বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির শান্তি মিছিল

ঠাকুরগাঁওয়ে শান্তি মিছিল করে বিএনপি। মঙ্গলবার বিকেলে শহরের কালিবাড়ি এলাকা থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের ছোট ভাই ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমীনের নেতৃত্বে মিছিলটি বের হয়ে শহীদ মোহাম্মদ আলী সড়ক হয়ে চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল শেষে সেখানে সংপ্তি বক্তব্য রাখেন মির্জা ফয়সল আমীন। তিনি বলেন, দেশ প্রেমিক ছাত্র জনতার গণঅভ্যূত্থানে স্বৈরাচার খুনি হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। দেশের মানুষ আজ স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করছে। বিজয়ের আনন্দ উৎযাপন করছে। কিন্তু সুযোগ সন্ধ্যানীরা ওৎ পেতে আছে। তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের পায়তারা করছে। বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনায় বিশেষ করে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, তাদের বাড়ি-ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরী করতে পারে। এ জন্য আমাদের সকলকে সজাগ থাকতে হবে। কেউ যেন এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে। আমাদের সকলকে পাহাড়াদারের ভ‚মিকা পালন করতে হবে। কারণ এই দেশ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের। সকলে মিলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে।
এ সময় জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আল মামুন আলম, অর্থ সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ, দপ্তর সম্পাদক মামুন অর রশিদ, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন তুহিন, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক তারেক আদনান, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, মহিলা দলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার পেরিস, জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারন সম্পাদক অ্যাড. এনতাজুল হকসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়

বিএনপি জনগণের ভোটে ক্ষমতায় যেতে চায়, পেছনের দরজা দিয়ে নয়: ডা. শাহাদাত 

ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির শান্তি মিছিল

প্রকাশের সময় : ০৩:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অগাস্ট ২০২৪
ঠাকুরগাঁওয়ে শান্তি মিছিল করে বিএনপি। মঙ্গলবার বিকেলে শহরের কালিবাড়ি এলাকা থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের ছোট ভাই ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফয়সল আমীনের নেতৃত্বে মিছিলটি বের হয়ে শহীদ মোহাম্মদ আলী সড়ক হয়ে চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল শেষে সেখানে সংপ্তি বক্তব্য রাখেন মির্জা ফয়সল আমীন। তিনি বলেন, দেশ প্রেমিক ছাত্র জনতার গণঅভ্যূত্থানে স্বৈরাচার খুনি হাসিনা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। দেশের মানুষ আজ স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করছে। বিজয়ের আনন্দ উৎযাপন করছে। কিন্তু সুযোগ সন্ধ্যানীরা ওৎ পেতে আছে। তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের পায়তারা করছে। বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনায় বিশেষ করে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, তাদের বাড়ি-ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরী করতে পারে। এ জন্য আমাদের সকলকে সজাগ থাকতে হবে। কেউ যেন এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে। আমাদের সকলকে পাহাড়াদারের ভ‚মিকা পালন করতে হবে। কারণ এই দেশ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের। সকলে মিলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মাধ্যমে দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে।
এ সময় জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আল মামুন আলম, অর্থ সম্পাদক ও পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ, দপ্তর সম্পাদক মামুন অর রশিদ, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন তুহিন, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক তারেক আদনান, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, মহিলা দলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার পেরিস, জেলা আইনজীবি সমিতির সাধারন সম্পাদক অ্যাড. এনতাজুল হকসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।