মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুতের পাওনা চেয়ে ড. ইউনূসকে আদানির চিঠি

ফাইল ছবি

বিদ্যুতের বকেয়া ৮০ কোটি ডলার দ্রুত পরিশোধের অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চিঠি দিয়েছেন গৌতম আদানি।

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি গ্রুপের আদানি পাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাবদ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে আদানি গ্রুপের এই বকেয়া পাওনা রয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২৭ আগস্ট তারিখ উল্লেখ করা চিঠিটির কপিটি হাতে পেয়েছে ইকোনমিক টাইমস। ওই চিঠিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে গৌতম আদানি বলেন,  ‘আমরা যখন বাংলাদেশকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বজায় রাখছি, সেই সময়ে ঋণদাতারা আমাদের ওপর কঠোর হচ্ছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে থেকে আমরা যে ৮০ কোটি ডলার পাই, সেই অর্থ দ্রুত পরিশোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে আপনাকে অনুরোধ করছি।’

গৌতম আদানি আরও বলেন, বিদ্যুৎ বিক্রি বাবদ যে পাওনা হয়, তা নিয়মিত ভিত্তিতে পরিশোধ করার জন্যও তিনি অনুরোধ করছেন।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট ইকোনোমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে আদানি পাওয়ার ৮-৯ মাসের বিদ্যুতের দাম বাবদ প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার পাবে।

ঝাড়খান্ডের গড্ডায় অবস্থিত ১৬০০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আদানি গোষ্ঠী বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। একটি নির্দিষ্ট সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে গত জুন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।

গৌতম আদানি বলেন, একটি আধুনিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় সঞ্চালনব্যবস্থা তৈরি করতে আদানি পাওয়ার ২০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। চিঠিতে তিনি বলেন, ‘আপনার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতি আমি আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনরায় ব্যক্ত করছি।’

ভারতীয় এই ধনকুবের আরও বলেন, তার কোম্পানি রূপচাঁদা, মেইজান ও ফরচুনের মতো জনপ্রিয় ভোজ্যতেল ও উন্নত মানের চালের ব্র্যান্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তায় ভূমিকা রাখছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও অংশীজনের কাছ থেকে তার কোম্পানি যে সমর্থন ও সহযোগিতা পান, তিনি তার প্রশংসাও করেন।

জনপ্রিয়

ইচ্ছামতো চাঁদাবাজি চলছে রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় সূর্য মেলায়

বিদ্যুতের পাওনা চেয়ে ড. ইউনূসকে আদানির চিঠি

প্রকাশের সময় : ০৯:২২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বিদ্যুতের বকেয়া ৮০ কোটি ডলার দ্রুত পরিশোধের অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চিঠি দিয়েছেন গৌতম আদানি।

ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডায় আদানি গ্রুপের আদানি পাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাবদ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে আদানি গ্রুপের এই বকেয়া পাওনা রয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২৭ আগস্ট তারিখ উল্লেখ করা চিঠিটির কপিটি হাতে পেয়েছে ইকোনমিক টাইমস। ওই চিঠিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে গৌতম আদানি বলেন,  ‘আমরা যখন বাংলাদেশকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বজায় রাখছি, সেই সময়ে ঋণদাতারা আমাদের ওপর কঠোর হচ্ছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে থেকে আমরা যে ৮০ কোটি ডলার পাই, সেই অর্থ দ্রুত পরিশোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে আপনাকে অনুরোধ করছি।’

গৌতম আদানি আরও বলেন, বিদ্যুৎ বিক্রি বাবদ যে পাওনা হয়, তা নিয়মিত ভিত্তিতে পরিশোধ করার জন্যও তিনি অনুরোধ করছেন।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট ইকোনোমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কাছে আদানি পাওয়ার ৮-৯ মাসের বিদ্যুতের দাম বাবদ প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার পাবে।

ঝাড়খান্ডের গড্ডায় অবস্থিত ১৬০০ মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আদানি গোষ্ঠী বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। একটি নির্দিষ্ট সঞ্চালন লাইনের মাধ্যমে গত জুন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।

গৌতম আদানি বলেন, একটি আধুনিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় সঞ্চালনব্যবস্থা তৈরি করতে আদানি পাওয়ার ২০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। চিঠিতে তিনি বলেন, ‘আপনার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতি আমি আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনরায় ব্যক্ত করছি।’

ভারতীয় এই ধনকুবের আরও বলেন, তার কোম্পানি রূপচাঁদা, মেইজান ও ফরচুনের মতো জনপ্রিয় ভোজ্যতেল ও উন্নত মানের চালের ব্র্যান্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তায় ভূমিকা রাখছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও অংশীজনের কাছ থেকে তার কোম্পানি যে সমর্থন ও সহযোগিতা পান, তিনি তার প্রশংসাও করেন।