রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোটা আন্দোলনকারী হত্যার দ্রুত তদন্ত শুরু করবে জাতিসংঘ

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার বিষয়ে জাতিসংঘ শিগগিরই তদন্ত শুরু করবে বলে জানালেন সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক। আজ বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলাপকালে ভরকার তুর্ক বলেন, ছাত্র আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার বিষয়ে তদন্তের জন্য খুব শিগগিরই জাতিসংঘের নেতৃত্বে একটি তদন্ত শুরু করা হবে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের একটি দল শিগগিরই তদন্ত শুরু করতে বাংলাদেশ সফর করবে।

বুধবার বাংলাদেশের প্রধান অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করার জন্য প্রধান উপদেষ্টা তাকে এবং তার দীর্ঘদিনের বন্ধু জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে ধন্যবাদ জানান। এ আন্দোলনকালে ছাত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তার প্রশাসনের মূল ভিত্তি হবে মানবাধিকার রক্ষা এবং প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষা দেওয়া তার সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

প্রফেসর ইউনূস দেশের পুনর্গঠন এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছেন।

জনপ্রিয়

ফেসবুকে অশ্লীল ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল

কোটা আন্দোলনকারী হত্যার দ্রুত তদন্ত শুরু করবে জাতিসংঘ

প্রকাশের সময় : ১০:২৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার বিষয়ে জাতিসংঘ শিগগিরই তদন্ত শুরু করবে বলে জানালেন সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক। আজ বুধবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলাপকালে ভরকার তুর্ক বলেন, ছাত্র আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার বিষয়ে তদন্তের জন্য খুব শিগগিরই জাতিসংঘের নেতৃত্বে একটি তদন্ত শুরু করা হবে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের একটি দল শিগগিরই তদন্ত শুরু করতে বাংলাদেশ সফর করবে।

বুধবার বাংলাদেশের প্রধান অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করার জন্য প্রধান উপদেষ্টা তাকে এবং তার দীর্ঘদিনের বন্ধু জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে ধন্যবাদ জানান। এ আন্দোলনকালে ছাত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তার প্রশাসনের মূল ভিত্তি হবে মানবাধিকার রক্ষা এবং প্রতিটি নাগরিকের সুরক্ষা দেওয়া তার সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

প্রফেসর ইউনূস দেশের পুনর্গঠন এবং মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছেন।