রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রাণ খুলে হাসুন

ছবি-সংগৃহীত

হাসি শরীর ও মনের জন্য ভালো, মানসিক চাপ কমে ও হার্টের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। ইতিবাচক পরিস্থিতিতে সবাই হাসতে পারে, নেতিবাচক পরিস্থিতিতেও যারা হাসতে পারে, তারাই দিনের শেষে জয়ী। দিনে যদি ১০ মিনিটও কেউ মন খুলে হাসে, তা হলে যে কোনো স্নায়বিক সমস্যা দূর হতে পারে। আবার  হাসির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে চিরযৌবনের রহস্য। শুধু হাসিমুখ আর মনের আনন্দ ধরে রাখতে পারলেই বয়সের বিরুদ্ধে অসম লড়াইয়ে অর্ধেক জিতে যাবেন। হাসার উপকারিতা অনেক। তাই হাসতে হাসতেই জেনে নেই এর সুফল…

 প্রাণ খোলা হাসি মানসিক চাপ, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা কমিয়ে দেয়। বর্তমান সময়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লড়াইয়ে মনের ওপর চাপ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে মন ভালো রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। হাসলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল ও এপিনেফ্রিনের ক্ষরণ কমে যায় এবং সুখী হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে। হাসি-খুশি থাকা মানুষ ঠাণ্ডা মাথায় অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে লড়াই করতে পারে।

হাসতে থাকা মানুষ শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে সবসময়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করে এবং যে কোনো রোগের সঙ্গে লড়াই করতে সহায়তা করে। এছাড়া হাসি এক ধরনের ব্যায়াম, যা শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ায়।

হাসলে এন্ডোরফিন ও সেরোটোনিন নামক দুটি হরমোন নিঃসরণ হয়। এই দুটি হরমোন সঠিকভাবে নিঃসরণ হলে পেশির শক্তি বাড়ে। এর ফলে সহ্যশক্তি বাড়ে, গাঁটে গাঁটে ব্যথাবেদনা কমে, মানসিক চাপও কমে যায়।

প্রাণ খুলে হাসলে পেশি শিথিল হয় এবং এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। হৃৎপিণ্ডের পেশিগুলোর ব্যায়ামও হবে। ফলে হার্টের রোগের ঝুঁকি অনেক কমে যাবে; রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মানসিক চাপ না থাকলে স্বাভাবিকভাবেই স্নায়ু শান্ত এবং শীতল হয়ে যায়। এর ফলে কোনো শারীরিক সমস্যা ধারে-কাছে ঘেঁষতে পারে না।

রোজ ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাসলে ৪০ ক্যালরি পর্যন্ত ক্ষয় হতে পারে। শারীরিক কসরত করার তুলনায় এই ক্যালোরি কমার পরিমাণ কম; কিন্তু অন্য উপকার পাওয়ার জন্য মুখে হাসি থাকা খুবই প্রয়োজন।

হাসির সময় মুখের টিস্যু আর পেশিগুলো বেঁকেচুরে যায়, যা অনেকটা ফেসিয়াল ব্যায়ামের মতো কাজ করে। মুখের টিস্যু আর পেশি এর ফলে টানটান, সতেজ থাকে এবং মুখের ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখে। ফলে মুখে বলিরেখার প্রকোপ অনেক কম পড়ে।

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃপ্তি -হাসান ঐক্যবদ্ধ

প্রাণ খুলে হাসুন

প্রকাশের সময় : ১২:২০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪

হাসি শরীর ও মনের জন্য ভালো, মানসিক চাপ কমে ও হার্টের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। ইতিবাচক পরিস্থিতিতে সবাই হাসতে পারে, নেতিবাচক পরিস্থিতিতেও যারা হাসতে পারে, তারাই দিনের শেষে জয়ী। দিনে যদি ১০ মিনিটও কেউ মন খুলে হাসে, তা হলে যে কোনো স্নায়বিক সমস্যা দূর হতে পারে। আবার  হাসির মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে চিরযৌবনের রহস্য। শুধু হাসিমুখ আর মনের আনন্দ ধরে রাখতে পারলেই বয়সের বিরুদ্ধে অসম লড়াইয়ে অর্ধেক জিতে যাবেন। হাসার উপকারিতা অনেক। তাই হাসতে হাসতেই জেনে নেই এর সুফল…

 প্রাণ খোলা হাসি মানসিক চাপ, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা কমিয়ে দেয়। বর্তমান সময়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লড়াইয়ে মনের ওপর চাপ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে মন ভালো রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। হাসলে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল ও এপিনেফ্রিনের ক্ষরণ কমে যায় এবং সুখী হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে। হাসি-খুশি থাকা মানুষ ঠাণ্ডা মাথায় অনেক কঠিন পরিস্থিতিতে লড়াই করতে পারে।

হাসতে থাকা মানুষ শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে সবসময়। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করে এবং যে কোনো রোগের সঙ্গে লড়াই করতে সহায়তা করে। এছাড়া হাসি এক ধরনের ব্যায়াম, যা শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ায়।

হাসলে এন্ডোরফিন ও সেরোটোনিন নামক দুটি হরমোন নিঃসরণ হয়। এই দুটি হরমোন সঠিকভাবে নিঃসরণ হলে পেশির শক্তি বাড়ে। এর ফলে সহ্যশক্তি বাড়ে, গাঁটে গাঁটে ব্যথাবেদনা কমে, মানসিক চাপও কমে যায়।

প্রাণ খুলে হাসলে পেশি শিথিল হয় এবং এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। হৃৎপিণ্ডের পেশিগুলোর ব্যায়ামও হবে। ফলে হার্টের রোগের ঝুঁকি অনেক কমে যাবে; রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। মানসিক চাপ না থাকলে স্বাভাবিকভাবেই স্নায়ু শান্ত এবং শীতল হয়ে যায়। এর ফলে কোনো শারীরিক সমস্যা ধারে-কাছে ঘেঁষতে পারে না।

রোজ ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাসলে ৪০ ক্যালরি পর্যন্ত ক্ষয় হতে পারে। শারীরিক কসরত করার তুলনায় এই ক্যালোরি কমার পরিমাণ কম; কিন্তু অন্য উপকার পাওয়ার জন্য মুখে হাসি থাকা খুবই প্রয়োজন।

হাসির সময় মুখের টিস্যু আর পেশিগুলো বেঁকেচুরে যায়, যা অনেকটা ফেসিয়াল ব্যায়ামের মতো কাজ করে। মুখের টিস্যু আর পেশি এর ফলে টানটান, সতেজ থাকে এবং মুখের ত্বকের নমনীয়তা ধরে রাখে। ফলে মুখে বলিরেখার প্রকোপ অনেক কম পড়ে।