শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিনা বিচারে ৮ বছর কারাগারে ভারতীয় নাগরিক, অবশেষে জামিন

মামলার সাজা এক বছর, হাজত খাটছেন আট বছর, তিনি একজন ভারতীয় নাগরিক।
আসামির নাম: মো: সনু আলী (২৮)

পিতা: শাকের আলী গ্রাম: করমনগর
জেলা: হাওড়া, কলকাতা, ভারত।
গ্রেফতারের তারিখ: ১৭/১১/২০১৬ ধারা: The Control of Entry Act 1952 – এর (ঘ) ধারা।
উক্ত ধারায় সর্বোচ্চ সাজা অর্থদন্ড সহ এক বছর। বিনা বিচারে প্রায় ৮ বছরের হাজতবাস। হাজতী আসামির উপস্থিতিতে জামিন -শুনানী হয় ২৪/১০/’২৪ সকাল, ১১ টা, বিজ্ঞ এম এম ৫ম নুসরাত জাহান জিনিয়ার আদালত, চট্টগ্রাম।
আসামী পক্ষে চট্টগ্রাম জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি কর্তৃক নিয়োজিত বিজ্ঞ এডভোকেট রফিকুল আহসান ও মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন বিএইচআরএফ এর মহাসচিব এডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান ও অন্যান্য মানবাধিকার আইনবিদগণ শুনানীতে অংশ নেন।
মামলা নং জি.আর. ২০৬/১৬।বিচারক নুসরাত জাহান জিনিয়ার চোখে বিষয়টি প্রথমে ধরা পড়ে। তিনি নিজেই বিষয়টি মানবাধিকার আইনবিদদের নজরে আনেন। গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের এ ঘটনায় তাঁর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মানবাধিকার আইনবিদগণ। অথচ দীর্ঘ আট বছর কারা কতৃপক্ষের কিংবা সংশ্লিষ্ট কারো নজরে আসেনি বিষয়টি।
জনপ্রিয়

গোয়ালন্দে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ, অতঃপর…

বিনা বিচারে ৮ বছর কারাগারে ভারতীয় নাগরিক, অবশেষে জামিন

প্রকাশের সময় : ১২:৩৪:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪
মামলার সাজা এক বছর, হাজত খাটছেন আট বছর, তিনি একজন ভারতীয় নাগরিক।
আসামির নাম: মো: সনু আলী (২৮)

পিতা: শাকের আলী গ্রাম: করমনগর
জেলা: হাওড়া, কলকাতা, ভারত।
গ্রেফতারের তারিখ: ১৭/১১/২০১৬ ধারা: The Control of Entry Act 1952 – এর (ঘ) ধারা।
উক্ত ধারায় সর্বোচ্চ সাজা অর্থদন্ড সহ এক বছর। বিনা বিচারে প্রায় ৮ বছরের হাজতবাস। হাজতী আসামির উপস্থিতিতে জামিন -শুনানী হয় ২৪/১০/’২৪ সকাল, ১১ টা, বিজ্ঞ এম এম ৫ম নুসরাত জাহান জিনিয়ার আদালত, চট্টগ্রাম।
আসামী পক্ষে চট্টগ্রাম জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি কর্তৃক নিয়োজিত বিজ্ঞ এডভোকেট রফিকুল আহসান ও মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন বিএইচআরএফ এর মহাসচিব এডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান ও অন্যান্য মানবাধিকার আইনবিদগণ শুনানীতে অংশ নেন।
মামলা নং জি.আর. ২০৬/১৬।বিচারক নুসরাত জাহান জিনিয়ার চোখে বিষয়টি প্রথমে ধরা পড়ে। তিনি নিজেই বিষয়টি মানবাধিকার আইনবিদদের নজরে আনেন। গুরুতর মানবাধিকার লংঘনের এ ঘটনায় তাঁর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মানবাধিকার আইনবিদগণ। অথচ দীর্ঘ আট বছর কারা কতৃপক্ষের কিংবা সংশ্লিষ্ট কারো নজরে আসেনি বিষয়টি।