বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিপৎসীমার নিচে নামল গোমতীর পানি

ছবি-সংগৃহীত

বিপৎসীমার নিচে নেমে গেছে কুমিল্লার গোমতি ছাড়া অধিকাংশ নদীর পানি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বন্যা পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র। বর্তমানে নদীটির পানি বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে এ তথ্য জানিয়েছেন কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মো. ওয়ালিউজ্জামান। তিনি জানান, গোমতী নদীর পানি কমছে। বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে।

এর আগে, গত ২২ আগস্ট রাতে গোমতীর পানি বিপৎসীমার স্মরণকালের সর্বোচ্চ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। সেদিন রাতে পানি বিপৎসীমার ১৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ওইদিন দিবাগত রাত ১২টার দিকে নদীর বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের বুড়বুড়িয়া এলাকার বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানির প্রবাহ বাড়ে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে।

বাঁধ ভাঙার পর থেকে কমতে থাকে গোমতীর পানি। পরদিন শুক্রবার ও শনিবার বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার কমতে থাকে। রোববার ও সোমবার ৩-৭ সেন্টিমিটার কমে প্রবাহিত হয়। সোমবার পর্যন্ত পানির প্রবাহ ছিল বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপরে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বিপৎসীমার সমান হয় এ নদীর পানি।

জনপ্রিয়

বেনাপোল পৌরবাসী যুবদল নেতা মোস্তাফিজ্জোহা সেলিমকে মেয়র প্রার্থী দেখতে চান

বিপৎসীমার নিচে নামল গোমতীর পানি

প্রকাশের সময় : ১০:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪

বিপৎসীমার নিচে নেমে গেছে কুমিল্লার গোমতি ছাড়া অধিকাংশ নদীর পানি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বন্যা পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র। বর্তমানে নদীটির পানি বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে এ তথ্য জানিয়েছেন কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মো. ওয়ালিউজ্জামান। তিনি জানান, গোমতী নদীর পানি কমছে। বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যাচ্ছে।

এর আগে, গত ২২ আগস্ট রাতে গোমতীর পানি বিপৎসীমার স্মরণকালের সর্বোচ্চ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। সেদিন রাতে পানি বিপৎসীমার ১৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ওইদিন দিবাগত রাত ১২টার দিকে নদীর বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের বুড়বুড়িয়া এলাকার বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানির প্রবাহ বাড়ে। ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে।

বাঁধ ভাঙার পর থেকে কমতে থাকে গোমতীর পানি। পরদিন শুক্রবার ও শনিবার বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার কমতে থাকে। রোববার ও সোমবার ৩-৭ সেন্টিমিটার কমে প্রবাহিত হয়। সোমবার পর্যন্ত পানির প্রবাহ ছিল বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপরে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বিপৎসীমার সমান হয় এ নদীর পানি।