শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংবাদ প্রকাশের পর বাস্তবায়ন হলো সেই কালভার্টের কাজ 

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার নিশ্চিন্তা-পাঠানপাড়া সড়কে নওটিকা গ্রামের প্রবেশ রাস্তার মুখে নির্মিত কালভার্টের বেশির ভাগ ঢালাই ভেঙে তৈরি হয়েছিলো বিশাল এক গর্ত। এতে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পোহাতে হয়েছে  হাজারো মানুষকে। প্রায়ই ঘটেছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সড়কের মধ্যভাগে গর্ত হওয়ায় এলাকাবাসীর কাছে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছিলো কালভার্টটি। তবে সেই কালভার্টের  মরণ ফাঁদটি মেরামত করেছে কর্তৃপক্ষ। আর এতে স্বস্তি মিলেছে জনমনে।
জানা গেছে, ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের নওটিকা-কেশুরতা বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় নির্মিত এই কালভার্ট দিয়ে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত চলাচল করে। কালভার্টটিতে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছিলো। ফলে স্কুলের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় কাজ, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং রোগী নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে বেশ ঝামেলা পোহাতে হচ্ছিলো।
এনিয়ে “রাস্তা যেন মরণ ফাঁদ” শিরোনামে দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর সংবাদ প্রকাশ হয়। এছাড়া অন্য গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হলে তা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপর দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজের বাস্তবতায়ন করা হয়।
এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, প্রতিদিন সড়কটি ব্যবহার করে কয়েক হাজার মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যে যায়। ভারি যান চলাচলে এ রাস্তায় এখন গর্ত তৈরি হয়েছিলো। এতে  চরম জনদুর্ভোগে ছিলাম আমরা। তবে এখন এটি সংস্কার করেছে কর্তৃপক্ষ।  এতে আমাদের সাধারণ মানুষের জন্য খুবই উপকার হয়েছে।
বড়তারা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) মোশাররফ হোসেন বলেন, ইতিমধ্যেই কালভার্টের কাজ শেষ হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা এখন আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবে।
এবিষয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা প্রকৌশলী রাশেদ ইমরান বলেন, কালভার্ট মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা করা হয় এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই তার বাস্তবতায়ন করা হয়েছে।
জনপ্রিয়

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান পাহলভির

সংবাদ প্রকাশের পর বাস্তবায়ন হলো সেই কালভার্টের কাজ 

প্রকাশের সময় : ০৬:০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার নিশ্চিন্তা-পাঠানপাড়া সড়কে নওটিকা গ্রামের প্রবেশ রাস্তার মুখে নির্মিত কালভার্টের বেশির ভাগ ঢালাই ভেঙে তৈরি হয়েছিলো বিশাল এক গর্ত। এতে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পোহাতে হয়েছে  হাজারো মানুষকে। প্রায়ই ঘটেছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সড়কের মধ্যভাগে গর্ত হওয়ায় এলাকাবাসীর কাছে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছিলো কালভার্টটি। তবে সেই কালভার্টের  মরণ ফাঁদটি মেরামত করেছে কর্তৃপক্ষ। আর এতে স্বস্তি মিলেছে জনমনে।
জানা গেছে, ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা ইউনিয়নের নওটিকা-কেশুরতা বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় নির্মিত এই কালভার্ট দিয়ে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত চলাচল করে। কালভার্টটিতে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হয়েছিলো। ফলে স্কুলের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় কাজ, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং রোগী নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতে বেশ ঝামেলা পোহাতে হচ্ছিলো।
এনিয়ে “রাস্তা যেন মরণ ফাঁদ” শিরোনামে দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর সংবাদ প্রকাশ হয়। এছাড়া অন্য গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হলে তা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপর দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজের বাস্তবতায়ন করা হয়।
এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম বলেন, প্রতিদিন সড়কটি ব্যবহার করে কয়েক হাজার মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যে যায়। ভারি যান চলাচলে এ রাস্তায় এখন গর্ত তৈরি হয়েছিলো। এতে  চরম জনদুর্ভোগে ছিলাম আমরা। তবে এখন এটি সংস্কার করেছে কর্তৃপক্ষ।  এতে আমাদের সাধারণ মানুষের জন্য খুবই উপকার হয়েছে।
বড়তারা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) মোশাররফ হোসেন বলেন, ইতিমধ্যেই কালভার্টের কাজ শেষ হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা এখন আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবে।
এবিষয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা প্রকৌশলী রাশেদ ইমরান বলেন, কালভার্ট মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা করা হয় এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই তার বাস্তবতায়ন করা হয়েছে।