শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের কাছে বিদ্যুতের ৮০০ মিলিয়ন ডলার পাবে আদানি

ছবি-সংগৃহীত

বাংলাদেশের কাছে ভারতীয় শীর্ষ ব্যবসায়ী গৌতম আদানির বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র আদানি পাওয়ারের প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া আছে সম্প্রতি ব্লুমবার্গ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের নবনিযুক্ত গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, টাকা না দিলে তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেবে।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ সরবরাহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন জানান, আদানি গ্রুপের এখন পর্যন্ত সরবরাহ লাইন বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে বাংলাদেশ বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করলে প্রতিষ্ঠানটি (আদানি) ঋণদাতা এবং কয়লা সরবরাহকারীদের চাপে পড়বে।

এ সমস্যা সমাধানে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে বলেও জানিয়েছে তারা।

বাংলাদেশের কাছে তাদের পাওনা সম্পর্কে জানতে চেয়ে আদানি গ্রুপের একজন প্রতিনিধির কাছে করা ই-মেইলের জবাব পাওয়া যায়নি।

অর্থ পরিশোধে এই বিলম্বের ফলে আদানি গ্রুপ যে আর্থিক ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। কারণ আদানি গ্রুপ এখন বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ, যেমন: শ্রীলংকা, ভুটান ও নেপালসহ সারাবিশ্বে নিজেকে প্রসারিত করছে।

২০২২ সালে গৌতম আদানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে গোড্ডায় বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হওয়া এবং বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশ রূপকল্পের প্রশংসা করে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। গত বছরের এপ্রিলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে।

জনপ্রিয়

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান পাহলভির

বাংলাদেশের কাছে বিদ্যুতের ৮০০ মিলিয়ন ডলার পাবে আদানি

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৪

বাংলাদেশের কাছে ভারতীয় শীর্ষ ব্যবসায়ী গৌতম আদানির বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র আদানি পাওয়ারের প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া আছে সম্প্রতি ব্লুমবার্গ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের নবনিযুক্ত গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, টাকা না দিলে তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেবে।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ সরবরাহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন জানান, আদানি গ্রুপের এখন পর্যন্ত সরবরাহ লাইন বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে বাংলাদেশ বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করলে প্রতিষ্ঠানটি (আদানি) ঋণদাতা এবং কয়লা সরবরাহকারীদের চাপে পড়বে।

এ সমস্যা সমাধানে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে বলেও জানিয়েছে তারা।

বাংলাদেশের কাছে তাদের পাওনা সম্পর্কে জানতে চেয়ে আদানি গ্রুপের একজন প্রতিনিধির কাছে করা ই-মেইলের জবাব পাওয়া যায়নি।

অর্থ পরিশোধে এই বিলম্বের ফলে আদানি গ্রুপ যে আর্থিক ও ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। কারণ আদানি গ্রুপ এখন বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ, যেমন: শ্রীলংকা, ভুটান ও নেপালসহ সারাবিশ্বে নিজেকে প্রসারিত করছে।

২০২২ সালে গৌতম আদানি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে গোড্ডায় বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হওয়া এবং বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশ রূপকল্পের প্রশংসা করে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। গত বছরের এপ্রিলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে।