মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বালিশিরা রিসোর্টে সচিবের মরদেহ উদ্ধার 

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বালিশিরা রিসোর্ট থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সালাহ উদ্দিন মাহমুদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১০ই অক্টোবর) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রের বরাতে জানা যায়, সালাহ উদ্দিন মাহমুদ শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব। তিনি সর্বশেষ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে এসএমই ফাউন্ডেশনের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত বুধবার (৯ই অক্টোবর) মৌলভীবাজারে এসএমই ফাউন্ডেশনের কয়েকটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন তিনি। প্রোগ্রাম শেষ করে রাত ১০টার দিকে শ্রীমঙ্গলের বালিশিরা রিসোর্টে যান। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার রুমে গেলে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ এসে বিকল্প উপায়ে জানালা দিয়ে ওই কক্ষে প্রবেশ করে। সেখানে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার শ্রীমঙ্গলে এসএমই ফাউন্ডেশনের আরও কয়েকটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল তার।
বালিশিরা রিসোর্টের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, উনারা দুইজন ছিলেন। রাতে ডিনার করে উনি (সালাহ উদ্দিন মাহমুদ) নিজ রুমে গিয়েছিলেন। সকাল সাড়ে ৮টায় উনারা দুইজনের নাস্তা করার কথা ছিল। উনার সহকর্মী সকালে নাস্তার জন্য কল দিচ্ছিলেন কিন্তু সালাহ উদ্দিন মাহমুদের সাড়া না পেয়ে দরজায় কড়া নাড়েন। পরে তাতেও সাড়া না পেয়ে হোটেলকর্মীদের বললে তারা জানালা দিয়ে দেখেন তিনি বিছানায় পড়ে রয়েছেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, সালাহ উদ্দিন মাহমুদ রাতে ডিনার করে যেভাবে রুমে গিয়েছিলেন ওই অবস্থায় বিছানায় পড়েছিলেন। জুতা এবং পায়ের মোজা শুধু খোলা পাওয়া গিয়েছিল। হাতের কাছে তোয়ালে পাওয়া যায়। আমরা ধারণা করছি তিনি রুমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল।
শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, সকালে আমরা খবর পেয়ে রিসোর্টে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। তার আগে রাত ১০টার পর থেকে আজ সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে যেকোনো সময় তিনি মারা যান।
ওসি আরও বলেন, যানজটের কারণে ঢাকা থেকে তার পরিবার আসতে দেরি হওয়ায় সচিবের সহকর্মী এসএমই ফাউন্ডেশনের এজিএম মাসুদুর রহমানের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। মরদেহ নিয়ে তিনি ঢাকায় রওনা হয়েছেন।
জনপ্রিয়

গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিন: প্রধান উপদেষ্টা

বালিশিরা রিসোর্টে সচিবের মরদেহ উদ্ধার 

প্রকাশের সময় : ১২:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০২৪
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বালিশিরা রিসোর্ট থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব সালাহ উদ্দিন মাহমুদের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১০ই অক্টোবর) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রের বরাতে জানা যায়, সালাহ উদ্দিন মাহমুদ শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব। তিনি সর্বশেষ শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে এসএমই ফাউন্ডেশনের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত বুধবার (৯ই অক্টোবর) মৌলভীবাজারে এসএমই ফাউন্ডেশনের কয়েকটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন তিনি। প্রোগ্রাম শেষ করে রাত ১০টার দিকে শ্রীমঙ্গলের বালিশিরা রিসোর্টে যান। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার রুমে গেলে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ এসে বিকল্প উপায়ে জানালা দিয়ে ওই কক্ষে প্রবেশ করে। সেখানে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার শ্রীমঙ্গলে এসএমই ফাউন্ডেশনের আরও কয়েকটি প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করার কথা ছিল তার।
বালিশিরা রিসোর্টের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, উনারা দুইজন ছিলেন। রাতে ডিনার করে উনি (সালাহ উদ্দিন মাহমুদ) নিজ রুমে গিয়েছিলেন। সকাল সাড়ে ৮টায় উনারা দুইজনের নাস্তা করার কথা ছিল। উনার সহকর্মী সকালে নাস্তার জন্য কল দিচ্ছিলেন কিন্তু সালাহ উদ্দিন মাহমুদের সাড়া না পেয়ে দরজায় কড়া নাড়েন। পরে তাতেও সাড়া না পেয়ে হোটেলকর্মীদের বললে তারা জানালা দিয়ে দেখেন তিনি বিছানায় পড়ে রয়েছেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, সালাহ উদ্দিন মাহমুদ রাতে ডিনার করে যেভাবে রুমে গিয়েছিলেন ওই অবস্থায় বিছানায় পড়েছিলেন। জুতা এবং পায়ের মোজা শুধু খোলা পাওয়া গিয়েছিল। হাতের কাছে তোয়ালে পাওয়া যায়। আমরা ধারণা করছি তিনি রুমে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল।
শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, সকালে আমরা খবর পেয়ে রিসোর্টে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। তার আগে রাত ১০টার পর থেকে আজ সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে যেকোনো সময় তিনি মারা যান।
ওসি আরও বলেন, যানজটের কারণে ঢাকা থেকে তার পরিবার আসতে দেরি হওয়ায় সচিবের সহকর্মী এসএমই ফাউন্ডেশনের এজিএম মাসুদুর রহমানের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। মরদেহ নিয়ে তিনি ঢাকায় রওনা হয়েছেন।