বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোরকা পরে পালানোর সময় যুবলীগ নেতাকে হত্যা

ছবি-সংগৃহীত

বোরকা পরে পালানোর সময় যুবলীগ নেতা মুশফিকুর রহিম মিশুকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক ছিলেন।

গতকাল মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সফরপুর গ্রামের কইন্নাখাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, যুবলীগ নেতা মুশফিকুর রহিম মিশু ধলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মুন্সির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। সোমবার শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশিত হলে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। খবর পেয়ে তিনি বাড়িতে আত্মগোপন করেন। এরপর সন্ধ্যায় একদল দুর্বৃত্ত মিশুর বাড়িতে হামলা চালালে তিনি প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যান। প্রাণ বাঁচাতে মিশু বোরকা পরে পালানোর সময় দুর্বৃত্তরা তাকে আটক করে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার পর মরদেহ খালে ফেলে দিয়েছে বলে এলাকাবাসীর ধারণা।

সফরপুর গ্রামের আবুল বারি বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর মিশুর স্ত্রী ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান। ঘটনাস্থলে পুলিশ অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ আসেনি।

সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুদ্বীপ রায় জানান, যে স্থানে মরদেহ পাওয়া গেছে সেটি ফেনী মডেল থানার আওতাধীন। তাই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারিনি।

এ বিষয়ে জানতে ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিনের যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

জনপ্রিয়

প্রশাসনে কোন দলের লোক থাকবে না উপদেষ্টা রিজওয়ান হাসান

বোরকা পরে পালানোর সময় যুবলীগ নেতাকে হত্যা

প্রকাশের সময় : ১২:১৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অগাস্ট ২০২৪

বোরকা পরে পালানোর সময় যুবলীগ নেতা মুশফিকুর রহিম মিশুকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক ছিলেন।

গতকাল মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের সফরপুর গ্রামের কইন্নাখাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, যুবলীগ নেতা মুশফিকুর রহিম মিশু ধলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মুন্সির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। সোমবার শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশিত হলে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। খবর পেয়ে তিনি বাড়িতে আত্মগোপন করেন। এরপর সন্ধ্যায় একদল দুর্বৃত্ত মিশুর বাড়িতে হামলা চালালে তিনি প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যান। প্রাণ বাঁচাতে মিশু বোরকা পরে পালানোর সময় দুর্বৃত্তরা তাকে আটক করে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার পর মরদেহ খালে ফেলে দিয়েছে বলে এলাকাবাসীর ধারণা।

সফরপুর গ্রামের আবুল বারি বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর মিশুর স্ত্রী ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান। ঘটনাস্থলে পুলিশ অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ আসেনি।

সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুদ্বীপ রায় জানান, যে স্থানে মরদেহ পাওয়া গেছে সেটি ফেনী মডেল থানার আওতাধীন। তাই আমরা ব্যবস্থা নিতে পারিনি।

এ বিষয়ে জানতে ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিনের যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।