বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুড়ীতে আওয়ামী লীগের ৬৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা 

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৬৩ নেতাকর্মীর নামে থানায় মামলা হয়েছে। গত সোমবার (২৬ আগস্ট) তারেক মিয়া নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সমম্বয়ক বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বাদী ও মামলার এজাহার সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ১৬ জুলাই এবং ৩ ও ৪ আগস্ট জুড়ী শহরে কর্মসূচি পালনকালে তিনদিনই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে ৩ আগস্ট শিক্ষার্থীরা একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দেন। একপর্যায়ে হামলা চালিয়ে সবাইকে ছত্রভঙ্গ করে শিক্ষার্থীদের মারধর করা হয়। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। সেই হামলার নির্দেশদাতা ও হামলায় জড়িত এজাহারে নাম থাকা উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মাসুক মিয়া, জুড়ী উপজেলা পরিষদের সদ্য অপসারিত চেয়ারম্যান কিশোর রায় চৌধুরী মনি, ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ ওরফে জুয়েল রানা, পশ্চিম জুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আনফর আলী, সাগরনাল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুন নুর, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদ্য অপসারিত সদস্য বদরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আহমেদ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও ইত্তেফাকের জুড়ী প্রতিনিধি কামরুল হাসান নোমান, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও সমকালের জুড়ী প্রতিনিধি বেলাল আহমেদ প্রমূখ। জুড়ী থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

জুড়ীতে আওয়ামী লীগের ৬৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা 

প্রকাশের সময় : ০৮:২৬:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ৬৩ নেতাকর্মীর নামে থানায় মামলা হয়েছে। গত সোমবার (২৬ আগস্ট) তারেক মিয়া নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সমম্বয়ক বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বাদী ও মামলার এজাহার সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ১৬ জুলাই এবং ৩ ও ৪ আগস্ট জুড়ী শহরে কর্মসূচি পালনকালে তিনদিনই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে ৩ আগস্ট শিক্ষার্থীরা একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দেন। একপর্যায়ে হামলা চালিয়ে সবাইকে ছত্রভঙ্গ করে শিক্ষার্থীদের মারধর করা হয়। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। সেই হামলার নির্দেশদাতা ও হামলায় জড়িত এজাহারে নাম থাকা উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মাসুক মিয়া, জুড়ী উপজেলা পরিষদের সদ্য অপসারিত চেয়ারম্যান কিশোর রায় চৌধুরী মনি, ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ ওরফে জুয়েল রানা, পশ্চিম জুড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আনফর আলী, সাগরনাল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুন নুর, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদ্য অপসারিত সদস্য বদরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাহাব উদ্দিন সাবেল, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আহমেদ, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও ইত্তেফাকের জুড়ী প্রতিনিধি কামরুল হাসান নোমান, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও সমকালের জুড়ী প্রতিনিধি বেলাল আহমেদ প্রমূখ। জুড়ী থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।