শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দ. কোরিয়াকে মানচিত্র থেকে মুছতে কিমের বাহিনীতে ১৪ লাখ তরুণ

ছবি-সংগৃহীত

উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে আবেদন করেছে দেশটির অন্তত ১৪ লাখ তরুণ। এ খবর দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ। ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতারাও আছেন এই আবেদনকারীদের মধ্যে।

কেসিএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়া ড্রোন পাঠিয়ে আমাদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। এ ধরনের উস্কানিমূলক কাজের জন্য দেশজুড়ে তরুণরা শপথ নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার ‘জঞ্জাল’ সরিয়ে দেওয়ার। সাধারণত ১০ বছর পর্যন্ত পুরুষদের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা রয়েছে উত্তর কোরিয়ায়। তবে উত্তেজনার সময়ে অতিরিক্ত সেনায় যোগদানের এমন ঘোষণা তারা আগেও দিয়েছে। ২০১৭ সালে ৩৫ লাখ লোক সেনায় যোগ দিতে চেয়েছিল বলে দাবি করেছিল দেশটি।

দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও, সিউল এর আগে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল—উত্তর কোরিয়ার হামলা হলে সেই দিনই পিয়ংইয়াং সরকারের শেষ দিন হবে।  এদিকে সীমান্তের উত্তরে আন্তঃকোরীয় সড়কের অংশবিশেষ গুঁড়িয়ে দিয়েছে উত্তর কোরিয়া, যা ঐক্য প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার জন্য বড় আঘাত। সিউলের ইউনিফিকেশন মন্ত্রণালয় এ ঘটনাকে গুরুতর ব্যাকডেটেড আচরণ হিসেবে নিন্দা করেছে।

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের জনসভা অনুষ্ঠিত

দ. কোরিয়াকে মানচিত্র থেকে মুছতে কিমের বাহিনীতে ১৪ লাখ তরুণ

প্রকাশের সময় : ০৫:০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে আবেদন করেছে দেশটির অন্তত ১৪ লাখ তরুণ। এ খবর দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ। ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতারাও আছেন এই আবেদনকারীদের মধ্যে।

কেসিএনএ জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়া ড্রোন পাঠিয়ে আমাদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। এ ধরনের উস্কানিমূলক কাজের জন্য দেশজুড়ে তরুণরা শপথ নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার ‘জঞ্জাল’ সরিয়ে দেওয়ার। সাধারণত ১০ বছর পর্যন্ত পুরুষদের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক পরিষেবা রয়েছে উত্তর কোরিয়ায়। তবে উত্তেজনার সময়ে অতিরিক্ত সেনায় যোগদানের এমন ঘোষণা তারা আগেও দিয়েছে। ২০১৭ সালে ৩৫ লাখ লোক সেনায় যোগ দিতে চেয়েছিল বলে দাবি করেছিল দেশটি।

দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও, সিউল এর আগে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল—উত্তর কোরিয়ার হামলা হলে সেই দিনই পিয়ংইয়াং সরকারের শেষ দিন হবে।  এদিকে সীমান্তের উত্তরে আন্তঃকোরীয় সড়কের অংশবিশেষ গুঁড়িয়ে দিয়েছে উত্তর কোরিয়া, যা ঐক্য প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার জন্য বড় আঘাত। সিউলের ইউনিফিকেশন মন্ত্রণালয় এ ঘটনাকে গুরুতর ব্যাকডেটেড আচরণ হিসেবে নিন্দা করেছে।