শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভালোবাসা থাকলেও সম্পর্কে কেন সুখী নন?

ছবি-সংগৃহীত

ভালোবেসে দুজন মানুষ একসঙ্গে চলার সিদ্ধান্ত নেয়। শুরুতে সব সুন্দর থাকলেও সয়য়ের সঙ্গে অনেক সময় মনের ভেতর বাড়তে থাকে অশান্তি। অনেক সময় দেখা যায় ভালোবাসা থাকলেও সেখানে সুখ নেই। অনেক সময় দেখা যায় দুজনের প্রতি ভালোবাসা থাকলেও সেখানে সম্পর্কে শান্তি থাকে না। এর পেছনে বেশ কিছু কারণ উঠে এসেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।

অন্য সম্পর্কের সঙ্গে তুলনা

 প্রত্যেক সম্পর্কের সমীকরণ আলাদা আলাদা। আর সেই কথা আপনাকে ভালোভাবে বুঝতে হবে। আপনার প্রেমে যে বিশেষ বিষয়গুলি রয়েছে, অন্য সম্পর্কে সেটা নেই। তাই অন্যান্য যুগলের রসায়ন দেখে নিজেদের সঙ্গে তুলনা করা বোকামি। আপনি যতদিন অন্যদের সঙ্গে নিজেদের তুলনা করবেন, ততদিন আপনার মন খারাপ লাগবে। সম্পর্কে সুখী নন বলেই মনে হবে।

ভালো হওয়ার চেষ্টা

প্রেমের সম্পর্কের প্রতি আমাদের প্রত্যেকের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা। তাই সঙ্গীর সঙ্গে আপনার মতের মিল না হতেই পারে। কিন্তু প্রতিটা সময়ে নিজের ইচ্ছাকে আড়াল করে প্রেমিকের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া ঠিক না। এতে আপনি তার সামনে ভালো হয়ে ওঠেন ঠিকই, কিন্তু এর সুদূরপ্রসারী ফল ভালো হয় না। স্বাভাবিকভাবেই একদিন আপনার নিজেকে অসুখী মনে হয়। তাই সবসময় ভালো হওয়ার চেষ্টা না করাই ভালো।

সবাইকে খুশি করতে চাওয়া

 আপনি চাইলে সবাইকে খুশি করতে পারবেন না। এটা সম্ভব না। কিন্তু অন্য কেউ যে আপনার মধ্যে কোনও খুঁত পাবেন না, এমন কিন্তু নয়। তবে আপনি সেটা মেনে নিতে পারেন না। সবাইকে একসঙ্গে ভালো রাখতে গিয়ে আপনি নিজের দিকে নজর দিতে পারেন না। আর তাই মাঝেমাঝেই ক্লান্তবোধ করেন। সেই সময়ে সম্পর্কের প্রতি আপনার প্রত্যাশা বাড়ে। সেই আশা পূরণ না হলে আপনার মনখারাপ লাগে।

ব্যক্তিগত-কর্মজীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখা

 প্রত্যেকেরই কর্মজীবনে চাপ থাকে। অনেক সময় কাজের মধ্যে নিজের জন্য সময় বের করা কষ্টকর হয়ে যায়। তখন দেখা যায় ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিজীবন দুই সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। সেই সময় মনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। তাই ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে।

সঙ্গীর ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেয়া

সঙ্গীর ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেয়া অন্যায় নয়। তবে সবসময় সঙ্গীরর ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে নিজের ভালো লাগাকে দূরে সরিয়ে দেওয়া উচিত নয়। আপনি একদিন কিংবা দুদিন এটিকে হাসিমুখে গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু সব সময় নয়। আর সে কারণেই এক সময়ে আপনার বিরক্তি লাগতে শুরু করে। তবে আপনি প্রকাশ করতে পারেন না। তখন দুঃখ পেতে পারেন।

জনপ্রিয়

কুমিল্লা-৪: হাসনাত আব্দুল্লাহ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত

ভালোবাসা থাকলেও সম্পর্কে কেন সুখী নন?

প্রকাশের সময় : ১১:১৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ভালোবেসে দুজন মানুষ একসঙ্গে চলার সিদ্ধান্ত নেয়। শুরুতে সব সুন্দর থাকলেও সয়য়ের সঙ্গে অনেক সময় মনের ভেতর বাড়তে থাকে অশান্তি। অনেক সময় দেখা যায় ভালোবাসা থাকলেও সেখানে সুখ নেই। অনেক সময় দেখা যায় দুজনের প্রতি ভালোবাসা থাকলেও সেখানে সম্পর্কে শান্তি থাকে না। এর পেছনে বেশ কিছু কারণ উঠে এসেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।

অন্য সম্পর্কের সঙ্গে তুলনা

 প্রত্যেক সম্পর্কের সমীকরণ আলাদা আলাদা। আর সেই কথা আপনাকে ভালোভাবে বুঝতে হবে। আপনার প্রেমে যে বিশেষ বিষয়গুলি রয়েছে, অন্য সম্পর্কে সেটা নেই। তাই অন্যান্য যুগলের রসায়ন দেখে নিজেদের সঙ্গে তুলনা করা বোকামি। আপনি যতদিন অন্যদের সঙ্গে নিজেদের তুলনা করবেন, ততদিন আপনার মন খারাপ লাগবে। সম্পর্কে সুখী নন বলেই মনে হবে।

ভালো হওয়ার চেষ্টা

প্রেমের সম্পর্কের প্রতি আমাদের প্রত্যেকের দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা। তাই সঙ্গীর সঙ্গে আপনার মতের মিল না হতেই পারে। কিন্তু প্রতিটা সময়ে নিজের ইচ্ছাকে আড়াল করে প্রেমিকের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া ঠিক না। এতে আপনি তার সামনে ভালো হয়ে ওঠেন ঠিকই, কিন্তু এর সুদূরপ্রসারী ফল ভালো হয় না। স্বাভাবিকভাবেই একদিন আপনার নিজেকে অসুখী মনে হয়। তাই সবসময় ভালো হওয়ার চেষ্টা না করাই ভালো।

সবাইকে খুশি করতে চাওয়া

 আপনি চাইলে সবাইকে খুশি করতে পারবেন না। এটা সম্ভব না। কিন্তু অন্য কেউ যে আপনার মধ্যে কোনও খুঁত পাবেন না, এমন কিন্তু নয়। তবে আপনি সেটা মেনে নিতে পারেন না। সবাইকে একসঙ্গে ভালো রাখতে গিয়ে আপনি নিজের দিকে নজর দিতে পারেন না। আর তাই মাঝেমাঝেই ক্লান্তবোধ করেন। সেই সময়ে সম্পর্কের প্রতি আপনার প্রত্যাশা বাড়ে। সেই আশা পূরণ না হলে আপনার মনখারাপ লাগে।

ব্যক্তিগত-কর্মজীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখা

 প্রত্যেকেরই কর্মজীবনে চাপ থাকে। অনেক সময় কাজের মধ্যে নিজের জন্য সময় বের করা কষ্টকর হয়ে যায়। তখন দেখা যায় ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিজীবন দুই সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। সেই সময় মনের মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। তাই ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে।

সঙ্গীর ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেয়া

সঙ্গীর ইচ্ছাকে গুরুত্ব দেয়া অন্যায় নয়। তবে সবসময় সঙ্গীরর ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে নিজের ভালো লাগাকে দূরে সরিয়ে দেওয়া উচিত নয়। আপনি একদিন কিংবা দুদিন এটিকে হাসিমুখে গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু সব সময় নয়। আর সে কারণেই এক সময়ে আপনার বিরক্তি লাগতে শুরু করে। তবে আপনি প্রকাশ করতে পারেন না। তখন দুঃখ পেতে পারেন।