রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কারাগারে গলায় লুঙ্গি পেঁচিয়ে হাজতির আত্মহত্যা

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার

গলায় লুঙ্গি পেঁচিয়ে ফজল আমিন (৫৮) নামে এক হাজতি আত্মহত্যা করেছেন।

গতকাল শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. শাখাওয়াত হোসেন।

ফজল আমিন সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, বিকেলে গলায় লুঙ্গি পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ফজল আমিন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলার মো. শাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ফজল আমিন মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। চিকিৎসার জন্য গত ৩ আগস্ট সুনামগঞ্জ কারাগার থেকে তাকে সিলেট কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক সৌমিত্র চক্রবর্তী বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এক হাজতিকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এর আগে, গত ৩ জুন একই কারাগারে ইউনুস আলী নামে আরেক হাজতি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। ওই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই কারারক্ষী ও একজন সহকারী হেড ওয়ার্ডকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।

জনপ্রিয়

যশোরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে অগ্রগতি, গণসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা চাওয়া

কারাগারে গলায় লুঙ্গি পেঁচিয়ে হাজতির আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ০৩:০১:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৪

গলায় লুঙ্গি পেঁচিয়ে ফজল আমিন (৫৮) নামে এক হাজতি আত্মহত্যা করেছেন।

গতকাল শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. শাখাওয়াত হোসেন।

ফজল আমিন সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, বিকেলে গলায় লুঙ্গি পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ফজল আমিন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলার মো. শাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ফজল আমিন মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। চিকিৎসার জন্য গত ৩ আগস্ট সুনামগঞ্জ কারাগার থেকে তাকে সিলেট কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক সৌমিত্র চক্রবর্তী বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এক হাজতিকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এর আগে, গত ৩ জুন একই কারাগারে ইউনুস আলী নামে আরেক হাজতি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। ওই ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই কারারক্ষী ও একজন সহকারী হেড ওয়ার্ডকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।