা চলছিল।

১৯৯৩ সালে জুয়েলের প্রথম অ্যালবাম ‘কুয়াশা প্রহর’ প্রকাশিত হয়। এরপর একে একে প্রকাশিত হয় ‘এক বিকেলে (১৯৯৪)’, ‘আমার আছে অন্ধকার’ (১৯৯৫), ‘একটা মানুষ’ (১৯৯৬), ‘দেখা হবে না’ (১৯৯৭), ‘বেশি কিছু নয়’ (১৯৯৮), ‘বেদনা শুধুই বেদনা’ (১৯৯৯), ‘ফিরতি পথে’ (২০০৩), ‘দরজা খোলা বাড়ি’ (২০০৯) এবং ‘এমন কেন হলো’ (২০১৭)।

একটি করে গান নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে আরও দুটি অ্যালবাম ‘তাতে কি বা আসে যায়’ (২০১৬) এবং ‘এই সবুজের ধানক্ষেত’ (২০১৬)। ১০টি একক অ্যালবামের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘এক বিকেলে’ অ্যালবামটি। এটি প্রকাশের পর তার নাম হয়ে যায় ‘এক বিকেলের জুয়েল’।